নিজের লেখা কবিতা, নিবন্ধ, গল্প পাঠান হোয়াটসঅ্যাপ করে 7384324180 এই নম্বরে
সাক্ষাৎকার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাক্ষাৎকার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০

youtube hits দিয়ে গানের মান বিচার করা ভুল। সত্যজিৎ রায়ের চেয়ে করন জোহার commercially অনেক বেশি successful


                               

১.) জলফড়িং এর পক্ষ থেকে এবং আমাদের তরফ থেকে দাদা তোমাকে প্রথমেই জানাই নমস্কার।

দেবায়ন দাঃ- নমস্কার। এখন যা পরিস্থিতি, তাতে handshake  এর  চেয়ে নমস্কারটাই  কাম্য।


২.) তুমি যেমন গানের লোক তেমনই অন্যদিকে তুমি একজন ডাক্তার তাই প্রথমেই জানতে চাইবো এই অবস্থায় তোমার কীভাবে দিনযাপন চলছে?

উঃ- ডাক্তারি  জীবন এর বিশেষ  পরিবর্তন  হয়েছে তা নয়। হাসপাতালের কাজ চ্লছে আগের মতই। মাস্ক,  PPE  পরে কাজ করতে হচ্ছে। OT,  OPD সবই চলছে। মজার ব্যাপার হলো, যেহেতু  আমি নাক কান গলার ডাক্তার, দেখছি ইদানীং  অনেকেই  চলে আসছেন নাক গলার  check up করাতে শুধুমাত্র  corona এর panic এ। আর বাড়ি ফিরে বাকি সময় টা না-হয় গান লিখে বা গেয়ে,ছবি একে, বই পড়ে কাটাচ্ছি।

                                     
৩.) সাবধানে থেকো দাদা । আচ্ছা দাদা এবার জানতে চাই তোমার গানবাজানার শুরুটা ঠিক কবে থেকে?

উঃ- শুরু বলতে সেই ছোটবেলা থেকে। আমার মা  সুমিত্রা ধর, একসময়কার  ত্রিপুরার প্রথম সারির রবীন্দ্রসংগীত শিল্পীদের মধ্যে  একজন।ছোটবেলায় মা-এর কাছে অনেকেই আসতেন গান শিখতে,তাই দেখে আমার গানের সূত্রপাত। মজার ব্যাপার  হলো  আমি ছাড়াও আমার ব্যান্ড এর  বাকি দুজন গায়ক তাপস এবং আবিরদা(সাগরনীল)  দুজনেরই গানে হাতেখড়ি  মা এর কাছে। আমরা সবাই একসাথেই শিখতাম।


৪.) গান লেখা, সুর করা এর পিছনে তোমার ইন্সপিরেশন কে?

উঃ- ছোটবেলা থেকেই বাবা কে দেখেছি  ডাক্তারির ফাঁকে ফাঁকে কবিতা লিখতে।ছড়া, কবিতা লেখার সূত্রপাতটা তখন  থেকেই। তারপর স্কুলজীবনে পরিচয় হল কবির সুমন, অঞ্জন দত্ত, নচিকেতা এঁদের গানের সাথে, সেই সাথে বাংলা ব্যান্ড এর গান- মহিনের ঘোড়াগুলি, ক্যাকটাস, ফসিলস, লক্ষিছাড়া,চন্দ্রবিন্দু, তখন বুঝতে পারলাম লেখা আর সুর মিলে গেলে একটা গান কি করে তৈরি  হতে পারে।শুরু টা এভাবেই হয়েছে। স্কুলেই আমরা  আমাদের  ব্যান্ড ' ঊড়ুম্ভুম ' শুরু করি।

                           

 শুভদীপ,আমি,তাপস,কুশল, কিশোর, সাগরনীল আর দীপ্তনয়। প্রথম দিন থেকেই ভেবেছিলাম নিজেদেরই গান গাইব, নিজেদের লেখা,নিজেদের সুর।


৫.) যেটা জানতে আমার খুব ইচ্ছে করে সেটা হলো। গানের সুর আগে করো নাকি আগে গানের কথা লেখা হয়?

উঃ- বলা শক্ত, কখনো আগে লেখা চলে আসে আগে,আসে পাশে সুর বাধতে হয়। কখনো  সুরটা মাথায় ঘুরপাক খায়,তখন লিখে নিই।


৬.) এবার যদি একটু পিছিয়ে যাওয়া যায় ধরো তোমার ছোটোবেলা, স্কুল এবং কলেজজীবন নিয়ে যদি কিছু আমাদের বন্ধুদের শেয়ার করো দাদা।


উঃ- স্কুলের কথা, আমাদের  ব্যান্ড এর প্রথম প্রোগ্রাম  মাধ্যমিক পরীক্ষার কদিন আগে, টেস্ট  পরীক্ষা  হয়ে গেছে, কৈলাসহর বই মেলায় সন্ধ্যে ৭ টার সময় হবে প্রোগ্রামটা, এর আগের রাত্রে ব্যান্ডের সবাই মিলে পুরো শহর জুড়ে হাতেলেখা পোস্টার  লাগালাম শ'খানেক,"ঊড়ুম্ভুম আসছে - সাবধান, স্থান - কৈলাসহর বই মেলা, কালকে সন্ধ্যে ৭ টা"।

হল পুরো  houseful পরদিন।


৭.) তোমার ব্যান্ড যখন প্রথম শুরু হলো তখন সবার মতোই শূন্য থেকে শুরু হয়েছিলো কিন্তু আজ বহু মানুষ জানে তোমাদের। কেমন লাগে?

