নিজের লেখা কবিতা, নিবন্ধ, গল্প পাঠান হোয়াটসঅ্যাপ করে 7384324180 এই নম্বরে
ভালোবাসা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভালোবাসা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০

"PANI PANI RE" গানটিকে নতুনভাবে অ্যারেঞ্জ করেছে KMJ music Series production house

 



২৫ শে অক্টোবর ১৯৯৬ সালে 'MAACHIS' নামে যে সিনেমা রিলিজ করে সেই সিনেমায়  বিখ্যাত গায়িকা লতা মঙ্গেশকর জি গেয়েছিলেন "PANI PANI RE" নামে একটি গান। গানটির লিরিক্স লিখেছিলেন  অস্কার জয়ী  লিরিসিস্ট স্বয়ং গুলজার সাহেব  এবং মজার ব্যাপার হলো তিনিই সিনেমাটির ডিরেক্টর ছিলেন।

২৪ বছর পর গতকাল সেই গানেরই মিউজিক ভিডিও করছে  KMJ music Series production house যার কর্ণধার হলেন শ্রী প্রবীর জানা।

এখানে গানটি গেয়েছেন জি বাংলার 'সা রে গা মা পা' - ২০১৪ এর গায়িকা স্বর্ণালী বোস।
মিউজিক অ্যারেঞ্জ করেছেন আকাশদীপ ভট্টাচার্য।
গানটির DOP ছিলেন শুভদীপ দে এবং গানটিকে  দৃষ্টিসুন্দর করে তুলেছেন অর্থাৎ ভিডিও এডিট করেছেন শুভদীপ  বাবু এবং গানটি এক অপরূপ দৃষ্টি পেয়েছে দর্শকের কাছে।

গতকাল ছিলো গুলজারের জন্মদিন আর গতকালই রিলিজ করেছে এই গানটি। গানটিতে আকাশদীপকে দেখা যাচ্ছে কখনও গীটার এবং কখনও উকুলেলে হাতে করে। আর গায়িকা স্বর্ণালীর কন্ঠে এক ইউনিক লুক পেয়েছে "PANI PANI RE" যা নির্দ্বিধায় দর্শকের কাছে এক সুন্দর উপস্থাপনা  বলেই আমরা বিশ্বাস করি।

আপনি যদি গানটি না দেখে থাকেন তাহলে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করে দেখে আসতে পারেন একবার।
কথা দিচ্ছি ভালো  লাগবেই...

👇👇👇👇👇👇 👇👇👇👇
https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=7z9WJWquZiA

বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০

ফাউন্ডারের বাউন্ডারি




             ফাউন্ডারের বাউন্ডারি

ফেসবুকের আঙিনায় সাহিত্যের কাছে পেজ হিসেবে যারা ছাপ ফেলছে প্রতিনিয়ত তাদের মধ্যে অন্যতম পাঁচ পেজের ফাউন্ডারেরা রয়েছেন এখানে।
('কালপুরুষ' পেজের ফাউন্ডার  ডাঃ রিমো নস্কর , 'লাফালাফি' পেজের ফাউন্ডার FJ ROY,  'লেখালেখি' পেজের ফাউন্ডার  বিদিশা ভট্টাচার্য্য, 'আন্তরিক' পেজের ফাউন্ডার দেবায়ন চট্টোপাধ্যায়,  'এক কাপ কলকাতা' পেজের ফাউন্ডার উজান গুহ)

আর আপনারা পড়ছেন 'ফাউন্ডারের বাউন্ডারি'।

জলফড়িং-এর পক্ষ থেকে প্রথমেই স্বাগত জানাই তোমাদের।


১.) সমস্ত পেজের নিজস্ব কালচার রয়েছে একটা মূলমন্ত্র রয়েছে। কোনো পেজ একধরনের লেখা পোস্ট করে তো অন্যপেজ অন্যধরনের লেখা।
আমি জানতে চাইব সবার কাছ থেকে তোমাদের নিজস্বভাবে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করার মন্ত্র গ্রহণ করতে হয়েছে।

কালপুরুষঃ- কালপুরুষ বাংলা সাহিত্যের সব বিভাগকে সমানভাবে গুরুত্ব দেয়। গল্প, কবিতা, পর্ব গল্প (বা সিরিজ), কাপ্লেট, কথোপকথন সব দিকটাই দেখা হয়। তবে এখনকার টু লাইনার, ফোর লাইনারের রমরমার দিনেও আমরা বিশেষভাবে সতর্ক থাকি বড় লেখা মানে গল্প, সিরিজ বা বড়ো কবিতার প্রতি। ইদানিং, আমরা শিশু সাহিত্যেও মনোনিবেশ করেছি।


লাফালাফিঃ- আমি একটু অন্য ভাবে বলি। ইলেকট্রনিক কোনো জিনিস বা যে কোনো জিনিসের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ভাবে বেচার চেষ্টা করে। কিন্তু দিনের শেষে জিনিসটা তো একই। সাবান বলো, জুতো বলো, জামা কাপড় বলো।

তাই আমি মনে করি ভাব প্রকাশ এক হলেও আমরা যেটা করি সেটা হলো একটা জিনিসকে কিভাবে একটু অন্য ভাবে রিপ্রেজেন্ট করা যায়।

লেখালেখিঃ- কোনো একধরনের লেখা সেভাবে নির্বাচন করার মন্ত্র গ্রহণ করিনি। তবে লেখালেখি থেকে নস্টালজিক লেখা সব থেকে ভালো লাগে ফলোয়ার্স দের, আমারও ব্যাক্তিগভাবে সেধরনের লেখাই বেশি পছন্দের। তবে একটা পেজের মাধ্যমে পুরোপুরিভাবে সাহিত্য চর্চা কোনোদিনই হয় না। প্রয়োজন আর প্রিয়জনের মধ্যে তো একটা পার্থক্য থাকেই। হ্যাঁ, তবে সেটা কখনো মার্জ করে যা। তবে পেজের মূলধন মানে ফলওয়ার্সরা কেমন পছন্দ করছে সেটা বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখার চেষ্টা থাকে।

এক কাপ কলকাতাঃ- পেজ কালচারটির সাথে বেশ অনেক দিন ধরে আছি। যা দেখে এসেছি বেশির ভাগ ৪-লাইনার কবিতা বা অন্যান্য লেখা পোস্ট হয় ৮০শতাংশ পেজে।
তাই আমরা ১০০০০ হবার পর ঠিক করি যে না একটু কবিতা বা ৪-লাইনার বা ৬-লাইনার থেকে বেরিয়ে স্মৃতিচারণ বা ডেস্ক্রিপ্টিভ টাইপের কিছু লেখা লিখলে কেমন হয়।যেটা অনুগল্পও না আবার বড়ো গল্পও না জাস্ট একটা স্মৃতিকে তুলে ধরা। তারপর থেকে আমরা বাঙালিয়ানা বা কলকাতার কালচার এর উপর  টপিক ঠিক করি এবং তার উপর লেখালিখি করা শুরু করি।
যেমন - ছোটোবেলার দাদু বা দিদার কাছে গল্প শোনার স্মৃতি বা স্কুলে টিফিন ভাগ করে খাওয়া বা টিচারদের ব্যাঙ্গো করে ডাকার স্মৃতি এছাড়াও অন্যান্য। তো মোদ্দা  কথা হলো আমরা ঠিক করি আমাদের এক কাপ কলকাতা এমনিতেও সাহিত্যের পেজ নয়,তাই মানুষদের একটু অন্য রকম কিছুর স্বাদ দিলে কেমন হয়। এইটুকুই।


আন্তরিকঃ- আমরা বেশির ভাগই এমন লেখাকে গুরুত্ব দিই যে লেখা পাঠক খুব সহজে কানেক্ট করতে পারবে এবং তার মধ্যে সাহিত্যের বিভিন্ন অংশকেই কমবেশী তুলে ধরার চেষ্টা করি।


২.) প্রথম পেজ করার কথা বা প্ল্যান কীভাবে মাথায় আসে? এক এক করে সবার কাছ থেকে উত্তর নেব।

লাফালাফিঃ- ১১.১১.১৪ তে লাফালাফি শুরু হয় একটা জোকস ওয়েবসাইট হিসাবে। যেখানে রোজ জোকস যাবে এই পরিকল্পনা নিয়েই আমরা এগোই। নাম টা দ্বীপ দিয়েছে। আমি দিইনি। লাফালাফি ইংরাজিতে বললে হাসাহাসি করা আর বাংলাতে বললে লাফানো-ঝাপানো।
আমরা এটা ভেবে কখনো এগোইনি যে সাহিত্য নিয়ে আমরা কিছু করবো। তখন সেই ভাবে এতো প্রচার না থাকেলও আমরা এই দিকে আসতে আসতে করে নিজেদেরকে নিয়ে আসি।

