নিজের লেখা কবিতা, নিবন্ধ, গল্প পাঠান হোয়াটসঅ্যাপ করে 7384324180 এই নম্বরে
বড়দিনে জলফড়িং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বড়দিনে জলফড়িং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

বড়দিনে জলফড়িং

আমার বড়দিন

আমার বড়দিনটা একটু অন্যরকম
পার্কস্ট্রীটের বাহানাটা আজ আর মনে পড়ে না,
মনে পড়ে বাড়ির পাশের স্ট্রীটটার
সন্ধ্যে নেমে আসার পর সোয়েটারহীন ঠান্ডায়
কুকড়ে যাওয়া মুখ গুলো,
আমার বড়দিন ঠিক একটু অন্যরকম
হাফছুটির পর ছুটে আসা স্ট্রীটের ধারে
চলে যাই ছেলেপুলে গুলোর আবদার মেটাতে
মলিন ওই মুখটায় হাসি খুঁজে দিতে।
পার্কস্ট্রীটের বদলে চলে যাই ওদের
লাল সাদা টুপি পরে সান্তা হতে।
                                                 জয়দীপ রায়









বড়দিনে জলফড়িং

বড়দিন / ব্রতীন বসু

আজ বড়দিন
তাই দুপুরে বেড়িয়েছিলাম একটু পার্ক স্ট্রিটের দিকে
অন্যদিন সময় বা ইচ্ছে হয় না হুজুগকে প্রশ্রয় দেবার
ভিড় ঠেলে ভিক্টোরিয়ার কাছে যখন পৌছুতে পারলাম তখন বিকেল শেষ
লাল অন্ধকার আর রকমারি আলোয় যেন রাধাগোবিন্দের গোপন প্রেম
পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা হল
হাসিঠাট্টা ঘোড়ার গাড়ি বেলুনের উড়ুউড়ু ভাব
লাল টুপি পরা অজস্র  সান্তার আনন্দ
যেন খুব আপন কারুর জন্মদিন আজ।
দেখে মনে হতেই পারে উৎসব
কোন ঈশ্বরের সৃষ্টি নয়
কোন জাতির সৃষ্টি নয়
এর কোন সীমা থাকাও উচিৎ নয়
অষ্টমী বা ঈদ কি বড়দিন যাই হোক
আনন্দ মানুষের।
তার মধ্যে
একটা বাচ্ছা ছেলে
ফাঁকায় ফাঁকায় ঘোড়া নিয়ে ঘুরছে
অসুস্থ মত দেখতে একটা ঘোড়া
নাম কি তোর? আজ্ঞে কৃষ্ণ।
আর ঘোড়ার নাম?  রাধা।
চড়াবে বাবুকে? আজ একটাও সওয়ারী পাইনি।
না থাক।যদি ফেলে দেয়।
অসুস্থ মত দেখতে একটা ঘোড়া।
অন্য শক্তপোক্ত ঘোড়াতে চড়ে ছেলে যখন
টগবগ করে মিলিয়ে গেল আনন্দমেলায়
বুঝলাম
উৎসবের সীমাবদ্ধতার একটা কারণ ঈশ্বর হলে
বাকি নিরানব্বইটা আমি নিজেই।