উঃ- জানার চেয়েও শোনা টা বেশি দরকারী। আমরা কেউই বিখ্যাত  হওয়ার  জন্য  গান লিখি না, ভালবেসে  লিখি,যদি  শ্রোতারা  শুনে সেটা পছন্দ করেন তাতেই আমরা খুশি।

৮.) এই সময়ে দাঁড়িয়ে অনেকেই independent music করেছে কিন্তু সবাই তো আর ক্লিক করতে পারছে না অথচ দেবায়ন তরফদার তাঁর সৃষ্টি নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির। এই বিষয়ে কি বলতে চাও নতুনদের?

উঃ-  ক্লিক শব্দ টা নিয়ে আমার একটু আপত্তি রয়েছে, যারাই আজ গান লিখছেন, তাদের ক্লিকের কথা না ভেবে উচিত নিজের ভালোলাগার গান তৈরি  করা।
বিরিয়ানি খাওয়ার লোক অনেকে থাকলেও উচ্ছে ভাজা খাওয়ারও লোক রয়েছে,তাই নিজের মত গান তৈরি  করে যেতে  হবে। সব গানেরই শ্রোতা রয়েছেন। youtube hits দিয়ে গানের মান বিচার  করা ভুল। সত্যজিৎ  রায়ের চেয়ে করন জোহার commercially  অনেক বেশি successful।


                       

৯.) "দূতাবাস" গানটার পিছনে যদি কোনো গল্প থাকে আর সেটা যদি শেয়ার করা যায় ছোটো করে জলফড়িং এর বন্ধুদের সাথে।

উঃ-দূতাবাস এর পিছনে গল্প নেই,তবে 'সত্যি' আছে। কটা ছাপানো কাগজের অভাবে যদি  কেউ দেশহীন হতে পারে তাহলে সেই দেশের মূল্যবোধ  কে খতিয়ে  দেখা দরকার।


১০.) তোমার এখন অবধি গাওয়া শেষ গান মনে হয় মধুমিতা দির সাথে গাওয়া। গানটা আমার মনে আছে সেটা হলো 'মন আমার কবে"।
পরবর্তী ক্ষেত্রে আর কি কি নতুন কাজ  দর্শক দেখবে তোমার থেকে?

উঃ-শেষ গান 'মন আমার কবে' নয়, এর পর আমার youtube channel এ আমাদের ব্যান্ড এর " ব্রিষ্টি ভিজি চল' গান টা রিলিজ  করেছে।সামনে আরও বেশ ক'টা কাজ রয়েছে, individual  কাজ ছাড়াও বেশ কটা webfilm, Series  আর সিনেমার  কাজ।তবে এই পরিস্থিতি তে সবকিছুই অবশ্য একটু  paused রয়েছে। সুরকার আম্লান দা ( অম্লান  চক্রবর্তী) এর সাথে অনেক ক'টা কাজ আগেও করেছি যেমন - কে তুমি নান্দিনি,থাই কারি,ফিল্টার কফি লিকার চা ইত্যাদি।সামনেও বেশ কটা  রয়েছে pipeline -এ।

১১.) "ভূত হাসছে" এই গানটা ডাক্তার দেবায়নের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

উঃ- গান টা ২০১২ তে তৈরি,২০১৩ নাগাদ আমরা গান টা রেকর্ড  করি,  youtube  একটা  Music video বানিয়ে রিলিজ করা হয়।অনুপমদা কে পাঠানো প্রথম  কটা গানের মধ্যে  এটা একটা। ২০১৮ এর শেষে অনুপমদার কথায় গানটা rearrange  করে,ARC  লেবেল এ রিলিজ  করা হল। সেই সুবাদে পরিচয় হল বেশ কজন গুনী independent artists দের সাথে।

                      
১২.) তুমি একজন ডক্টর, আবার একজন গায়ক। একটা ot আছে তোমার আর একই সময়ে একটা show আছে। যেকোনো একটা তোমায় ছাড়তে হবে। কোনটা participate করবে?

উঃ-হা হা। OT তেই  participate করব। প্রথমত  OT তে কারোর জীবন  নির্ভর  করছে আমার উপর।
আর দ্বিতীয়ত ওরম চাপে ভালোবাসার জিনিস হয় না। গানটা আমার ভালবাসা।




এই রাউন্ডের নাম★ [গায়ক কতটা শ্রোতা]★

১.) "আজ রাস্তায় আমার শহরে"-- কার গাওয়া?
দেবায়নঃ- মাধুমিতা

২.)" ইস দেবাশীষ"-- কার লেখা গান?
দেবায়নঃ-আনুপম দা



দাদা এই রাউন্ডের নাম ★[ একজনই ১০ এ ১০ ]★

মানে যেকোনো একজনকেই তুমি ১০ এ ১০ নম্বর দিতে পারবে তুমি

১.) অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় / উপল সেনগুপ্ত?

দেবায়নঃ-চন্দ্রবিন্দু  ১০/১০

২.) লগ্নজিতা নাকি ইমন চক্রবর্তী?

দেবায়নঃ-দুজনেই ভালো, দুজনেই আলাদা।দুজনেই ১০/১০


 এই রাউন্ডটা একটু অন্যরকম দাদা
এখানে তোমাকে হিংসে করতে হবেই। আমি একজনের নাম বলব আর তোমাকে বলতে হবে তুমি কেনো হিংসে করতে চাও?