কালপুরুষঃ- এটা লম্বা ইতিহাস। বিস্তারিত বলবো না।
২০১৩-১৪ সাল থেকে তৎকালীন বিভিন্ন স্বনামধন্য পেজে কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে শুরু। শেষ যেখানে 2 বছর আশ্রয় বা ঠিকানা করেছিলাম সেটাও বর্তমানে বেশ নামকরা এবং জনপ্রিয় পেজ। কোনও কোনও বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য বা মতের অমিল হওয়ায় বেরিয়ে আসতে চাই। তখন একপ্রকার চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছিল 'কোনোদিন দশ হাজারি একটা পেজ খুলে দেখাস।' সেটা ২০১৭ সালের মাঝামাঝি।
লেখালিখি করা তখনকার আমি জানতামও না কীভাবে কী করতে হয়। ৭-৮ মাস ধরে জানা এবং সাহস জোগাড় করে কালপুরুষের জন্ম। মাত্র 2 জন মিলে। একজন আমি, আরেকজন সোমা বসাক। আমাদের কোনও WA, messenger কোথাও কোনও grp ছিলোনা। এই দু'জন মিলেই কালপুরুষের দশ হাজার... 6 মাসে... সেখান থেকেই শুরু।

লেখালেখিঃ- আমাদের লেখালেখি একদম প্রথমে পার্সোনাল ব্লগ লেখার আইডিয়া থেকে খোলা হয়। আমাদের পেজের মেইন অ্যাডমিন শুভজ্যােতি রায়, সেই নিজের লেখার জন্য প্রথম পেজটা খোলে 28th November,2018... তারপর 30 th November কিছুজন নিজেদের ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে,তারা পেজটার ব্যাপারে জানতে পারে এবং তারা নিজেরাও লেখা দিতে চায়।তারপর আস্তে আস্তে পেজটা অনেকটা পরিচিতি পায়। অনেকে যুক্ত হয় পেজটার সঙ্গে আর একটা পরিবারের মতো প্লাটফর্ম তৈরি হয়। লেখালেখি আমাদের সকলের কাছে একটা পরিবার।

আন্তরিকঃ- আমরা কিছু বন্ধুরা মিলে চেয়েছিলাম নতুন কিছু করতে, তবে কখনও বৃহত্তর ভাবে কিছু ভাবিনি, আমাদের ইচ্ছে ছিল সাহিত্য এবং সংস্কৃতি বিষয়ক একটা গ্রুপ তৈরি হোক।
এরপর আস্তে আস্তে অনেক মাথা এসে জড়ো হয় এবং এগিয়ে নিয়ে চলে আন্তরিককে।

এক কাপ কলকাতাঃ- এইটা খুব কঠিক একটা প্রশ্ন আমার জন্য অন্তত।
এটুকু বলতে পারি আমি সাহিত্য চর্চার পেজ কোনো দিনও বানাতে চাইনি,আজও যদি কেউ বলতে আসে কোথায় তোদের পেজ এ সাহিত্যের "স" ও তো দেখিনা তখন আমি হেসে উত্তর দি যে "এক কাপ কলকাতা" কলকাতার পেজ,বিশেষত কলকাতাকে এক্সপ্লোরেশন এর জন্য তৈরি,তাই এখানে সাহিত্য না পাওয়াটাই স্বাভাবিক।
তো উত্তরটা একটাই আমারা কলকাতা,মেনলি বাঙালীদের কালচারটা'কে বাঙালিদের কাছে নতুন ভাবে প্রকাশ করার জন্যই এই পেজ এর সৃষ্টি।
এছাড়াও এর আগে আমার আরো একটি পেজ ছিলো যদিও তবে সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই নতুন পেজ খোলা প্রায় ১বছরের ব্রেকের পর।

৩.) কালপুরুষের থেকে জানতে চাইব। পেজ মেম্বারদের অনেক সময় মানুষজনকে ইনভাইট করে দেওয়ার জন্য অ্যালার্ট করতে হয় কোর টিম থেকে। এটাকে পেজের সার্থকতা বলা যায় নাকি ব্যর্থতা?

কালপুরুষঃ- এটা কমবেশি সমস্ত page ই করে থাকে। আমরা যারা page boost এর বিরোধী (আবার বললাম, page boost, পোস্ট boost বলিনি) তাদের কাছে সম্বল বলতে নিজেদের কন্টেন্টের উপর বিশ্বাস, আর নিজেদের সদস্যরা। এতে অনেকে অনেক সময় বিরক্ত হলেও, আখেরে লাভ তাদের। তাদের লেখাই আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারা যায়। আরও বেশি মানুষ দেখতে পান তাদের কাজ।
এটার সাথে সাফল্য বা ব্যর্থতার কোনও সম্পর্ক আমি দেখি না।

৪.) লাফালাফির কাছ থেকে জানতে চাইব  সত্যিই কী একটা পেজ ভালো কাজের জন্য নাম করে নাকি পিছনে content writer এর উপর কোনোরকম froce থাকে অ্যাডমিন প্ল্যানেল থেকে শেয়ার বা কমেন্ট বা লাইক করার জন্য।

লাফালাফিঃ- আচ্ছা। সত্যি বলতে আমরা প্রত্যেক মেম্বারদের বলে রেখেছি যে নিজেরা কমেন্ট করে পেজ যেনো না ভরায়। মোট কথা কমেন্ট করা ব্যান। সেটা করবে যারা আমাদের অনুগামী, যারা আমাদের সমালোচনা করবে।

যখন শুরু হয় তখন আমরা বলতাম লাইক এবং শেয়ার করার জন্যে। কারণ প্রথম প্রথম কেউ জানতোই না। পরে সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
হ্যাঁ কিছু কিছু জিনিস আছে যেগুলি শেয়ার করতে বলা হয়, যেই রকম কোনো এনজিও নিয়ে কাজ, কোনো তহবিল এর ব্যাপার থাকলে ইত্যাদি।
আমরা মনে করি আমাদের কে অনেকটা পথ চলতে হবে। এবং সেটা সবাইকে করতে হবে।
আমি একটা লেখা লিখে দিলাম সেটা শেষ নয়, সেটা ভালো লেখা না খারাপ, সেটার গ্রাফিক্স ঠিক আছে কিনা ইত্যাদি এই সব অনেক কিছু আছে যেটার ওপর ভিত্তি করে এগোতে হয়।
আর আমরা নাম করার জন্যে এগোইনা। এটা অনেকেই খিল্লি করে কিন্তু এটাই সত্যি। ভালো কাজ করলে আলাদা করে সেখানে প্রমোশন করতে লাগেনা। এটাই বলার।


৫.) লেখালেখির কাছে জানতে চাইব একটা পেজ সত্যিই কি without boost প্রতিষ্ঠিত হতে পারে?

লেখালেখিঃ- হ্যাঁ, এই প্রশ্নটা আমাদের পেজের জন্য সত্যিই যথাযথ। আজ পর্যন্ত কোনদিনও পেজ boost করানোর দরকার পরেনি। আর তাতেই আমরা 1 lakh ফলোয়ারস ক্রস করেছি খুব অল্প সময়েই। পেজ প্রতিষ্ঠা হওয়ার জন্য basic যে জিনিস গুলো প্রয়োজন হয়েছে সেগুলো হলো কন্টেন্ট creaters দের dedication,এবং সেটা পেয়েওছি সময় সময়। কখনোই জোরপূর্বক কাউকে লেখা দিতেই হবে কিংবা শেয়ার করতেই হবে এরোমটা করা হয় না। So without any boost page is going very well till now।
আর এই বিষয়টা আমরা ভীষণভাবে খেয়াল রাখি কি চলছে এখন আর কেমন পোস্ট ভালো লাগবে সবার। কারণ আমাদের পেজ 10k থেকে 40k তে পৌঁছায় একটা পোস্টের জন্য আর সেটা হলো types of bong রমণী।

৬.) এক কাপ কলকাতার থেকে জানতে চাইব যে আমরা জানি কবিদের বেঁধে রাখা যায় না কিন্তু একজন মানুষ একটা পেজের পাশাপাশি অন্য পেজেও জয়েন করে আর এটা করতে গিয়েই নানান সমস্যা হয়।  এই সমস্যা দূরীকরণের জন্য as a founder তোমার মতামত কী?

