নিজের লেখা কবিতা, নিবন্ধ, গল্প পাঠান হোয়াটসঅ্যাপ করে 7384324180 এই নম্বরে
কবি তন্মনা চ্যাটার্জী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবি তন্মনা চ্যাটার্জী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৯

-কিরে কখন থেকে ডাকছি..
- ও তুই, শুনতে পাইনি..
- সকাল থেকে ফোন করছি ধরছিস না কেন?
- কই ,শুনতে পাইনি তো..
-নির্ঘাত আবার সাইলেন্ট করে রেখেছিস ,কই দেখি ,এই তো ঠিক ধরেছি ।।
- কি বলবি বল।।
- কি হয়েছে তোর? ভালো করে কথা বলিস না আজকাল?

তৃপ্তি হেসে সৌরভের হাতটা ধরে জানলার সামনে নিয়ে এসে দাঁড়ায়।।আর বলে .......

- কান পেতে শোন জল পড়ার শব্দ পাচ্ছিস ? ভিজতে খুব ইচ্ছে থাকলেও মারণ রোগটা আমায় ভিজতে দিলো না রে।।

বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামে।।


.........তন্মনা

বুধবার, ৫ জুন, ২০১৯

 অনুগল্প:বেলা-অবেলার গল্প
**************************
কলমে : তন্মনা চ্যাটার্জী

তিথি আজ "অধ্যায় পুরান" পড়তে গিয়ে কেমন যেন নিজের জীবনকে মিলিয়ে নিচ্ছিলো প্রতিক্ষণে।।গল্পের চরিত্রগুলো ভীষণ চেনা।ভীষণ কাছের।। পড়তে পড়তে তিথি যেন কখন পেরিয়ে যাচ্ছিল পুরোনো সময়।।গল্পের অধ্যায়ের ছত্রে যে অনুরণন তাতো ভীষণ চেনা।।শুধু শেষটা অন্য হতে চেয়ে একটা এক অদ্ভুত ভাবনায় ভাবিত করে তিথির কল্পনার জগৎকে।।শেষ করে গল্পের সবটুকু অধ্যায়।।এদিকে কখন ঘড়ির কাঁটা বিকেল ছুঁয়েছে বুঝতেই পারেনি সে।। অনেক প্রশ্ন রেখে গেলো গল্পের শেষটা আর প্রধান দুই চরিত্র !! তিথির মন অচেনা অথচ ভীষণ জানা আরেক গল্পকারকে চিঠি লিখতে বসে ।। আজ শুধু তার মনে বহুপ্রশ্নের ঝড় ,তবু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তার প্রিয় গল্পকার কি এভাবেই আত্মপ্রকাশের একটা সময় খুঁজছে !!নাকি চিরতরে আত্মগোপনেই কাটাবে তার নিরলস শব্দচর্চা!!
চিঠিটা পাঠানো হয়না আজও।।তিথি তো ঠিকানাটাই খুঁজছে পুরোনো ডাকবাক্সের বন্ধ ঘরে!!হঠাৎ কোনো দমকা হাওয়ার অপেক্ষায় তিথি তাকায় জানলার বাইরে।। বাইরে তখন সন্ধ্যা নামছে।।দূর থেকে ভেসে আসে শঙ্খধ্বনি।। ইচ্ছেশক্তিকে সঙ্গী করে একবার চোখটা বোজে তিথি।।অভ্যাস অথবা প্রবল বিশ্বাসে।।




: অবগাহন
**********
কলম:তন্মনা চ্যাটার্জী

   প্রথম দেখা হওয়ার স্মৃতিরা ওদের দুজনের মধ্যে আজও অম্লান।। ওরা তমসা ও দীপায়ন।।  একটা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথম আলাপ, তারপর বন্ধুত্ব।। ওরা দুজনেই ছবি আঁকতে আর লিখতে ভালোবাসে।। তমসা ছবি আঁকলে দীপায়ন মিলিয়ে লিখে দিত কবিতা ।।খুনসুটি আর সখ্যতায় কেটে যাচ্ছিল বেশ।।দুজনে মিলে ঠিক করছিল একটা ছবি-কথার প্রদর্শনীর আয়োজন করবে, আর এভাবেই একে অপরের সাথে কাটাতে কাটাতে ওরা জড়িয়ে পড়েছিলো কোনো এক নাম না জানা সম্পর্কের বন্ধনে।।
   কিন্তু কিছুদিন যাবৎ তমসা লক্ষ্য করে দীপায়ন বেশ কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখছে।। কথাই বলে না।।অনেক জিজ্ঞেস করেও কোনো উত্তর পায় না তমসা।।বুঝতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।।