১.) রূপঙ্কর বাগচি
উত্তরঃ- কন্ঠ

২.) শিলাজিৎ মজুমদার
উত্তরঃ-  arrangement

৩.)অনুপম রায়।
উত্তরঃ- লেখা



[ এবারে জেনে নিই তোমার কিছু পছন্দের কথা ]
             

১.) প্রিয় রঙঃ- নীল

২.) প্রিয় পোশাকঃ- হাফ প্যান্ট, পুরোনো সুতির গেঞ্জি।

৩.) ডক্টর দেবায়ন নাকি সুরকার দেবায়নঃ- দুটোই কেন নয়?

৪.) প্রিয় শব্দঃ- ল্যাদ

৫.) গান তোমার অবসর হতে পারে না আমি জানি। তাহলে তোমার অবসরে তুমি কি করো?

-আমি ঘুমোই।গান,সুর করা,লেখা, ছবি আকা,বই পড়া কোনোটাই  অবসর নয়।ভালোবাসা।

৬.) প্রিয় গায়িকাঃ-আমার মা।

৭.) গান বানানোর জন্য উপযুক্ত সময়ঃ-
গানের একটা পোকা আছে মগজে,যখন তখন নাড়াচাড়া  দেয়।নির্দিষ্ট সময় নেই তার।হাসপাতালে  বসেও গান এসছে মাথায়।আবার কখনো খুব ভোরে  বা গভীর রাতে কিংবা ভরদুপুরে।

                                         
                                   

★ ইন্টারভিউটি নিয়েছেন জলফড়িং-এর ফাউন্ডার সুদীপ্ত সেন। 

শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০

এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার তালপাতার সেপাই

                          তালপাতার সেপাই 


জলফড়িং এর পক্ষ থেকে তোমাদের প্রথমেই জানাই নমস্কার।

১.) প্রীতম দা তোমার গান বাজনার শুরুটা কি ছোটো থেকেই? আর সুমনদা তোমার ইন্সট্রুমেন্ট প্রথম বাজাতে শেখা  কত বছর বয়স থেকে? 

প্রীতমঃ- হ্যাঁ ছোটো থেকেই, ওই ক্লাস two হবে বোধহয়।

সুমনঃ- এই ক্লাস নাইন থেকে শিখছি।

২.) ইউটিউবে গান গাইবে আর সেটা এই অভিনব ভাবনার সাথে।  ব্যাপারটা কবে এবং কীভাবে মাথায় এলো?

প্রীতমঃ- আসলে আমরা বেশ অনেকদিন ধরে নতুন কিছু করা নিয়ে ভাবছিলাম, সেখান থেকে 'চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন' গানটার ব্যাপারে একদিন এসে সুমনকে বলি যে উকুলেলে তে একটু অন্যভাবে করলে কেমন হয়, তখন উকুলেলেতে ট্রাই করা হয়, বন্ধুদের সামনে করে শোনাই,ওরাও বলে বেশ সুন্দর,তারপরই অডিও then ভিডিও।


সুমনঃ- actually আমরা গান বাজনার সাথে....ফ্লিম মেকিং,এডিটিং,ভিএফএক্স এই সব বিষয় নিয়ে খুব  interested দুজনেই....infact অনেক গুলো stop motion অ্যানিমেশনও করে ফেলি। তারপর ভেবে দেখলাম যদি গানবাজনা আর ফ্লিম মেকিং দুটো একসাথে এনে একটা প্রেসেন্টেশন করা যায়। আমরা discuss করি তারপর আমরা আমাদের প্রথম YouTube videoshoot করে ফেলি। সেই সময় থেকেই শুরু।



৩.) পুরনো গান গুলো নতুন করে গাইছে "তালপাতার সেপাই"। আর পুরো ব্যাপারটা নস্টালজিয়ায় ভরে উঠছে । এই ব্যাপারটা তোমার কেমন লাগে প্রীতম দা?

প্রীতমঃ- ভালোই লাগে, অনেক পুরোনো দিনের গান শুনে বড়ো হয়ে ওঠা, কিছু পছন্দের গান এমন রয়েছে যেটা হয়তো এখন খুব বেশি শোনা যায় না, যেমন "অখিল বন্ধু ঘোষ-ও-দয়াল বিচার করো". এই গানটা এখন আবার আজকের জেনারেশন শুনছেও, আমাদেরটাও এবং অরিজিনাল টাও। সেটাও একটা প্রাপ্তি, পুরোনোকে বাঁচিয়ে না রাখলে তো চলবে না।


৪.) তোমাদের গানের মধ্যে পুরনো দিনের ছাপ রয়েছে, ইভেন নিজেদের গানের মধ্যেও। এটা নিয়ে কি বলতে চাও সুমন দা?

সুমনঃ- পুরনো দিনের গান আমাদের দুজনেরই ভালো লাগে শুনতে তাই সেটা একটা বড়ো কারণ।


৫.) তোমরা যখন নিজেদের গান গাও তার কথা লেখেন কৃতী রায়.তাকে কি সুর আগে থেকে বলে দিতে হয় নাকি আগে গানের কথা আসে আর পরে তুমি সুর করো প্রীতম দা?

প্রীতমঃ-কিছু গান আগে থেকে সুর  করি, সিনারিও ভাবি, হয়তো  ওকে কল্পনাটা একটু বোঝানোর চেষ্টা করি, কিছু লিরিক্স কৃতী আগে লেখে পরে সুর করা হয়, দুরকম অ্যাপ্রোচেই ট্রাই করা হয়  আসলে দুটো process। 

৬.) শ্যামল মিত্র, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এঁরা না থাকলে আজ কাদের গান গাইত "তালপাতার সেপাই"?