এক কাপ কলকাতাঃ- প্রথমে বলবো "কবি" শব্দটা খুব কঠিন। কজন কবি হতে পারে সেটা আমার জানা নেই।
আমি লেখক হিসাবে এগোলাম।
হ্যাঁ এটি একটি সমস্যা বটে। তার জন্য কিছু পেজ পদক্ষেপ নিয়েছে যে তাদের পেজ ছাড়া আর দুটি বা তিনটি পেজে থাকা যাবে।যেমন রয়দা মানে লাফালাফিতে আছে বা দলছুটেও আছে বা গ্রন্থকীট-এও রিসেন্টলি শুনতে পেয়েছি,যদিও কালপুরুষে এইটা নিয়ম করা হলেও এখন নিয়মটি নেই।
এবার ব্যাপারটা সবচেয়ে বেশী সমস্যা দেয় আমাদের পেজের পরিচালকদের। এরা কি করে, এই পেজে সিলেক্ট হলো না তো অন্য পেজে বা আর একটি পেজে তাদের কন্টেন্ট দিয়ে দেয়।এবার এদের মধ্যে অনেকে আছে যে তারা জানেই না যে এক লেখা বা ছবি দুটো পেজে দেওয়া যায় না। ফলে কি হয় পেজে পেজে ঝামেলা লেগে যায়।এই তুই আমাদের লেখা কেনো নিয়েছিস এই নিয়ে।
আমার নীতিগত ভাবে দেখতে গেলে আমার মত যে লেখকরা তো আমাদের পেজের পার্সোনাল  property  নয় তাই তাদেরকে আমরা কখনই বলতে পারিনা ভাই তুই ওই পেজে যাবি না বা আমাদের পেজে থাকলে অন্য পেজে থাকবি না।হ্যাঁ যদি আমরা তাদের বেতন দি, তবে এটা আমরা বলতে পারি।এটা সম্পূর্ণ আমার নিজস্ব মতামত।
তো এখন থেকে নয় আমাদের পেজ পরিচালকদের কঠোর হতে হবে যে ভাই তুমি ১০টা পেজে কেনো ১০০ টা পেজে থাকতে পারো কিন্তু সময় মতো এখানে কন্টেন্ট দিও, অন্য পেজের কাজের জন্য এখানে ইনঅ্যাকটিভ হলে আমরা রিমুভ করতে বাধ্য হবো।

৭.) অ্যাডমিনে অ্যাডমিনে ঝামেলা বা কনটেন্ট রাইটারদের সাথে। আবার পরবর্তীতে গলে জল। এতকিছু সহ্য করে ফাউন্ডারকে চলতে হয়। এই জার্নিটা কেমন লাগে?  আন্তরিকের থেকে জানতে চাইব।

আন্তরিকঃ- অ্যাডমিনে অ্যাডমিনে ঝামেলা বা মত বিরোধ কখনও হয়নি, তাই পরবর্তীতে গলে জল হওয়ার কোনো ব্যাপার নেই। তবে একটা কথা বলতে পারি, আমাদের হেডস্ টিমে মতবিরোধ হয় না বলাটা ভুল কারণ সবার চিন্তা ভাবনা তো সমান নয়, তবে আমরা খুব ভালো বন্ধুত্বের জায়গা থেকে সেটা মিটিয়ে নিই।
আমরা যারা আন্তরিকের হেডস টিমে আছি তাদের পেজতুতো সম্পর্কের থেকেও বন্ধুত্বের সম্পর্ক বেশি।
 অভিজ্ঞতা মন্দ নয়, ভালো খারাপ সব রকমেরই মানুষ নিয়ে চলতে হয়।

৮.) অনেক ভালো ভালো পেজ রিপোর্ট খেয়ে বন্ধ হয়ে যায়। কেউ তো করে?
তাদের কী বলতে চাই এক কাপ কলকাতা?

এক কাপ কলকাতাঃ- হ্যাঁ বন্ধ হয়ে গেছে অনেক পেজ তারপর আবার ঘুড়ে দাঁড়িয়েছে।সবচেয়ে বড়ো উদাহরন আন্তরিক।
তো যারা এটা করে তাদের বলবো যে আপনাদের ভালো নাই লাগতে পারে,আপনারা এড়িয়ে যান বা পার্সোনাল শত্রুতা থাকলে পার্সোনালি মিটিয়ে নিন।
পেজ মানে একটি সংগঠন তার পরিচালক মন্ডলী যারাই হোক না কেনো অনেকে সারাদিন খাটাখাটুনির পর পেজটি খুলে রিল্যাক্স করে।তাদের খুশিটা কেড়ে নেবেন না কারন একটি পেজ বা একটি পেজের গায়ে "ভালো" ট্যাগটি লাগাতে আমাদের বিনা পারিশ্রমিক এ যা পরিশ্রম দিতে হয় তা ভেবে দেখার ক্ষমতাও হয়তো আপনাদের নেই।

৯.) শুধুমাত্র প্রচুর শেয়ার, লাইক, কমেন্ট ব্যস, সেটা দেখেই কী  বিচারযোগ্য যে একটা পেজ সত্যিই শ্রেষ্ঠ। লাফালাফির থেকে জানতে চাইব উত্তরটা।

লাফালাফিঃ- হিহি। আমরা এখানে যারা আছি বা যারা পেজ চালায় বা পেজের সাথে কোনো প্রকারে যুক্ত, তারা এটা মানবে যে এখানে আমরা কেউ কারুর সাথে লড়াই করতে বা কে বড়ো কে ছোট বিচার করতে আসিনি। বরঞ্চ আমি এটা বলতে পারি যে যতই ঝামেলা হোক, দরকারে সবাই সবার পাশে দাঁড়াই। আর সেটা এখনি দেখা যাবে, যেখানে আমরা সবাই সাহায্য করছি করোনা এবং আম্ফান থেকে যারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
একটা পেজ যেখানে ১০ টা লাইক আছে সেখানে অনেক ভালো লেখা পাওয়া যাবে। আবার একটা ১ লক্ষ লাইক থাকা পেজেও। তাই কটা লাইক, কটা কমেন্ট দেখে কোনোদিন কোনো কিছুর গুণগত মান বিচার করা যায়না।

১০.) একটা পেজ হুড়হুড় করে বড় হলো আবার নেমে গেলো কিছুদিন পরে৷ একটা পেজকে দাঁড় করানোর জন্য কী মন্ত্র গ্রহণ বা পালন করতে হবে।  আন্তরিকের ফাউন্ডারের থেকে জানতে চাই উত্তরটা।

আন্তরিকঃ- সততা, নিজের মেম্বারদের প্রতি আস্থা এবং নিজেদের কাজের প্রতি বিশ্বাস।
কারণ, আন্তরিক হ্যাক হয়েছিল কমবেশী সবাই জানে... এই তিনটি মন্ত্র না থাকলে আন্তরিক নতুন করে শুরু করে ঘুড়ে দাঁড়াতে সক্ষম হতো না।

১১.) পেজ করতে এসে পরিচিতি বেড়ে গেলো।সেটা সমস্যার নাকি সুবিধের এক কালপুরুষের ফাউন্ডারের কাছ থেকে উত্তরটা নেব।

কালপুরুষঃ- এটা বেশ মজার প্রশ্ন। কালপুরুষের ক্ষেত্রে দশ হাজার পর্যন্ত কেউ জানতো না যে কে এডমিন! অনেকেই দিদি বলে msg করতেন পেজে।
যাইহোক, পেজ একটু বড় হলে বা বলা ভালো জনপ্রিয় হলে, বিভিন্ন পুরস্কার প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সামনে নিজেদের নিয়ে আসতেই হয়। আমার ক্ষেত্রে তো আর কোনও দ্বিতীয় option ছিলো না। তাই আসতেই হয়েছে সামনে।
এবার আসি খারাপ, ভালোর প্রশ্নে। সবকিছুরই ভালো এবং খারাপ দুটোই থাকে। ভালো যেটা, সেটা হলো নিশ্চিন্তে মানুষের সামনে আসা যায়, পরিচয় দেওয়া যায়। নিজেদের পেজ এবং সদস্যদের সামনে থেকে অনুপ্রেরণা দেওয়া যায়।

সমস্যা অনেক-
1. কোনও page এর সবাইকে নজরবন্দি করে রাখা, কোনও এডমিনের পক্ষেই সম্ভব নয়। কোনও সদস্য কিছু ভুল করলে, প্রথম আঘাত এডমিনের উপরেই আসে।

2. পরিচিতি আর সময়ের মধ্যে একটা ব্যস্তানুপাতিক সম্পর্ক আছে। পেজের খুঁটিনাটি দেখার সময় কমে যায়।

3. দিনের কোনও নির্দিষ্ট সময় শুধুমাত্র নিজের জন্য বরাদ্দ রাখা যায় না। ভিতর বা বাইরে যে সমস্যাই হোক না কেন, ডাক সেই মানুষটারই পড়বে, যাকে মানুষ চেনে।

আরও অনেক সমস্যা আছে, বাঙালি অনেক সময় কাঁকড়াকেও হার মানায় টেনে নামানোতে... সেইসব পরে কোনোদিন আলোচনা করা যাবে।

১২.) পেজ মানে খাওয়ানো কনটেন্ট রাখতে হবে আর তার মানেই হয় প্রেয় নয় বিরহ৷ এটা কতটা বিশ্বাস করে লেখালেখি?