    তারপর হঠাৎ একদিন দীপায়ন একটি ঝড় জলের রাতে তমসাকে ম্যাসেজে জানায় "যোগাযোগ করিস না আর আমার সাথে।।দেখা করাও সম্ভব নয়।।ভালো থাকিস।।"  তমসার চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে।।বহুবার ম্যাসেজ করেও উত্তর পায় না সে।। কি করবে বুঝে উঠতে পারে না।। সকাল হতেই বেরিয়ে পড়ে।।দীপায়নের বাড়ী পৌঁছে দেখে সেখানেও তালা লাগানো।।উদ্ভ্রান্তের মত রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকে মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ছে।। একবার সবটুকু সমস্যা আলোচনা করা যেত না ? দুজনে মিলে মোকাবিলা করার একটা চেষ্টা কি করা যেত না? এসব ভাবতে ভাবতেই সন্ধে নামে।। বাড়ি ফেরে তমসা।। সবটুকু ভালো থাকা যেন এক নিমেষে হারিয়ে গেছে ঠিক দিপায়নের মতই।।

   এতগুলো বছর পর মুখোমুখি বসে সবটা যেনো আরও একবার নতুন করে মনে পড়ছিলো দুজনেরই।।নিঃশব্দে আরও কাছাকাছি এসে বসে দুজন কাছের মানুষ।। ওষ্ঠ ছুঁয়ে যায় অধর।।তিন বছর পর প্রথম চুম্বন করেছিল দীপায়ন আর তমসা,অতর্কিতে।। অপাপবিদ্ধ আলিঙ্গনে জড়িয়ে ঠোঁটের ভেতর ঠোঁট গুঁজে চোখ বুজে অনুভব করেছিল দুজনকে।। পুরোনো অভিমানগুলো দূরেই থাক -এটাই বলছিল দুটো মন।। কারণ, কখনও বলা হয়নি কতটা ভালোবাসে ওরা দুজন দুজনকে ।। ভালোবাসা কি ওভাবে মাপা যায় না কথায় ব্যক্ত করা যায়।।আর কখনও ওরা তো মুখ ফুটে বলতেও পারবেনা সবটা অনুভবের কথা ;আর কোনোদিনও...... কারণ ওরা দুজনই মুক ও বধির।।

***************************************************

রবিবার, ১২ মে, ২০১৯

অবগাহন
**********
কলম:তন্মনা চ্যাটার্জী

   প্রথম দেখা হওয়ার স্মৃতিরা ওদের দুজনের মধ্যে আজও অম্লান।। ওরা তমসা ও দীপায়ন।।  একটা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথম আলাপ, তারপর বন্ধুত্ব।। ওরা দুজনেই ছবি আঁকতে আর লিখতে ভালোবাসে।। তমসা ছবি আঁকলে দীপায়ন মিলিয়ে লিখে দিত কবিতা ।।খুনসুটি আর সখ্যতায় কেটে যাচ্ছিল বেশ।।দুজনে মিলে ঠিক করছিল একটা ছবি-কথার প্রদর্শনীর আয়োজন করবে, আর এভাবেই একে অপরের সাথে কাটাতে কাটাতে ওরা জড়িয়ে পড়েছিলো কোনো এক নাম না জানা সম্পর্কের বন্ধনে।।
   কিন্তু কিছুদিন যাবৎ তমসা লক্ষ্য করে দীপায়ন বেশ কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখছে।। কথাই বলে না।।অনেক জিজ্ঞেস করেও কোনো উত্তর পায় না তমসা।।বুঝতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।।

    তারপর হঠাৎ একদিন দীপায়ন একটি ঝড় জলের রাতে তমসাকে ম্যাসেজে জানায় "যোগাযোগ করিস না আর আমার সাথে।।দেখা করাও সম্ভব নয়।।ভালো থাকিস।।"  তমসার চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসে।।বহুবার ম্যাসেজ করেও উত্তর পায় না সে।। কি করবে বুঝে উঠতে পারে না।। সকাল হতেই বেরিয়ে পড়ে।।দীপায়নের বাড়ী পৌঁছে দেখে সেখানেও তালা লাগানো।।উদ্ভ্রান্তের মত রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকে মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ছে।। একবার সবটুকু সমস্যা আলোচনা করা যেত না ? দুজনে মিলে মোকাবিলা করার একটা চেষ্টা কি করা যেত না? এসব ভাবতে ভাবতেই সন্ধে নামে।। বাড়ি ফেরে তমসা।। সবটুকু ভালো থাকা যেন এক নিমেষে হারিয়ে গেছে ঠিক দিপায়নের মতই।।