প্রীতমঃ- তালপাতার সেপাই-এর নিজেদের গান রয়েছে, তারসাথে আরও অনেক ভালো গুনি শিল্পী রয়েছেন, 'গৌতম চট্টোপাধ্যায় '( মহিনের ঘোড়াগুলি), 'অখিল বন্ধু ঘোষ', 'সচিন দেব বর্মন'। 

৭.) এখনকার দিনে rock, raaf এই সমস্ত গান হচ্ছে আর তোমরা এসব ছেড়ে পুরনো সুর  বাছলে কেনো?

সুমনঃ- কিছু পুরনো গান আছে যেগুলো এখনকার মানুষ প্রায়ই ভুলে গেছে কিন্তু সেই গান গুলো দেখা যায় খুবই সুন্দর। তাই সেই গান গুলো আমাদের জেনারেশনের কাছে আবার করে তুলে ধরার চেষ্টা আর কি।


৮.) প্রথম থেকে আজকের জার্নীর হিসেবটা অনেক বড়ো আমি জানি। সাফল্যটা কিরকম লাগে? 

সুমনঃ- আমি মনে করি জার্নী সবে শুরু হলো, তবে হ্যাঁ যতটুকু এগোতে পেরেছি সেটা ভেবে ভবিষ্যতের জন্য আরও ভালো কাজ করার inspiration পাচ্ছি।

প্রীতমঃ-এখনও সফল ঠিক বলব না, তবে হ্যাঁ ভালোর দিকে এগোনোর চেষ্টা করছি,চাইছি সকলের কাছে আমাদের গান পৌঁছাক, মানুষ ভালোবাসুক আমাদের গান, যদি ভালো লাগে তবেই আমাদের সফলতা, আরও অনেক গান রয়েছে সেগুলো রিলিজের কথা ভাবছি, মৌলিক গান বিশেষ করে।


৯.) নতুনদের জন্য কী বলতে চাও প্রীতম দা?

প্রীতমঃ- আমি নিজেও নতুনই হা হা, টুকটাক এটা-ওটা ট্রাই করছি, আমার যেটা মনে হয় বাংলা মিউজিকের আরও ভালো মৌলিক গান তৈরী করা দরকার, নতুন নতুন চিন্তা আনা দরকার, ক্রিয়েটিভ হওয়া দরকার,নিজেদের মতো করে। নিজস্বতা থাকাটা খুব দরকার। 


১০.) you tube nextup winner এর আনন্দটা জলফড়িং-এর বন্ধুদের সাথে যদি শেয়ার করো তোমরা ?

প্রীতমঃ- ভীষণ unexpected ছিল, প্রথমে বিশ্বাসই হচ্ছিল না,  ভেবেছিলাম হয়তো কম্পিটিশনটাতে সিলেক্ট হয়েছি, কিন্তু পরে জানলাম না আমরা জিতেছি।

সুমনঃ-আমি প্রথমে বিশ্বাস করিনি ব্যাপারটা তারপর  যখন জানতে পারলাম যে হ্যাঁ আমরা সত্যি 'NEXTUP' Winner তখন খুব খুশি হয়েছিলাম আর প্রচন্ড এক্সাইটেডও হয়েছিলাম।


১১.) পোস্টার থেকে ভিডিও সবটাই এটাইও ইউনিক। বারবার কী করে এমন করে "তালপাতার সেপাই"।

সুমনঃ- আমার বিশ্বাস মানুষ যখন তার কমপ্লিট ফোকাসটা নিজের ক্রিয়েটিভিটির ওপর দেয় তখন নতুন  ইউনিক কিছু একটা সৃষ্টি হয়ই। আমরা যখন কোনো গান অ্যারেঞ্জ করি অথবা প্ল্যানিং , ভিডিওশট এর প্ল্যানিং করি তখন আমাদের ক্রিয়েটিভিটির ওপর ফোকাস করি যেটা আমাদের হেল্প করে নতুন কিছু একটা তৈরী করতে।


প্রীতমঃ-আসলে নতুন কিছু  করার ইচ্ছেটা আমার অনেকদিনেরই। নিজের মতো করে সবকিছু  ভাবতে চেষ্টা করি, সেখান থেকেই আসে,  নতুনত্ব খোঁজার চেষ্টা করি। আর নানা জিনিস থেকে inspired আমি, সেগুলোর একটা ছাপ মিলেমিশে হয়তো নতুন কিছু তৈরী হয়।


★(এবার এই রাউন্ডের নাম শর্টকাট)★

প্রীতম দা সব উত্তর দেবে এগুলোর

১.) অনুপম রায় নাকি শ্রীকান্ত আচার্য? 
উত্তরঃ- অনুপম রায়

২.) মিরচি সোমক নাকি প্রীতম দাস?
উত্তরঃ- মিরচি সোমক

৩.) কবির সুমন নাকি শ্যামল মিত্র?
উত্তরঃ- শ্যামল মিত্র


★(এবারের রাউন্ডের নাম 
(যেকোনো একটা)★
সব উত্তর সুমন দা দেবে

১.) ukulele নাকি guitar?
উত্তরঃ- Guitar

২.)Sunday suspens নাকি মিরচী মীর একক?
উত্তরঃ-Sunday Suspens

৩.) bong untold নাকি তালপাতার সেপাই?
উত্তরঃ- তালপাতার সেপাই

    ★এই রাউন্ডটি হলো হাসতে হাসতে জাস্টিফাই★ 

প্রীতম দা তোমাকে দুটো  শব্দ দিলাম
১.) কিপটে ২.) কিউট

এবার একজনের নাম বলব তোমাকে এই দুটি শব্দের মধ্যে একটি শব্দ তার সাথে যুক্ত করতে হবে?