লেখালেখিঃ- এই খাওয়ানো কথাটা খুব অপছন্দের। এত্ত ভালো ভালো খাবার থাকতে মানুষ লেখা খেতে যাবে কেনো! আর খাওয়ানোর ব্যাপার হলে রেস্টুরেন্ট খুলতাম পেজ খুলতাম কেনো।
তবে এইটুকু বুঝতে পারি এখন মানুষের পছন্দের variety আছে। তার মধ্যে প্রেম আর বিরহ যেটা প্রতিটা মানুষের জীবনেই আসে। সুতরাং এরম পোস্ট বারবার এসেছে আর আসবেও। তবে প্রেম বিরহ ব্যতীত প্রচুর লেখা আসে আমাদের পেজ থেকে। সমাজের কিছু মানসিকতা যেগুলো পাল্টানো দরকার তার ওপরে পোস্ট আসে প্রচুর। কেনো না আমাদের পেজের বেসিক একটা মূল লক্ষ্য আছে আর তা হলো সমাজের জন্য কিছু করা, প্রতিটা মানুষের কাছে পৌঁছানো, মানুষের পাশে থাকা, সাহায্য করা।
আরেকটা কথা এ প্রসঙ্গে বলতে চাইবো আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে আসে থ্রিলার গল্প যা প্রেম বিরহ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা গোত্রের।
সুতরাং আমরা সবরকমের কন্টেন্ট রাখারই যথাসাধ্য প্রয়াস করি। আর মানুষের ভালোলাগার ওপর পোস্ট depend করে আর আগামী দিনেও করবে কারণ তারাই পেজের সম্পদ।।

১৩.) পেজ মানেই এক আত্মীয়তা। এই আত্মীয়তা কতটা জরুরী পেজের জন্য? এক কাপ কলকাতার থেকে জানতে চাইব।

উজান (এক কাপ কলকাতার ফাউন্ডারঃ)- হ্যাঁ পেজ কালচার আমায় শিখিয়েছে যে পেজ মানে একটা পরিবার, একটা বন্ধুত্ব,একটা বন্ডিং।যেটা না থাকলে পেজের পরিকাঠামো ভেঙে পরে। ইন্টারনাল  প্রবলেম, ঝগড়া দেখা দেয়। তাই আমার মতে একটা পেজ চালাতে গেলে আগে নিজেদের মধ্যে, অন্তত কোর টিমের মধ্যে বন্ধুত্ব বা আত্মীয়তা থাকাটা খুব জরুরি।

১৪.) প্রশ্ন গুলো সেট করার জন্য তোমাদের পেজ গুলো ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয়েছে। সেটা করতে গিয়ে যা দেখলাম লাফালাফির ফোলোয়ারস প্রচুর। প্রথমদিন থেকে আজ অবধি এই জার্নিটা নিশ্চয় মসৃণ নয়? নিন্দুকদের কী বলতে চাও?

রয় দা (লাফালাফির ফান্ডারঃ)- জীবনটাই তো (hurdles) খেলার মতন। খারাপ না হলে ভালো জিনিসটার মর্ম বুঝবো কেমন করে? বাঁধা আসে বলেই তো বুঝতে পারা যায় কোন পথ টা সঠিক আর কোনটা নয়।
হিহি।  আমার একটা টিপিক্যাল ডায়লগ আছে যেটা ব্যবহার করি।

দেখবি আর জলবি, পম পম করে ফুলবি।

পম পম টা নিজের মাথা থেকেই। মানে ঠাট্টা করে আর কি।
এটাই বলার। ভালো কাজকে যেমন সমর্থন করেন তেমন কোনো কিছু খারাপ লাগলে নিশ্চই সমালোচনা করবেন কিন্তু কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ  করবেন না।


আচ্ছা এবার একটু পছন্দ জেনে নিই ফাউন্ডারদের

১.) roy দা রাতের ছাদ ভালো লাগে নাকি রাতের ব্যালকনি ?

উত্তরঃ- নির্ভর করছে কার সাথে কোন সময় কোন দিন কি অবস্থায় আছি। মানে নিজে নিজের সাথেই নাকি অন্য কেউ। হিহি

২.) উজান sunday suspens প্রিয় নাকি কলেজ ক্যানটিন?

উত্তরঃ- sunday suspence

৩.) রিমো দা নাইট ল্যাম্ফের আলো প্রিয় নাকি ডিপ লাইট?

উত্তরঃ- আমি একটু মলিনতা পছন্দ করি, সেটা জীবনদর্শন হোক বা মানুষ। খুব দরিদ্র শৈশব আর কৈশোরের জন্য ছোট্ট থেকেই মৃদু আলোর সাথে বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছে। উজ্জ্বলতা আমায় টানে না।

৪.) বিদীশা ট্রাম প্রিয় নাকি মানুষ টানা রিক্সা?

উত্তরঃ- মানুষের টানা রিক্সায় উঠতে আমার কোনোদিনই ভালো লাগেনা। বরং মনে হয় রিক্সা চালককে বসিয়ে নিজে একটু টানি। কারণ আমার বরাবরই প্যাসেঞ্জার সিট থেকে ড্রাইভার সিট বেশি পছন্দের।😁
টানা রিক্সার থেকে ট্রামে চড়তে বেশি ভালো লাগে। ট্রামের মধ্যে একটা সেই ব্যাপার আছে।। ট্রাম একটা ভালোবাসা আর টানা রিক্সা ভালোলাগা তবে চড়তে না, দেখতে আর ছবি তুলতে ভালোলাগে।

৫.) দেবায়ণ দা অনুপম রায়ের গান নাকি বাংলার লোকসংগীত?

উত্তরঃ- এই দুটোর মধ্যে জানতে চাইলে লোকসঙ্গীত বেশি প্রিয়।

আচ্ছা এখন আমরা আবার  প্রশ্ন-উত্তরে ফিরছি

১৫.) ধরি 'ক' পেজ একটা শর্টফিল্ম করলো তারপরে 'খ' পেজ শর্টফিল্ম করলো। এটাকি নিছকই যুদ্ধে টিকে থাকার লড়াই?
আন্তরিকের থেকে জানতে চাইব।

দেবায়ণ দা(আন্তরিকের ফাউন্ডারঃ)- না অবশ্যই নয়।

১৬.) প্রতিদ্বন্দ্বি পেজের সাথে পেজের নাকি পেজের সাথে প্রিন্টেডের? আর তাই কি কখনও কখনও পেজ প্রিন্টেড পত্রিকা বা সংকলন করার কথা ভাবে বা করছে? কালপুরুষের থেকে জানতে চাই।

রিমো দা(কালপুরুষের ফাউন্ডারঃ)- আমাদের কালপুরুষ থেকে এখনও পর্যন্ত ৩ টি বই (পত্রিকা নয়, দুটিতে isbn no যুক্ত) হয়েছে, এই বছরেও আরো 2 টি হবে। আমরা কোনও প্রতিযোগিতায় ঢুকতেই চাই নি, চাই না... আমরা যখন বই করি, তখন এতো চারদিকে বই করা নিয়ে মাতামাতি ছিলো না। প্রকাশকদের কাছে গিয়ে ভিক্ষার মতো বলতে হত। আজ এই যারাই বিনামূল্যে বই করে দিতে চাইছে, সেদিন তারাই একটা 75 পাতার 50 কপি বই করতে কুড়ি হাজার টাকা চেয়েছিলো।🙂

আমরা সবটাই করেছি বা এখনও করি নিজেদের লেখক লেখিকাদের লেখাগুলোর দলিল বানানোর জন্য, তাদের মনোবল বাড়ানোর জন্য। অনেকই বলতো 'দাদা, বাড়িতে এইসব বুঝছে না, খুব সমস্যা করছে!'... এই অভিভাবকদেরই অনেককে রাতারাতি পাল্টে যেতে দেখেছি, তাঁদের সন্তানের লেখা ছাপার অক্ষরে আসার পর। এগুলোই তৃপ্তি দেয়। আর আমি এখনও প্রাচীনপন্থী... এখনও এটাই বিশ্বাস করি যে বইয়ের বিকল্প কিছু হয়না। কালপুরুষ আজকে আছে, কাল নাও থাকতে পারে। কিন্তু বইগুলো থেকে যাবে।

১৭.) আমরা দেখছি বিভিন্ন প্রকাশক এগিয়ে আসছেন পেজের কাছে৷ এই ব্যাপারে প্রকাশকদের কী বলতে চাইবে লেখালেখির ফাউন্ডার?