   এতগুলো বছর পর মুখোমুখি বসে সবটা যেনো আরও একবার নতুন করে মনে পড়ছিলো দুজনেরই।।নিঃশব্দে আরও কাছাকাছি এসে বসে দুজন কাছের মানুষ।। ওষ্ঠ ছুঁয়ে যায় অধর।।তিন বছর পর প্রথম চুম্বন করেছিল দীপায়ন আর তমসা,অতর্কিতে।। অপাপবিদ্ধ আলিঙ্গনে জড়িয়ে ঠোঁটের ভেতর ঠোঁট গুঁজে চোখ বুজে অনুভব করেছিল দুজনকে।। পুরোনো অভিমানগুলো দূরেই থাক -এটাই বলছিল দুটো মন।। কারণ, কখনও বলা হয়নি কতটা ভালোবাসে ওরা দুজন দুজনকে ।। ভালোবাসা কি ওভাবে মাপা যায় না কথায় ব্যক্ত করা যায়।।আর কখনও ওরা তো মুখ ফুটে বলতেও পারবেনা সবটা অনুভবের কথা ;আর কোনোদিনও...... কারণ ওরা দুজনই মুক ও বধির।।

***************************************************

সোমবার, ৬ মে, ২০১৯

অনুগল্প:বেলা-অবেলার গল্প
**************************
কলমে : তন্মনা চ্যাটার্জী

তিথি আজ "অধ্যায় পুরান" পড়তে গিয়ে কেমন যেন নিজের জীবনকে মিলিয়ে নিচ্ছিলো প্রতিক্ষণে।।গল্পের চরিত্রগুলো ভীষণ চেনা।ভীষণ কাছের।। পড়তে পড়তে তিথি যেন কখন পেরিয়ে যাচ্ছিল পুরোনো সময়।।গল্পের অধ্যায়ের ছত্রে যে অনুরণন তাতো ভীষণ চেনা।।শুধু শেষটা অন্য হতে চেয়ে একটা এক অদ্ভুত ভাবনায় ভাবিত করে তিথির কল্পনার জগৎকে।।শেষ করে গল্পের সবটুকু অধ্যায়।।এদিকে কখন ঘড়ির কাঁটা বিকেল ছুঁয়েছে বুঝতেই পারেনি সে।। অনেক প্রশ্ন রেখে গেলো গল্পের শেষটা আর প্রধান দুই চরিত্র !! তিথির মন অচেনা অথচ ভীষণ জানা আরেক গল্পকারকে চিঠি লিখতে বসে ।। আজ শুধু তার মনে বহুপ্রশ্নের ঝড় ,তবু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তার প্রিয় গল্পকার কি এভাবেই আত্মপ্রকাশের একটা সময় খুঁজছে !!নাকি চিরতরে আত্মগোপনেই কাটাবে তার নিরলস শব্দচর্চা!!
চিঠিটা পাঠানো হয়না আজও।।তিথি তো ঠিকানাটাই খুঁজছে পুরোনো ডাকবাক্সের বন্ধ ঘরে!!হঠাৎ কোনো দমকা হাওয়ার অপেক্ষায় তিথি তাকায় জানলার বাইরে।। বাইরে তখন সন্ধ্যা নামছে।।দূর থেকে ভেসে আসে শঙ্খধ্বনি।। ইচ্ছেশক্তিকে সঙ্গী করে একবার চোখটা বোজে তিথি।।অভ্যাস অথবা প্রবল বিশ্বাসে।।

রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৯

পর্ণমচি
*********
অসম্ভব শব্দটা বেশ পরিচিত ,
যেখানে সম্ভবনার
একটা প্রবলতম স্পর্শ জুড়ে থাকে।।
চেষ্টার বিকল্প নেই নাকি
বিকল্প হিসেবে চেষ্টার
একটা অবসম্ভাবী সম্ভাবনা,
সেটা বুঝে নিয়ে আগামীর সুস্পষ্টতাই
ঝকঝকে প্রতিচ্ছবি উপহার দেবে ,
যা ভাবনাকে আরও একবার উজ্বলতা দেয়।।
নতুনের আবাহন যেখানে ম্লান
সেখানে পুরোনো অধ্যায়ের অবাধ বিচরণ
ভালোথাকার পাঠ দিতে এসে,
 কেমন যেন একাত্ম হয়ে গিয়ে
 বলতে পারার অভ্যেস ভুলে যায়,
কোনো এক চেনা সংকোচে ।।
ডাইরির পাতায় জমা হয় অনুভব,
ভালো থাকা আর নিশ্চুপ কথার
আগলে রাখা অনুরণন!!
..........................................@তন্মনা