প্রশ্নঃ- সুমন ঘোষ ( তালপাতার সেপাই)। কিউট না কিপটে?
উত্তরঃ- কিপটে 😀


এবার তোমার পালা সুমন দা? 

তোমায় শব্দ দিলাম ১.)জটিল, ২.)ঝগড়ুটে

প্রশ্নঃ- kritee Roy (তালপাতার সেপাই)। জটিল না ঝগড়ুটে?
উত্তরঃ- জটিল


  



 | পছন্দ কী ওদের |

১.) প্রিয় রঙ?

প্রীতমঃ-light blue,mustard yellow,olive green
সুমনঃ-red

২.) প্রিয় পোশাক?

প্রীতমঃ-শার্ট, জিন্স
সুমনঃ-টি-শার্ট, জিন্স

৩.) প্রিয় গানঃ- 

প্রীতমঃ- অনেক লম্বা লিস্ট , চেঞ্জও হয়ে থাকে, annie's song-john denver 
সুমনঃ-every breath you take by police , closer by travis

৪.) আয় থিঙ্ক গান তোমার অবসর নয়  প্রীতম দা। তাহলে অবসরে কি করো?

প্রীতমঃ- ফিল্ম, ওয়েব সিরিজ, anime দেখি,টুকটাক পড়ি।

৫.) সুমন দা তোমার রাত প্রিয় নাকি বিকেল ? 

সুমনঃ- বিকেল (কারণ ছোটোবেলায় প্রচুর খেলতাম বিকেলে, এখন আর খেলা হয় না তবে বিকেলটা এখনও ভালো লাগে।



সব শেষে জানতে চাইব কেমন লাগলো তোমাদের আজকের এই আড্ডা আর জলফড়িং কে কি বলতে চাও তোমরা?

প্রীতমঃ- ভালোই লাগলো, প্রশ্নগুলো অন্যরকম, উদ্যোগটা ভালো, আশা করি সামনের দিনে আরও অনেকের কাছে পৌঁছে যাবে। অল দ্য বেস্ট।


সুমনঃ- বেশ ভালো লাগলো। বেশ interesting questions ছিলো যেগুলোর উত্তর দিতে বেশ মজাই লাগলো।

মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯

X-ক্লুসিভ চাঁদের মানুষ

জলফড়িং এর পক্ষ থেকে তোমাকে প্রথমেই জানাই নমস্কার।




| আর সব কবিতাকে গান হতে হবে এমন কোন দাবীও কেউ করে না |



১.) কিংশুক চট্টোপাধ্যায় কবি এবং সেই সঙ্গে তিনি গান লেখেন। তবে তিনি নিজেকে কিভাবে পছন্দ করেন  কবি নাকি লিরিসিস্ট?

উঃ- যতটুকু কথা বলি, কবিতায় বলি। এই অনিবার্য ও নিরুপায় কথা বলে চলার যে অবস্থা, এর মধ্যেই কখনও কোন কথার গায়ে ও পায়ে কেউ কেউ গয়না ও নুপুর পড়ায়। তারা গান হয়ে ওঠে। আমি শুধুমাত্র কথাটুকুই বলি অথবা কথারা আমার মধ্যে থেকে বলে ওঠে নিজেরাই নিজেদের। মনে হয় উত্তরটা তোমরা পেয়ে গেছ।


২.) তোমার প্রথম লেখা, কবিতা নাকি গান?

উঃ- দেখ, গান কিভাবে লিখতে হয় আমি এখনো জানি না। আমার প্রথম কবিতার বই শিলাজিৎ দা-কে পড়তে দিয়েছিলাম। দাদা-ই প্রথম আমাকে বলে, “তুই গান লেখ, আমি গাইব”। সেই যে গানের ভুত ঘাড়ে চাপলো এখনো নামে নি। আমার যে কথা বলতে ইচ্ছে হয় সে কথাটুকুই লিখি। সেইসব কথাদের কারো কারো ডাকনাম হয়তোবা গান।


৩.) ছোটোবেলা কাটলো,বড়ো হলে তখনও পরিচিতি হয়নি মানে আজকের পরিচিতি তোমার হয়নি । ঠিক কোন সময়টা থেকে কিংশুক চট্টোপাধ্যায় আজকের 'কিংশুক চট্টোপাধ্যায়' হয়ে উঠলো?

উঃ- হওয়া বলতে কিছুই হয় না। আমরা সকলেই হতে হতে যাই। এটা একটা প্রস্তুতি ও চর্চার চলমান যাপন প্রক্রিয়া। এক নির্জন শূন্যতার এবং নিঃস্বতার চর্চা করে চলা। এই একাত্বতাই, সমর্পণ।



৪.) অনেকে বলেন যে কবিতা আর গান এক নয় তাই গানের জন্য আলাদা ভাবেই লেখাটা নিয়ে ভাবতে হয়। এই বিষয়ে তোমার মতামত জানতে চাই।

উঃ- কবিতা ও গান এই দুইয়ের প্রস্তুতি ও প্রকাশ ভিন্ন হলেও, আসলে তা কথা বলারই ভঙ্গিমা। বলাটাই মূখ্য, কি ভঙ্গিমায় বললাম সেটার থেকেও। বলে ফেলার পর হয়ত কিছু কথা গান হয়ে ওঠে, তবে দুইয়ের মধ্যে কোন বিরোধ তো নেই। আর সব কবিতাকে গান হতে হবে এমন কোন দাবীও কেউ করে না। গান বা কবিতা দুটিই কবি ও গীতিকারের নিজস্ব নির্জনতা ও দর্শনে সুন্দর।



৫.) কলেজের সবচেয়ে প্রিয় ঘটনা?