বিদিশা(লেখালেখির ফাউন্ডারঃ)- এই ব্যাপারটা নিয়ে আমরা প্রকাশকদের কাছে সত্যি কৃতজ্ঞ। একটা বই প্রকাশে পেজের অ্যাডমিন দের পাশাপাশি পেজের অন্যান্য মেম্বারদের মধ্যেও লেখা নিয়ে একটা অ্যাডভেঞ্চার তৈরি হয়। এটা লিখতে ভালোবাসা মানুষদের ভীষণভাবে inspire করে । তাই ভীষণভাবে চাইবো আরো প্রকাশক এগিয়ে আসুক। পেজে সাহিত্য চর্চার যতটা খামতি থাকে সেটা পরিপূর্ণ করা তাহলে সম্ভব হবে। আর শুধু লেখালেখি না বরং প্রতিটা লেখাপ্রেমি মানুষদের এই সুযোগটা করে দিক প্রকাশকরা সেটাই চাইবো।

১৮.) কোথাও গিয়ে কী মনে হচ্ছে না পেজ একে- অপরের  দেখাদেখি কাজ করছে  আর তাতে করে নিজেদের আইডিয়া বলতে কিছুই বেরিয়ে আসছে না নতুন করে দর্শকের কাছে বা পাঠকের কাছে? এক কাপ কলকাতার ফাউন্ডারের থেকে জানতে চাইব এই উত্তর।

এক কাপ কলকাতাঃ- না এটা আমার মনে হয়না। খুব কম সংখ্যক পেজ আছে যারা অপরের ভরসায় এগোয়। তারা কালচারাল পেজের আওতায় পরে না। ওই পেজ চালিয়ে সেলেব হবো ওই টুকুর জন্য পেজ চালায় কিন্তু যারা একটু প্রতিষ্ঠিত বা শিক্ষিত পরিচালক তারা অন্য পেজের কিছু জিনিস ভালো লাগলেও সেটিকে নিজেদের মতন করে প্রকাশ করে।

১৯.) একজন ভালো অ্যাডমিনের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত?  কালপুরুষের ফাউন্ডারের থেকে জানতে চাই।

কালপুরুষঃ- এটাও আপেক্ষিক। আমার যাকে ভালো এডমিন মনে হবে, বাকিদের তাকে নাও মনে হতে পারে।
তবে তৎকালীন বিভিন্ন page এ কাজের সূত্রে দেখেছিলাম একটা মালিকশ্রেনী আর একটা কর্মচারীবৃন্দের মতো মানসিক তফাত থাকে এডমিন আর সাধারন সদস্যদের মধ্যে। আমি শুরু থেকে আগাগোড়া এই সম্পর্কের বিরোধী ছিলাম। চেষ্টা করেছি বা করি, নিজের page এ এই ধরণের কোনও সংস্কৃতি যেন না আসে।

দ্বিতীয়ত, এডমিনকে অনেকটা sensible হতে হয় responsibility ছেড়েও। সদস্যদের মন, চাহিদা এমনকি তাদের অসুবিধাগুলোও ধৈর্য্য ধরে জানতে হয়। অন্তত আমি সেই চেষ্টা করি। সবাই কমবেশি করেন।
এবার বাকিটা তোমার আমার নিজস্ব মতের উপর নির্ভর করছে কে ভালো আর কে অতোটা ভালো নয়।

২০.) কই  কোনো প্রিন্টেড পত্রিকা তো পেজ  করছে না অথচ পেজ প্রিন্টেড করছে। তাহলে কী বলা যেতে পারে পেজ  প্রিন্টেডের কাছে পরাজিত। আন্তরিকের ফাউন্ডারের থেকে জানতে চাই।

আন্তরিকঃ- পেজ আর প্রিন্টেডের যুদ্ধ কবে হলো যে পেজ পরাজিত হবে? আর 'দেশ', 'আনন্দমেলা' ইত্যাদি প্রত্যেক ম্যাগাজিনের এখন ওয়েব পোর্টাল আছে। ইন্টারনেট দুনিয়ার সাথে সংযোগ রাখাটা এখন নেসিসিটি। সেটা ওয়েবসাইট হোক বা পেজ যেকোনো মাধ্যমেই...।
মানুষের হাতে সময় কমে গেছে। বই উল্টে পড়ার অভ্যাস চলে যাচ্ছে। ফেসবুক স্ক্রল করে দু'টো কবিতা বা গল্প পড়লে সাহিত্যেরই লাভ। আর পেজ থেকে একটা বই বের করলে দশজন যারা কখনও বই হাতে নিয়ে পড়েনি, তারাও যদি পড়ে  সেটাও সাহিত্যের লাভ। আর পেজ বা ওয়েবসাইট বা প্রিন্টেড মিডিয়া প্রত্যেকেই সেইটুকুর উদ্দেশ্যেই কাজ করে যায়। আর বর্তমান পরিস্থিতি যা আসছে তাতে একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠছে।

২১.) একটা পেজ বছরে একবার হলেও অনুষ্ঠান করে। অন্যদিকে অন্য কোনো পেজ সেটা করে না বা করে উঠতে পারে না ।  এই এফেক্টটা কী অনুষ্ঠান করতে অপারগ পেজের জন্য ক্ষতি ডেকে আনে? লেখালেখির ফাউন্ডারের থেকে উত্তরটা নেব।

লেখালেখিঃ- না ক্ষতি বলবনা। তবে একটা ইচ্ছা তো থেকেই যায় কারণ পরিচয় হওয়া আর পরিচয় পাওয়া দুটোরই গতিটা একটু হলেও কমে।
আমরা এবছর একটা প্রচেষ্টা করছিলাম, বেশ খানিকটা এগিয়েও পিছিয়ে আসতে হলো দুটো কারণে একটা স্পন্সরশিপ আরেকটা সাম্প্রতিক পরিস্থিতি। তবে আশা করছি পরিস্থিতি সামলে উঠলে এরম একটা আয়োজন করা হবে।

২২.) এবার একদম শেষ প্রশ্ন৷ একজন ভালো কনটেন্ট রাইটার বলতে কী বোঝো? লাফালাফির ফাউন্ডারের থেকে জানতে চাইব।

লাফালাফিঃ- বেশ। একটু বড়ো হবে এটা।
আমরা ভালো কন্টেন্ট খুঁজি। কিন্তু তাই বলে এটা নয় যে বাকি কন্টেন্ট খারাপ। আবার এটাও না যে আজ কেউ ভালো লিখতে পারিনি বলে সে খারাপ লেখে। কাউকে লেখা শেখানো যায়না, আবেগ শেখানো যায়না। কিন্তু কাউকে ঘষা মাজা করে তৈরি করা যায়।
আমার কাছে যেটা ভালো সেটা অন্য কারুর কাছে খারাপ হতেই পারে কিন্তু আমরা এটা বলতে পারি না যে সেটা বাজে বা ফেলে দেওয়ার মতন। হ্যাঁ এটা ঠিক যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে গুণগত মান একটু হলেও কমে যায়। সেটা ঠিক করার এবং বুঝিয়ে বলার দায়িত্ব আমাদের। কিন্তু আমরা সেটার চেয়েও বেশি যেটা করি সেটা হলো তাকে নিয়ে খিল্লি আর একটা হট টপিক নিয়ে ফালতু বকা। তাই বলে অনেকের ক্ষেত্রেই সেটি একটা নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট আসে। অনেকেই ভাবে যে সে হইতো সত্যি লিখতে পারেনা।

এই রকম অনেক লেখা আমি নিজেই দেখি, শুধু আমাদের না, সবার। কিন্তু আমি খুব কম সেটা কমেন্ট করে বলি বরং যেটা বলি আলাদা করে বলি। আর আমাদের পেজের একটা ট্যাগলাইন আছে।

You Create, We Nurture

তাই আমাদের কাজই হচ্ছে সেই সব ট্যালেন্ট দের সবার সামনে আনা।


                                                

সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২০

পরিচালক অর্পন বসাক বললেন আগে মানুষের বাঁচাটা দরকার তারপর ছবি


পরিচালক অর্পন বসাকের পরিচালনায় এবং ভাবনায় লোকডাউনের পরেই আসতে চলছে প্রযোজক বিশ্বজিৎ কুমারের প্রযোজনায় এক স্বল্পদৈর্ঘ্যর ছবি "মালিনি"।
২৫ মিনিটের এই ছবিটি তৈরী হয়েছে একজন লেখকের জীবনীকে কেন্দ্র করে। ছবিতে দেখা যাবে লেখক স্বরণজিৎ-এর  জীবন কাহিনী হঠাৎ করেই চলে আসে সাংবাদিকের সমানে আর সব মিলিয়ে একজন লেখকের জীবনের উন্মোচনের গল্প নিয়ে আসছে পরিচালক অর্পন বসাকের ছবি "মালিনি"।



ছবিতে অভিনেতা সুপ্রতিম সাহাকে লেখকের ভূমিকায় দেখা যাবে। এক অভিনব লুকে ধরা দেবে সুপ্রতীম। তার বয়সের চেয়ে কয়েক পা আরও সামনের দিকে এগিয়ে গিয়ে অভিনেতা সুপ্রতীম সাহা লেখকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এই ছবিতে। এছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছন  শ্রী সুজয় প্রসাদ চ্যাটার্জী, ঋ সেন, আনন্দ চৌধুরী, ঐশ্যি ভট্টাচার্যের মতো সুদক্ষ অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।


পরিচালক বললেন এই ছবিটি তার একার জন্য হয়নি এখানে আরও সবাই মিলে তাকে সাহায্য করেছেন।
এ বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন যাদের ছাড়া "মালিনি" কোনো ভাবেই সম্ভব হতো না তারা হলেন.....