বৃহস্পতিবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৯

আত্মিক
*******
তন্মনা চ্যাটার্জী

   সুলতা দেবী জানলার ধারে বসে ভাবছেন। কতদিন হয়ে গেলো তাঁর এই বৃদ্ধাশ্রমে।। একটিবারের জন্যেও ছেলে সম্বিৎ আসে নি।সেই কোন্ ছেলেবেলায় স্বামী মারা যাওয়ার পর ,এই ছেলেকেই কত অভাব অনটন পেরিয়ে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তিনি।। তারপর ডাক্তার সম্বিৎ মানে আদরের টপ্পাকে নিয়ে কত গর্ব তার।। তারপর ছেলের পছন্দ করা মেয়ে মোহিনী কেই বউমা হিসেবে গ্রহণ করে ঘরেও আনেন।। তারপর ছোট্ট নাতনি টুপুর হলো।।না জানি কত বড় হয়েছে এখন! এসব ভাবতে ভাবতে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলেন সুলতা দেবী।। হঠাৎ পেছন থেকে ছোটছোট দুটো হাত গলাটা জড়িয়ে ধরে তাঁর।।তারপর গালে মিষ্টি একটা চুমু খায় বছর পাঁচ-ছয় এর একটা পুতুল পুতুল মেয়ে আর বলে "হ্যাপি কিস্ ডে ঠাম্মি"।। অবাক হয়ে তাকায় সুলতা দেবী।।ঘরে ঢোকে বৃদ্ধাশ্রমের নতুন সেক্রেটারী মৃণালিনী।।"ও আমারই মেয়ে মাসিমা, ওর নাম রিনি।।টিভিতে দেখেছে আজ কিস্ ডে , ওর ঠাম্মি ওর জন্মের আগেই মারা গেছে...তাই আপনাকে দেখে...."।। সুলতা দেবী কিছু আর শুনছেন না , ছোট্ট রিনিকে কোলে তুলে নিয়ে দুই গালে চুম্বন করলেন।।আর দুই অসমবয়সী মায়েরই চোখ ঝাপসা করে দিলো কয়েক বিন্দু জল।।

চুম্বন অনুভূতির নামান্তরে সৃষ্টি করে সম্পর্ক!!

সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০১৯

স্পর্শ - লেখা
************
অসম্ভবভাবে ছুঁতে চাইছি তোকে
না , দৃষ্টিতে নয় ,নয় স্পর্শের আতিশয্যে
একান্ত অনুভবে ,বিনা বাক্যব্যয়ে।
দুরত্বেও ছুঁয়ে থাকা যায়।

কোনো প্রমাণের সীমারেখা চায়না মন,
অতিরিক্ত প্রকাশের শব্দক্ষরণ আজ অবান্তর।
তোর সাথে বসবাসের জন্য তোর তোকে খুঁজে পাই~
দিনের শুরু কিম্বা শেষের প্রতিটি উত্থান আর অবক্ষয়ে।।

মনের ভেতর যে মনন থাকে !
তার গলা টিপে হত্যা অসম্ভব~
সে জানে প্রতিনিয়ত বাঁচার জন্য ,
আজ তোর স্মৃতিরা ভীষণ আবশ্যিক।।
তাই অযাচিত উপেক্ষাদের জমিয়ে রাখিস !!
একদিন বদলে দেবো ঠিক
সময়ের গৈরিক পদচারণায়
অন্য ভোরের কাঙিক্ষত অধ্যায়ে ।।

.....................................©তন্মনা



সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৯

Google issue



কবি  তন্মনা চ্যাটার্জী  সংস্কৃত ভাষায় উচ্চশিক্ষার পর ৮ বছর বেসরকারী সংস্থায় কর্মরত থাকলেও মনের মধ্যে লেখালেখির বাসনা ক্রমশই প্রবলতম হয়েছে।।চাকরী ছেড়ে আপাতত গৃহশিক্ষিকা।।ছোট থেকেই পেশাগতভাবে বাচিকশিল্পের সাথে ও বর্তমানে অভিন্নয়কর্মী হিসেবে কাজ করার সুবাদে কবিতা,গল্প ও নাটকের ওপর এক অগাধ আকর্ষণ আর তার থেকেই লেখালেখির সাথে সখ্যতা এবং এই নিবিড় ভালোবাসার জন্ম ।। লেখার সাথে কবির ছবি আঁকতে অথবা নিজের তোলা ছবির সাথে মিলিয়ে বা গল্পের সৃষ্টি  করাটা রোজনামচার রীতি।

যোগাযোগঃ

Address: 47, Baguiati 3rd Lane,north 24 pgs, kolkata-700028
Phone :9038025525
Email :tanmanachatterjee@gmail.com