উঃ- বিশেষ কোন ঘটনা কলেজ জীবনে আমার নেই। সাকুল্যে গোটা কুড়ি দিন কলেজে গিয়েছি। ওই সময় কালটায় আড্ডা, ছবি আঁকা, কবিতা লেখা ও প্রেম করেই কেটেছে। পরবর্তীতে মনে আছে অধ্যক্ষের কাছে মুছলেখা দিয়ে পরীক্ষায় বস্তে হয়েছিল।





| এটুকু বুঝি কথাটুকু লিখতে না পারলে হয়তো মরেই যাব |








৬.) "ও চাঁদ" নাকি "ও বাউল" কাকে বেশি ভালোবাসো?

উঃ- আলাদা করে আমার পক্ষে বলা মুশকিল। তবে জনপ্রিয়তার নিরিখে “ও চাঁদ” গানটি “ও বাউল” গানটির থেকে বেশী গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে আমার মনে হয়। এটুকু বলতে পারি “ও চাঁদ” গানটির যে লিরিকাল ধাঁচা, মানে যে একটা গল্পের মত চলন ওই রকমভাবে কথা বলতে আমার বেশ লাগে।


৭.) তোমার প্রথম লেখা কবিতার বই?

উঃ- “নাম আমার কৃষ্ণচূড়া”- শ্রদ্ধেয় দেবকুমার বসুর “বিশ্ব জ্ঞান প্রকাশনা” থেকে প্রকাশিত। সম্ভবত 2000 সালে  বা তার আগের বছর।


৮.) তোমার লেখা গান গুলোর মধ্যে একটা আলাদা ব্যাপার আছে বিশেষত সুরের ক্ষেত্রে আর তার সাথে এখনকার গানে( বাংলা রক) যেভাবে সুর বাঁধার কাজ চলছে তাতে করে তোমার কি মনে হয় কিংশুক চট্টোপাধ্যায়ের গান এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে সুরের দিক থেকে পিছিয়ে আছে ?

উঃ- সেটা আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়। সুরকাররা হয়তোবা বলতে পারবেন। এটুকুই বলতে পারি আমার একটি ভ্রাম্যমান দোকান আছে। “জয়গুরু ভান্ডার”. সেখানে ফোক-রক ঝাল-টক সব-ই পাওয়া যায়। যে যেমন চায়, লাগলে বলে, পেয়ে যায়। এই আর কি!



৯.) গান লেখাটা কঠিন নাকি তার সুর করাটা?

উঃ- যার যেটা কাজ তার কাছে সেটাই সহজ।



১০.) এই রাউন্ডের নাম

[ ইচ্ছে না হলেও উত্তর চাই]

ক.) গান ও কবিতা লেখার মধ্যে একটাকে ছেড়ে দিতে হলে কী ছাড়বে?
উঃ- ধরা বা ছাড়া কোনোটাই আমার হাতে নেই। এটুকু বুঝি কথাটুকু লিখতে না পারলে হয়তো মরেই যাব।


খ.) ট্রাম নাকি ট্রেন কোনটা প্রিয়?
উঃ- মেজাজ মাফিক



গ.) হলুদ ট্যাক্সি প্রিয় নাকি এক কাপ( মাটির ভাঁড়) চা?
উঃ- কোনটাই না




ঘ.) বিষন্ন দুপুরে যে দুপুরে তোমার মন খারাপ অথচ তোমাকে শিলাজিৎ দার গান শুনতে বলা হলো। কোন গানটা শুনবে?
উঃ- ফিসফিস


১১.) এই রাউন্ডের নাম

[ একজনকেই বাছতে হবে নতুবা খেলব না ]

ক.) জয় গোস্বামি নাকি শক্তি চট্টোপাধ্যায়?
উঃ-দু’জনেই প্রিয়, একজনকে বাছা সম্ভব নয়।



খ.) শ্রীকান্ত আচার্য নাকি মনোময় ভট্টাচার্য?
উঃ- এভাবে বলা যায় নাকি?


গ.) শ্রীজাত নাকি অনুপম রায়?
উঃ- দুজনেই প্রিয়



ঘ.) রূপঙ্কর বাগচী নাকি শিলাজিৎ মজুমদার?
উঃ- এতক্ষন যতটুকু কথা-বার্তা বললাম তোমাদের সঙ্গে তার মধ্যেই এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আছে, বুঝে নাও।



১২.) এই রাউন্ডের নাম

[কোনো কথা শুনব না তোমাকে চুরি করতেই হবে বস]

ক.) শিলাজিৎ দার কাছ থেকে কী চুরি করবে?
উঃ- এনার্জি


খ.) দেবদীপ দার থেকে কী চুরি করবে?
উঃ- বিনয়




গ.) নচিকেতা দার কাছ থেকে কি চুরি করবে?
উঃ- মিশি নি, তাই বলতে পারব না।



[পছন্দে কিংশুক]