প্রথমেই বলি প্রডিউসার তথা বিশ্বজিৎ কুমার, তাকে অংসখ্য ধব্যবাদ জানাই।
অনুভব চ্যাটার্জী ( যিনি একজন ডিরেক্টরের দৃষ্ট্যতাকে সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন নিপুণতার সাথে)
সায়ন্তন নাগ( এডিটর এবং কালারিস্ট)
Executive producer দেবার্ঘ্য মুখার্জি
আকাশ কুমার (  script writer) অর্থাৎ আমার ভাবনাকে লিখিত রূপ দিয়েছেন আকাশ।
ছবিতে মিউজিক করেছেন মেঘ ব্যানার্জী।
সজল মজুমদার( art direction)। সজল দা দারুণ ভাবে ওয়ার্ক আউট করেছেন।
লিংকন রায় ( make up artist)। লিংকন দা স্বরণজিৎ-এর আসল বয়স থেকে বয়স্ক হতে সাহায্য করেছেন।
অর্পিতা সরকার যিনি ঐশী ভট্টাচার্য্যের মেকআপ করেছেন এবং ছোট্টো ঐশীকে এক গৃহবধূর মতোন তৈরী করেছেন মেকআপের মাধ্যমে।
"মালিনি"-র সমস্ত styling costumes করেছে নিশ্চিতা সেনগুপ্ত।
এবং সোনালী সেন ঋ সেন , সুপ্রতীম সাহা এবং সুজয় প্রসাদের লুক রেডি করেছেন।
















সমস্ত আউটডোর লোকেশন ট্যাকেল  করেছেন এবং second unit cinematographer যিনি ছিলেন তার নাম চন্দন কুমার বিশ্বাস। অসম্ভব দক্ষ একজন মানুষ তিনি।
ড্রোন অপারেট করেছেন হিতেশ যেশওয়াল  হিতেশ Aerial view capture করেছেন।
খুব তাড়াতাড়ি "মালিনি"-র পোস্টার আসবে যা design করেছেন মোনালিসা দাস।

কিন্তু এই সংকটকালীন অবস্থায় পরিচালক বললেন আগে মানুষের বেঁচে যাওয়াটা দরকার তারপর ছবি। কারণ ছবির চোখ তো মানুষই। তিনি আরও বললেন, লোকডাউনের সময় কেউ বাইরে যাবেন না ঘরেই থাকুন। আমি আশাবাদী সব বিপদ কেটে যাবে খুব শীঘ্রই আর আমি আপনাদের "মালিনি" উপহার দেব।

সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৯

"আবার আসবো ফিরে" গানের রিভিউ



 পুজো আসছে আর ঠিক পুজোর ছুটিতে এক বিলেত ফেরত রাজপুত্র শহরে ফিরেছে। ফিরেই বন্ধুদের সাথে পুজোর চাঁদা কাটতে  গিয়ে গুরুতর  বিপত্তিতে ফেলল তার চোখকে। চাঁদা কাটলো সেটা ঠিক আছে কিন্তু কাটলো কাকে এই প্রশ্নেই জড়িয়ে গেল একটা ভালোলাগা আর এক চামচ ক্রাশ খাওয়ার গল্প।

সেই ক্রাশকে দেখতেই  তার  পুজোর জন্য রিহার্সাল করা নাচের কচিং এর জানলায় উঁকি মারল ছেলেটি, ব্যস ক্রাশও জলের মতো পাতলা হয়ে হারিয়ে ফেলল নিজেকে।
তারপর চোখের কায়দা আর ঠোঁটের দু-চারটে ক্লিকে প্রেম চলল পুজো জুড়ে আর মেয়েটি চুল সরিয়ে নিয়ে উজাড় করল চাহনি আর বলতে বাধ্য হলো 'না জানি কতবার তোমায় চেয়েছি'।
আর স্বয়ং ক্রাশের মা যখন বিজয়ার সিঁদুর গালে লাগিয়ে দেয় তখন আরও দু-এক পয়েন্ট বেড়ে যায় সাহসের কিন্তু সাহস বাড়লে কি হবে পুজোর দিন স্বাভাবিক ভাবেই শেষ এবার ফিরতে হবে সেই বিদেশের পথে। ফেরার পথেই ভেজা ভেজা চোখ যখন দেখে পেরিয়ে যাওয়া হলুদ ট্যাক্সি  ব্যাক করছে এবং ট্যাক্সি থেকে নেমে আসা ছেলেটি তার সাথে কথা বলব বলেই নেমে এলো আর বলে গেলো  'বছর ঘুরে আবার আসব ফিরে' তখন কে আর না বলে থাকতে পারে 'আমি অপেক্ষায় থাকব'।


★
এরকম একটা চকচকে গল্প তৈরী করেছে কিছু তরুণ তুর্কির দল



তাই দেরি  না করে আপনার পুজোর অ্যালবমের মধ্যে এই গানটিকেও রাখতে পারেন লিস্টে।

" আবার আসবো ফিরে " 

পরিচালনা ও ভাবনা:- অর্পণ বসাক
নায়ক:- সুপ্রতিম সাহা
নবাগতা নায়িকা:- শ্রীতমা কর্মকার
গায়ক গীতিকার ও সুরকার:- পীযূষ দাস।

শুনতে ক্লিক করুন নীচের লিঙ্কে
https://youtu.be/_TskvNYY-yI












রিভিউ কলমঃ- সুদীপ্ত সেন
 ( ডট.পেন)
( FOUNDER OF JOLFHORING WEB MAGAZIN) 



মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০১৯

প্রতিফলনের EXPECTATIONS




"প্রতিফলন" ছবির পরিচালক অর্পণ বসাক, তিনি স্বয়ং চিত্রনাট্য বানিয়েছেন,সুপ্রতিম সাহা প্রযোজিত ও মুখ্য ভূমিকায় অভিনীত এই ছবি খুব শীঘ্রই  প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। তবে পরিচালক ও প্রযোজকের ইচ্ছে প্রথম ভাগে কিছু ফিল্ম ফেস্টিভালে "প্রতিফলন" কে পাঠাবে তারপর বাণিজ্যিকভাবে রিলিজ।

 পরিচালক অর্পণ বসাক পরিচালিত এই ছবির  গল্পটি মূলত একটি ১৮ বছরের ছেলে আর্য (সুপ্রতিম সাহা) কে ঘিরে, গল্পের প্রেক্ষাপট গ্রামকেন্দ্রিক। আর্য ছোট থেকেই তার মাকে দেখেছে গ্রামের মেয়েদের বিয়ের সাজ সাজাতে, সেই থেকেই আর্য স্বপ্ন দেখে তার মায়ের মত হওয়ার। আর্যর স্বপ্নের কথা তার বাবা জানতেই শুরু হয় এক কঠিন সংগ্রাম, সেই কঠিন সংগ্রামের সময় আর্যর পথ চলার সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায় আর্যর পাশের গ্রামের তারই সমবয়সী চুরি বিক্রেতার মেয়ে রিমি (সায়ন্তনী দেব)। শেষ পর্যন্ত আর্যর জীবনে কি পরিণতি আসে সেটা জানার জন্য অবশ্যই সবাইকে প্রতিফলন ছবিটা প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখতে হবে।

তাহলে চলুন শুনে নিই যারা তাদের পরিশ্রম দিয়ে তৈরী করল "প্রতিফলন" তাদের বক্তব্য।



°জলফড়িংঃ- এই ছবির মূল বিষয় ভাবনা কি?


●পরিচালক অর্পণ বসাকের অভিমত- "প্রতিফলন ছবির মূল বিষয় ভাবনা হচ্ছে প্রফেশনের কোন জেন্ডার হয় না"



°জলফড়িংঃ- সুপ্রতিম সাহা এই ছবির নায়ক এবং প্রযোজক, তোমার অভিমতটা যদি বলো।

●প্রযোজক ও অভিনেতা সুপ্রতিম সাহার অভিমত- " আর্য চরিত্রটা আলাদা করে কোনো গল্পের চরিত্র নয়, আর্য আমরা সবাই"



°জলফড়িংঃ- রিমিকে নিয়ে যদি কিছু বলো দর্শকদের।


●অভিনেত্রী সায়ন্তনী দেবের অভিমত- " গল্পে আমি রিমি চরিত্রে অভিনয় করেছি এবং রিমি আর্যর কাছে অক্সিজেন এর মত"



°জলফড়িংঃ- বিপাশা তোমার চরিত্রটা ছবিতে কীভাবে ফুটে উঠবে?


●অভিনেত্রী বিপাশার অভিমত- " আমার চরিত্র সম্পর্কে বেশি কিছু বলা বারণ, খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা চরিত্র, আমার একটাই অনুরোধ তোমরা সকলে ছবিটা দেখো"।




°জলফড়িংঃ- তুমি ছবির আর্যের মা, তোমার কাছে এই চরিত্রটা কতখানি দায়বদ্ধতা এনে দেয়?


●অভিনেত্রী সপ্না দেবের অভিমত- " পর্দায় আমি আর্যর মা, শুটিংয়ের প্রথম দিকটায় একটু নার্ভাস ছিলাম তবে আস্তে আস্তে কনফিডেন্স পেয়েছে অভিনয়টা করার"



°জলফড়িংঃ- আপনি তো ছবি আর্যের বাবা। আপনার অভিমত যদি জানতে পারতাম।



•অভিনেতা এমদাদুল হকের অভিমত:-   আমি প্রতিফলনে আর্য চরিত্রের বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছি, কাজ করে ভালো লেগেছে অর্পণের সঙ্গে।





°জলফড়িংঃ- তোমার গান, তোমার সুর, তোমার কথা কিরকম লাগছে?


