নিজের লেখা কবিতা, নিবন্ধ, গল্প পাঠান হোয়াটসঅ্যাপ করে 7384324180 এই নম্বরে
সরাসরি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সরাসরি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১০ জুন, ২০১৯


** তুমি জানোনা **

বিষাদের কাছে নির্জন হতে বসেছিলাম
সে ভালোবেসে জাপটে ধরে বুকে
তারপর বিষবৃক্ষের অরন্যে
আমি ঠিকানাহীন টিকিট ।

দেখোনি কোনোদিন নিঃশব্দের মুখ
আত্ম-বৃত্ত গুলির পরিবর্তন সম্ভব কোনোদিন ?
তাহলে কিভাবে ভেবেনিলে তুমি নুড়ি কুড়োবে
বিষাদ কে অতিথি ভেবেছিলাম ।

সে আজ সহচরী
তুমি জানোনা ।
                                  

সোমবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৯



    বসন্ত
        ------------প্রীতি মান
                
এসো বসন্ত, এসো বসন্ত
এই ধরনীর বুকে,
স্নেহ মাখাময় রৌদ্র-ছায়ায়
সবাইরে রেখো সুখে ।
শুষ্ক মাটি, রুক্ষ ধরায়,
দাও ফুল-ফল ভরিয়ে,
জীর্ণ প্রদীপখানি নিভেছে কখন্
দাও ফিরে তারে জ্বালিয়ে ।
রঙ ছড়িয়ে পাখনা মেলে
পাখির কলরবে,
হল ভোর, ভাঙল ঘুমের ঘোর
ভাবছি মনে সবে ।
রাজার আসন পেলে তুমি
সেরা ঋতুর মাঝে,
পাচ্ছি যেন এই ধরাকে
মায়ের মতোন সাজে ।
শিশির ঘেরা সবুজ ঘাসে,
শুভ্র মেঘের চাদর,
বসন্ত হাওয়ায় দুলছে মন,
যেন পাচ্ছি মায়ের আদর ॥
কবিতা:-হারানো খাতার কবিতারা

ফুলের ভিতর আগুন...সন্ধ্যা নামছে

ঈশ্বরকে রেখে এসেছি কারখানায়-

উঠোনের কাঁচা মাটিতে দিদার আলতার ছাপ

দুর্গা বেঁচে আছে...দুপুরের পর,দুপুর

ফিরে আসে পুনর্জন্ম...জাতিস্মর কথক

আহ্লাদী  বিড়ালটা অলীক জ্যোৎস্না মেখেছে রাতে

চুম্বনের কাছাকাছি গিয়ে দিতে পারিনি-  প্রেম বিসর্জন

রাত্রি হরফ পুরনো বন্ধুর গান তোলে আকাশে

পাখি পালায় কাঁটাতার  টপকে রঙিন জানালায়

তোমার ক্রুশ কাঠি প্রত্যাখানের প্রতিটা আঁচড়...


লেখকঃ-সৌরভ দত্ত 
স্বপ্নই তো সবকিছু

© আম্রপালী দে

না না না , এসব জায়গায় কোনোমতেই কবিতাকে বসতে দেওয়া যায় না !

দেশলাই বাক্সের মতো ঘুপচি একটা চারকোণা , এতো ঝাড়বাতি , লাল-নীল লন্ঠন , ওদিকে আতশবাজি ফুটছে রেসের ঘোড়ার চেয়েও বেশি বেগে ।

জীবন হারছে , সময় জিতছে । আর জেতাটুকু হাঁ করে গিলে খাচ্ছে এক একটা করে স্বপ্নকে । প্রতিটা সেকেন্ড থেকে তফাতে থেকে যাওয়া সেসব স্বপ্ন ।

দুপুরের রোদেও তেমন তেজ নেই ।
এবাড়ি ওবাড়ি ঘুরে রঙ্গ দ্যাখে যেন...
আর গল্প জানা বিকেলগুলো আজকাল নিজেরাই তিন মাথার গল্পে বিভোর ।

পাতা ছেঁড়া মাঠ ।
ওইতো রথের চাকাটা ঢুকে গেছে মাটির বর্তমান ফাটলে । বড়ো অসহায় কবচকুন্তলধারি ।

আহ ,
আহ , কি করছো...
পাঁচিল বেঁধো না বলছি...বলছি বেঁধো না...
শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে...কষ্ট হচ্ছে...


যাওয়া আসা
------------------জ্যোতির্ময় রায়

তখন তোমার বৌ-চি খেলার বয়স।
    আমিও সদ্য পোয়াতি চাঁদ দেখে বলে ফেলি
             "ছুঁয়ে দেখাবো ঠোঁট "

মুখ ঢাকা বিজ্ঞাপনে বেনামি চিঠি
               "প্রেম না ,কাছে আসা হোক ।"

ধর্ষিত হওয়ার ভয়ে থমকে দাঁড়াই ট্রাফিকে

ফিকে হয়ে আসা রোদ্দুরে মুখ ধুয়ে সে
       চলে যায় ছায়া।ভুল চালে মন্ত্রী গেছে খোয়া
                   ভুল প্রেমের শেষে ...

পূর্ণিমার চাঁদ আজও ঝলসানো রুটির মতো।

সোমবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮

অপরিহার্য
উজান উপাধ্যায়

এরাত কলকাতার নয়। অন্য শহরে আছি। ভুবনেশ্বর।ওলিয়েন্দ্রা দূরে ঘুমিয়েছে।আমি  
গেস্ট হাউসে।ফোন করে সবুজ কন্ঠস্বরে শুভরাত্রি জানিয়ে বলেছে , বাবা ঘুমিয়ে পড়ো।

ঘুমোতে দিল না ব্যালকনি , নির্জন বারান্দা। শহরে প্রচুর আলো , রাত প্রায়  
অদৃশ্য হয়ে গেছে। খুব জোর করে নিঃসাড় হতে চেয়ে বারবার প্রার্থনা সঙ্গীতের  
নিয়মাবলী ছেড়ে সোজাসাপ্টা পৌঁছে গেছে
নক্ষত্রের কাছে। তাদেরও ঘোর বিপদ। ছুটে আসছে উল্লাসের ব্যাধি , রাত তবুও অচেনা  
হওয়ার ভানে কিছুতেই আটকে থাকছেনা।

শহর বদলে গেছে , নারীর ভ্রুক্ষেপ এমনকি বালিশ চাদর , পুরুষের গাম্ভীর্য -এখানে  
তাৎক্ষণিক সব ওলোটপালট।

শুধুমাত্র জেগে থাকা কবি , ভেঙে ফেলছে একভাবে ঈশ্বরীর গোপন প্রত্যাখ্যান।

যেকোনো শহর এ দৃশ্যে বদল আনার ক্ষমতা রাখেনা।