১.) প্রিয় গান?
উঃ- গান মাত্রই প্রিয়

২.) প্রিয় শহর?
উঃ- আমার শহর

৩.) প্রিয় রঙ?
উঃ- নীল

৪.) প্রিয় মানুষ?
উঃ-মানুষ মাত্রই প্রিয়

৫.) প্রিয় কবি?
উঃ-কবি মাত্রই প্রিয়

৬.) প্রিয় নব অভিনেতা?
উঃ-অনেকের কাজ-ই ভাল লাগে, কোন একজনের নাম বলা সম্ভব নয়।

৭.) ভোতকা নাকি IB?
উঃ-মেজাজ মাফিক

৮.) আপনি কিংশুক চট্টোপাধ্যায়কে চেনেন যিনি গান লেখেন? যদি চেনেন তাহলে বলুন তাঁর লেখা কোন গানটা আপনার প্রিয়। ( তোমাকে একজন পাঠক হিসেবে এই প্রশ্ন করা হলো আর তার উত্তর আমরা শুনতে চাই এখানে তুমি লিরিকিস্ট বা কবি নও, এখানে তুমি শুধু কিংশুক চট্টোপাধ্যায় )

উঃ- না, চিনি না, নামটা কোথাও শুনেছি বলে মনে হচ্ছে। ওনার কোন গান বললে হয়তো বুঝতে পারব।






সোমবার, ১০ জুন, ২০১৯

সাক্ষাৎকার এক্সক্লুসিভ কন্ঠের রাজা






দাদা, জলফড়িং-এর পক্ষ থেকে তোমাকে প্রথমেই জানাই নমস্কার এবং ভালোবাসা।

শিল্পী রাজা দাসঃ- নমস্কার

১.) শুধু রাজা দাস থেকে শিল্পী রাজা দাস এই যে একটা শব্দ 'শিল্পী' বসল নামের আগে, তোমার কাছে এই ব্যাপারটার উপলব্ধি কেমন?


উঃ- এই তো প্রথম উপলব্ধি হল! আমি তো জানতামই না যে আমি শিল্পী। ধন্যবাদ তোমাদের!




২.)  আবৃত্তি কি ছোটো থেকেই করতে নাকি শুরুটা অন্যরকম ছিল?


উঃ- ফার্স্ট্ ইয়ার পড়ার সময় নাটকের প্রয়োজনে আমায় আবৃত্তি শেখানো হয়েছিল। কবিতার
   নাম “ছাড়পত্র”। তার আগে পাঠ্যপুস্তক ছাড়া কবিতা বলিনি কখনও।




৩.) আবৃত্তি কি শেখা যায়? তোমার মতামত জানতে চাই।


উঃ- না, তবে টেকনিক শেখা যায়। তারপর নিজের বোধ আর অভিজ্ঞতা মিশিয়ে মাইক্রোফোনটাকে চিনে অনুশীলন করতে হয়৷




৪.) প্রফেশনালি আবৃত্তি শিল্পী হবে এরকমটা কি আগে থেকেই ভেবেছিলে নাকি এই যাত্রার পিছনে কোনো গল্প আছে, সেটা যদি একটু বলো।


উঃ- না, ভাবিনি আগে। যখন অনেকেই প্রফেশনালি আমাকে যোগাযোগ করে কাজের জন্য, তখন
   ভাবতে শুরু করি যে আমার কাজ অনেকের ভালো লাগে



৫.) শিল্পী রাজা দাস কি মনে করেন, যে সব কবিতা আবৃত্তি হয় না?


উঃ- তার চেয়েও বড়ো কথা, সব কবিতা সবার আবৃত্তি করা উচিত নয় –এমনকি আমারও।






আমার প্রিয় কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়। তাঁর লেখা বলতে না পারলে কষ্ট তো হতই!

            





৬.) চোখ বেঁধে দেওয়া হলো তোমার,বলা হলো টেবিল থেকে  দুটো চিরকূটের মধ্যে একটা তুলে নিতে। তুমি তুললে একটা, যেখানে  লেখা আছে "শ্রীজাত"র কবিতা আবৃত্তি করো, পাশেই দেখলে পরের চিরকূটে লেখা ছিল "জয় গোস্বামী"র কবিতা আবৃত্তি করো, এখন তুমি কিন্তু সেটা তুলতে পারো নি। এবার বলো কোথাও কি তোমার মনে হচ্ছে ইস্ ওই চিরকূট টা যদি উঠত?


উঃ- এ তো প্রেমিকা বাছাই পর্বের মত হয়ে গেল৷ বাছাই পর্ব শেষ হলে মনে হবে আরে ওই
   মেয়েটিই বোধহয় বেশি ভালো ছিল, হা হা!


   প্রশ্নের উত্তরে বলি দুজনের কবিতাই খুব ভালো লাগে বলতে৷ আক্ষেপ থাকবে কেন? আমি
   জীবনে আক্ষেপ খুব কম করি৷


★ এবার তোমাকে এক কথায় উত্তর দিতে হবে।


প্রশ্নের নামঃ- [" তোমার ছোটোবেলা এবেলায় ভেবে দেখ ফের একবার কোনটা চাইতে "]

ক.) যখন তুমি ছোট্ট "রাজা" কোনটা চাইছ
সুকুমার রায়ে'র "ভয় পেওনা" নাকি "সৎপাত্র"


উঃ- ছোটোবেলায় কবিতা বলতাম না।




খ.) একটু বড়ো হলে 'রবিঠাকুরের' "প্রশ্ন" নাকি  "দুই বিঘা জমি"?


উঃ- একটু বড়ো মানে কতো! এইসব কবিতা শুধু পাঠ্য পুস্তকে পড়েছি৷




গ.) এবার বেশ বড়ো তখন 'সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের' "জিড়ো আওয়ার" নাকি "কেউ কথা রাখেনি"?


উঃ- ফার্স্ট্ ইয়ারের পরে প্রথম কবিতা যেটা বলতাম, সেটা “কেউ কথা রাখেনি”।




৭.) আবৃত্তি করতে  আবহসংগীতের প্রয়োজন কতখানি?