●সঙ্গীত পরিচালক পীযূষ দাসের অভিমত- " আমার লেখা শব্দ সুর ও কন্ঠ দিয়ে চেষ্টা করেছে প্রতিফলন কে আরও সমৃদ্ধ করতে কেমন লাগলো জানার অপেক্ষায় রইলাম"



°জলফড়িংঃ- একজন এডিটর কাজ বেশ কঠিন একটা ছবির জন্য। তোমার কাছে প্রতিফলন?


●এডিটর সায়ন্তন নাগের অভিমত- " ছবিটার প্রতিটা "Frame" এর প্রেমে পড়েছি, অর্পণ ও সিনেমাটোগ্রাফার ভাবনাকে কুর্নিশ জানাই"




°জলফড়িংঃ- কিরকম লাগছে কাজ করে?


● অভিনেত্রী অভ্যর্থনা দাসের অভিমত- " অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে সকলে, দর্শকের কাছে অনুরোধ বাংলা ছবির পাশে থাকুন"



°জলফড়িংঃ- তোমার কাছে প্রতিফলন?


●সিনেমাটোগ্রাফার রাহুল মন্ডলের অভিমত- " প্রতিফলন ছবিটা আর বাকি ৫টা ছবির থেকে একদমই আলাদা, দর্শকের মতামতের অপেক্ষায় রয়েছি"


°জলফড়িংঃ- প্রতিফলন তোমার কাছে কেমন?

●সিনেমাটোগ্রাফার সঞ্জীব মন্ডলের অভিমত- " অনেকটা খাটনি করে ছবিটা বানিয়েছি আমরা সকলে, রিলিজের পরে বিচার দর্শকের হাতে"



°জলফড়িংঃ- কাজটা করে কেমন লেগেছে?


●মেকআপ আর্টিস্ট অর্ণব দাসের অভিমত- " আমার কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আর্যর মেকআপ টা, কতটা সফল হয়েছি সেটা জানার অপেক্ষায় রয়েছি"



°জলফড়িংঃ- প্রতিফলন নিয়ে কি বলবে?



•মেকআপ আর্টিস্ট প্রলয় কর্মকারের অভিমত- " খুব মিস করছি মুর্শিদাবাদের শুটিংয়ের সময় টা,প্রতিফলন সবার হলে এসে দেখা চাই"



°জলফড়িংঃ- কাজটা করে কেমন লেগেছে?


●স্টিল ফটোগ্রাফার শুভাশিস সাহার অভিমত- " অসংখ্য ধন্যবাদ অর্পণ ও সুপ্রতিম কে আমাকে এই সুযোগটা দেওয়ার জন্য"



°জলফড়িংঃ- তোমার কাছে তোমার ডিরেক্টর কেমন?


●অ্যাসিস্ট্যান্ট দিরেক্টর মেঘনা দের অভিমত- " কাজ করতে করতে অর্পণ এর সাথে অনেক কিছু শিখছি,আমার অনুরোধ তোমরা সকলে প্রতিফলন দেখো"



°জলফড়িংঃ- আপনি তো প্রোডাকশন ম্যানেজার,  "প্রতিফলন" নিয়ে আপনার মনে কি চলছে?


●প্রোডাকশন ম্যানেজার সৌমিক ঘোষের অভিমত- " রোদে গরমে খাটনিটা কিছুই মনে হবে না, যখন দর্শকের করতালিতে ভরে উঠবে প্রেক্ষাগৃহের মধ্যে"


°জলফড়িংঃ- কিরকম expectations রয়েছি?


●আর্ট দিরেক্টর জাগৃতি সিনহার অভিমত- " কাজটা মন প্রাণ দিয়ে করেছে, দর্শকের থেকে অনেকটা আশায় আছি"



°জলফড়িংঃ- তুমি বাঙালি নও তাও একটা বাংলা ছবির কাজ, কি মনে হয়েছে কাজটা কতখানি সার্থক হবে?


●ড্রেস ডিজাইনার স্বস্তিক আগরওয়ালের অভিমত- " বাঙালি না হওয়া সত্ত্বেও গল্পটি বুঝতে আমার এক মুহূর্ত সময় লাগেনি, এটাতেই প্রমাণ হয় ছবি স্বয়ং একটা মাধ্যম মানুষের কাছে পৌঁছানোর"



আমরা শুনলাম "প্রতিফলন" নিয়ে সবাই কিরকম excited, এখন দেখার "প্রতিফলন" কতখানি নিজেকে প্রতিফলিত করতে পারে দর্শকের মনে।

মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৯


সৃজিত মুখার্জির বাইশে শ্রাবণের পর আমার দেখা আর একটি অসাধারণ থ্রিলার "vinci da",
আর সৃজিত মুখার্জি মানেই একটা চমক, কারণ লাস্ট মুহূর্ত পর্যন্ত যে দর্শককে ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে ,সেই পরিচালকের একটি আলাদা সম্মান প্রাপ্য।

একঘন্টা সাতান্ন মিনিটের এক টানটান উত্তেজনায়,
সমান্তরাল ও নগরকীর্তন খ্যাত ঋদ্ধির অভিনয় , যে ছোটো থেকেই অপরাধ আইনের প্রতি তার তীব্র আসক্তি, ১৮ বছর বয়স হবার আগের মুহূর্তেই সে তার মাতাল ও অত‍্যাচারী বাবাকে খুন করে মা কে তার অত‍্যাচার থেকে বাঁচায়। কিন্তু অপরাধের তকমা তার গায়ে লাগায় তার মা তার পাশে থাকে না ,
আইন অনুযায়ী তার কোনো কঠোর শাস্তি হয় না এবং ক্রমে সে পড়াশোনা ও বুদ্ধির দ্বারা বুঝে নেয় আইনের খুঁটিনাটি।
ক্রমে বড়ো হওয়া আদি বোসের ভুমিকায় অভিনয়ে আসেন ঋত্বিক,
সিরিয়াল কিলারের ভুমিকায় সে শহরে একের পর এক খুন করতে থাকে।

অপরদিকে,একজন সাধারন Prosthetic Artist থেকে নিজের অজান্তেই এক সিরিয়াল কিলার কে সাহায্য করে বসা থেকে, ঘটনার শেষে নিজের হাতেই সেই সিরিয়াল কিলার কে খুন করা.... সব মিলিয়ে রুদ্রনীলের অভিনয় আপনার নজর কাড়তে বাধ্য,

এক দক্ষ পুলিস অফিসারের ভূমিকায় অনির্বানের অভিনয় ,এবং সোহিনীর অভিনয় ও যথেষ্ট প্রশংসনীয়,

সিনেমার প্রত্যেক টি গান আপনার মন কাড়তে বাধ্য, আর আপনি যদি ইতি মধ্যে অনুপম রায়ের ভক্ত হয়ে থাকেন তাহলে তো কথাই নেই ,সে ক্ষেত্রে অনুপম রায়ের লেখা এবং নোবেলের গাওয়া " তোমার মনের ভেতর যাই" গানটি এবং অনুপম রায়ের গাওয়া "শান্ত হও" গান দুটি আপনার মন কাড়তে বাধ্য, এছাড়া "গ্যাস বেলুন" তো আছেই দর্শকের মন ভরানোর জন্য ,

শেষে একটা কথাই বলবো,এই সিনেমাটিকে কোনো হলিউডি সিনেমায় সাথে তুলনা করা ভুল ,
তবে আমার মনে হয় এটি যথেষ্ট একটি ভালো সিনেমা, বাংলা সিনেমা ঠিক একদিন উঠে দাঁড়াবে,
তার শুধু একটু সময় চাই ,তাকে সেই সময় টুকু অন্তত দিন , আর অনেকের মতে কিছু সিনেমা কপি হচ্ছে, আসলে কপি করলেও না সৃজিত একটু নতুন কিছু দেন ,যাতে সেই ফিল্মটির কিছু নিজস্বতা থাকে ,আর এখানেই সৃজিতের কৃতিত্ব।
আমি জানি না আদৌও এই ফিল্ম কপি কিনা কিংবা কোনো অংশ কপি করা হয়েছে কিনা ,তবে এটি যদি সৃজিতের নিজস্ব লেখা হয় তাহলে আমি আর একবার কুর্নিস জানাই সৃজিত মুখার্জি কে।




বুধবার, ৬ মার্চ, ২০১৯

কলমে ডট.পেন

রিভিউ কলম "যে তুমি তারার মতো"

বাংলার বর্ণমালাকে পেরতে পেরতে যদি আমি একদম শেষে যাই তাহলে সেখান থেকে আমার ফিরে আসা কঠিন কারণ তার নাম চন্দ্রবিন্দু।
আর চন্দ্রবিন্দু'র তিনজন আমার ভীষণই প্রিয়। ভগবানকে বলব যদি আমি কোনোদিন কোমায় যাই তাহলে চারজন কে ভুলিও না ১.) চন্দ্রিল ভট্টাচার্য ২.) অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়  ৩.) উপল সেনগুপ্ত ৪.)অনুপম রায়

একটা অসম্ভব ভালো গান গেয়েছে উপল দা সেটা হলো
"যে তুমি তো তারার মতো"। গান টাতে যারা যারা কোরাস গাইলেন সকলকে অনেক শুভেচ্ছা গোটা অ্যারেঞ্জটাকে শুভেচ্ছা আর গান টা যারা লিখেছে  তাদেরকে  আমার একটা করে চুমু দেওয়া থাকলো।



গান টা শুনে আমার যেটুকু মনে হয়েছে সেটা হলো প্রেমিকা তার ভীষণই বড়ো পরিবারের আর প্রেমিক গরীব আর যা হয় বামনের চাঁদে হাত দেওয়ার স্বপ্ন।

তবে আমার মনে হয় এই গানটার বিষয়টা সাধারণ হলেও কথা গুলো অসম্ভব অসম্ভব সুন্দর এবং অসাধারণতের দাবী রাখে আর এটা উপল দার গাওয়াটায় সমুচিত হয়েছে নতুবা সেই ভাবধারাটা আসবেনা বা আসতনা।

তবে এটা আমি সিওর যে, এই গানটা শোনার পর রাজপ্রাসাদ ছেড়ে দিয়ে কাঠের বাড়ি তৈরী করা আর একসাথে থাকার স্বপ্ন দেখছে বা দেখবে অনেকেই।

মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৮

"বান্ধবীসুখ"গানের রিভিউ



অনিকেত দাসের লেখা আর শুভ্রজিৎ পন্ডার গাওয়া "বান্ধবীসুখ" সত্যি করেই একটা অন্যরকম ভালোলাগার গান।
শুধু উঠতি বয়স নয়, যেই দেখবে প্রায় ৯৭% মানুষের কাছে এটা একটা  স্মৃতি মনে পড়ার গল্প হয়ে যাবে।
খুব সুন্দর একটা গান আর গানের সাথে সাথে
খুব ফুটফুটে দুটো ছেলে-মেয়ের অভিনয় যা পুরো ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিতে কমতি রাখেনি।

সেই একটা বটগাছ তার গায়েই তাদের গল্প জমে ওঠে রোজ, ছেলেটার তেল চিটচিটে চুলটা একদম বাজে লাগে তার বান্ধবীর। তা অবশ্য লাগারই কথা তাও কেন জানি না সে তার তেল চিটচিটে চুলে হাত দেয়। কিন্তু কিছু করার নেই, ছেলেটা কবিতা লেখে আর কবিতা লেখা ছেলেরা তো এরকমটাই হয়, সে যাগগে, ছেলেটার বান্ধবী তাতে কোনো আপত্তি করেনি খুব একটা  উল্টে তাকে মেনে নিয়েছে হাসিমুখে, ভালোবেসে বলেছে, হ্যাঁ ঠিক আছে, চলবে কোনো ব্যাপার না। বুঝতেই পারছেন যেমনটা হয় সাধারণত। বেশ ভালোভাবেই সব কিছু চলতে থাকে মাঝেমাঝে দু-একটা চুমুও পেয়ে যায় ছেলেটা ফ্রি-তে।

কিন্তু এসব বান্ধবীসুখ বেশিদিন থাকে না সেটা সবাই জানে। তবুও বারে বারে প্রেমে পড়ে বেশ কিছুজন, হয়তো পড়ে না, পড়া হয়ে যায়।
একইভাবে একদিন ফুরিয়ে আসে সব, কিছুকাল পেরিয়েছে মেয়েটার সাথে ছেলেটার আর কোনো যোগাযোগ নেই , মেয়েটির নিশ্চয় মনে আছে ছেলেটা তার কবিতার খাতাটা  তাকে দিয়ে গিয়েছিল।
এখন সেই স্মৃতি নিয়েই সে-ও বেঁচে আছে যেমন করে আরও পাঁচজন বেঁচে থাকে এটা জেনেই যে, কিছু কিছু বান্ধবীদের মনে রাখতে হয় তাই বলে সব বান্ধবীদের মনে রাখতে নেই।


পুরো ব্যাপারটা গান থেকে এডিট থেকে ক্যালিওগ্রাফি পুরোটাই একটা অন্যমাত্রার কাজ হয়েছে, আশা করি সবার এটা ভালো লাগবে।

Lyrics by Aniket Das,

sung by Subhrajit Panda

Tune by : Subhrajit & Aniket

Music : Rishi Panda ; MIC Drop Studio

D.O.P- Gourab Das

EDITOR- Subham Haldar

ACTOR- KANINIKA & ANIKET

Title Calligraphy & Cover Photo :
Krishnendu Mondal

 (কলমে ডট.পেন)

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৮

"আসছে পুজো" -- গানের রিভিউ কলম




 আসছে পুজো, হুম পুজো তো আসছেই আর পুজো তো আসবেই। আমরা দেখতে পাচ্ছি তার সাজগোজও শুরু হয়ে গেছে শহর থেকে গ্রাম সবেতেই। পুজো'র আগমনী বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছে মহালয়া, কাশের হওয়া,  শরতের মেঘ, বোধনের জলঘট, শিউলির গন্ধগুলো আর এখন পুজোর ঠিক মুখোমুখি সময়ে কেউ আবার নতুন করে বলল "আসছে পুজো"।



হ্যাঁ ঠিকই ধরেছ, এখানে উতথ্য ঘোষ'র লেখা গান "আসছে পুজো"র কথায় বলছি, যেটা গেয়েছে অরিত্রম দাস ।

আর অরিত্রম দাসের কন্ঠে এই গান এক নতুন আমেজের কথা বলে, যা প্রত্যেক প্রেমিক-প্রেমিকা তো বটেই এবং তাদের নাছোড়বান্দা দাদা / দিদিদের মানতে শিখিয়েছি যে বোন / ভাই ঠিক আছে গুরু  করো,প্রেম ভালো জিনিস, আর যেটা আমি করছি সেটা কেন তুই করবিনা?

গোটা গল্পটাও এর ছন্দ বহন করে শুরু থেকে শেষ অবধি যার ডিরেকশন দিয়েছে ডিরেক্টর সায়ন্তন মন্ডল।

হুম সত্যিই ৮ মাস পর ঘরে ফিরে উমা তো চাইবেই তার প্রেমিক তাকে সময় দিক আফটারওল ৮ মাস না ছেড়ে থাকাটা অনেক বেশিই সময়।
আবার অন্যদিকে ক্রাশ খেলে বাবা পাঞ্জা কেন সবেতেই তুমি হেরে যাবে।
সে যাগ্গে উমার ওই হাসিখানা যেন দেখার মতো ছিল আর আরিত্রম প্রেমিক হিসেব ভীষণ রোমান্টিক এবং দায়িত্বশীল, তা না হলে ওরমভাবে চুপিচুপি পেছন থেকে এসে তাকে গিফট করতে পারে যা তার প্রেমিকার হাসি ফোটায়। এটাই তো উচিত প্রেম মানেই একটা সারপ্রাইজ তো থাকবেই।
উমা তার দাদার হোয়াটস্ অ্যাপ স্ট্যাটাস দেখে যেটা বুঝেছিল পরে দেখা গেল ঠিক তাই সায়ন্তন আর অদিতি ভীষণ প্রেমে বন্দি না'তো পাঞ্জাবি পরা প্রথম ছবিটা সায়ন্তন দেবে কেন অদিতিকে?



এ গেল প্রেমের হিসেব, কতকি দেখানো হলো পুজো আসা মেখে মেখে, সেল্ফিও তুললো মা'কে সঙ্গে নিয়ে অদিতি ও সায়ন্তন।



পুড়ো গ্রাফিক্সটা এক অন্যমাত্রা দিয়েছে ভিডিওটির আর গ্রাফিক্সটা করেছে সৃজন কুমার পাল।

এ'তো গেল গান আর গানের আবহাওয়া তা আবহাওয়া গরম, ঠান্ডা নাকি নাতিশীতোষ্ণ সেটা বোঝা গেল লাস্ট লাইনে।
ভিডিওর লাস্টে দেখানো হলো একটা দাদা কীভাবে তার বোনের প্রেমিককে বুকে জড়িয়ে নেয় আর বলে GO AHEAD তার পাশাপাশি দাদার প্রেমিকা বোনের কাছে যেন বন্ধু হয়ে যায় আচমকায়।

সবশেষে এটাই বলতে পারি এ গান দেখার পর কিছুজন হয়তো সে পথেই হাঁটতে রাজি হবে।
আর পুজো মানেই প্রেম আর পুজোয় প্রেম মানেই অনুভূতির নতুন রেশ, একলা পাওয়ার তাগিদ যার উত্তেজনার পারদ ছুঁয়ে আনন্দে মাততে চাইবে গোটা দেশ তথা দেশের প্রেমক-প্রেমিকাগণ আর এই জন্য দুর্গা পুজো কিন্তু ভীষনই দরকার।