উঃ- আমি পছন্দ করি আবহ কবিতায় –এমনকি যখন একা থাকি কিংবা কোনো সুন্দর আড্ডায়,
আবহ আমার সর্বসময়ের সঙ্গী –ইনস্ট্রুমেন্টাল মিউজিক। তেমনি কবিতা বলার সময় আবহ
   থাকলে বলতে ভালো লাগে।




৮.) একটা লেখা আবৃত্তি করার পূর্বে তুমি সেটাকে আপন করে নাও এটা আমরা জানি। তারপর তোমার আর কতখানি প্রিপারেশনের প্রয়োজন হয় সেটাকে মঞ্চস্থ করার জন্য?


উঃ- আপনমনে আনন্দে রান্না করে খেয়ে নিলাম আর বন্ধু এল, তাকে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করলাম –ওটুকুই করি কবিতার বেলায়।



৯.) অনেকেরই লেখায় তো আবৃত্তি করো তুমি, তবে তার মধ্যে এমন একজন প্রিয় লেখক কি আছে তোমার মনে, যার লেখা না আবৃত্তি করতে পারলে তোমার কষ্ট হতো?


উঃ- আমার প্রিয় কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়। তাঁর লেখা বলতে না পারলে কষ্ট তো হতই!




১০.) এফ.এমের কাজ ঠিক কোন সময়টা থেকে শুরু করেছিলে এবং সেই সুযোগ কিভাবে পেয়েছিলে?


উঃ- ২০০৭-এ শুরু। একটি বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল, অ্যাপ্লাই করেছিলাম। ঘটনাচক্রে একজন ছেলেকেই নেওয়া হয়েছিল, সেটা আমি।





১২.) বেশ কিছুদিন তোমাকে আটকে রাখলাম, তোমাকে আবৃত্তি করতে দেওয়া হবে না।
সেই সমস্ত দিন তুমি কিভাবে কাটাবে?


উঃ- বাহ্! সেইদিনটা কবে থেকে শুরু হবে? ততদিন নাহয় আমি স্পনসর খুঁজি।





১৩.) অনেকে বলে গলায় সুর না থাকলে গান হবে না, আবৃত্তির জন্যও কি এরকম কোনো ব্যাপার আছে?


উঃ- আমার মনে হয়, গান হোক বা কবিতা, বোধ না থাকলে কোনোটাই হবে না।




১৪.) অনামী কোনো কবির আবৃত্তি করেছ, ধরো সেই কবি কোনো পুরস্কার পাননি বা স্বীকৃতি পাননি তাও তুমি তাঁর কবিতা আবৃত্তি করলে। নাম বলতে পারবে?


উঃ- বিশিষ্ট কবিরাও ঠিক কী কী পুরস্কার পেয়েছেন আমার জানা নেই। একটু জানিও। আমি শুধু এটুকু জানি এখনও অবধি আমি হাজার তিনেক নতুন কবির কবিতা আবৃত্তি করেছি।




১৫.) এই শিল্পী জীবনটা বেছে নিতে তোমার কোনো প্রতিকূলতা এসেছে বাড়ি থেকে?


উঃ- শিল্পী জীবন এখনও ঠিক তৈরী হয়নি, যেদিন হবে, আমি বলতে পারবো৷




১৬.) এখন অনেক শিল্পী আবৃত্তি করেন আবার তুমি অনেকের প্রিয় শিল্পী। তোমাকে যদি বলা হয় এতো শিল্পীর মাঝে কেন তুমি প্রিয়। তুমি কি উত্তর দেবে?


উঃ- মনে হয়, যেহেতু আমি বিশেষ কিছু জানি না, তবু আমি প্রিয় অনেকের কাছে –এই ব্যাপারটাই বোধহয় আমাকে প্রিয় করে তুলেছে অনেকের কাছে। আবার একই জিনিস অপ্রিয়ও করে৷ শুনছি অনেক -ও আর কি বা জানে!



১৭.) তোমার আবৃত্তি জীবনের সেরা কোনো স্মৃতি যা তুমি আজীবন মনে রাখতে চাও।


উঃ- রবীন্দ্র সদনে প্রথম একক -৪ঠা আগস্ট্, ২০০৯।





★[পছন্দ তোমার]★



১.) প্রিয় রঙঃ- কালো

২.) প্রিয় ঋতুঃ- শীত

৩.) প্রিয় আবৃত্তি শিল্পীঃ- একজন নয়, অনেকেই।

৪.) শিল্পী রাজা দাস যে রাজার কবিতা স্টুডিওর প্রধান । তোমার চোখে সে কিরকম ?


উঃ- প্রধান হিসেবে যার এখনও অনেক কিছু শেখা বাকী।


৫.) আবৃত্তি জীবনে তোমার কোনো আক্ষেপ?

উঃ- এখনও আমি যা চাই, সেইরকমভাবে প্রকাশ করতে পারিনি কবিতাকে।


৬.) এমন কোনো ইচ্ছে যেটার জন্য তুমি অপেক্ষা করছ?


উঃ- হ্যাঁ, কিছু ডাক পেতে তো ভালোই লাগবে৷

৭.) তোমার চোখে তোমার মা?

উঃ- আমার জেদ আর শক্তির উৎস৷

৮.) এখন এই বয়সে একটা সন্ধ্যে তারার নীচে গ্রীষ্মের ছাদে বসে আছো। তোমার "রবিঠাকুরের" আবৃত্তি মনে পরছে বারবার মনে পরছে,তুমি যেন শুনতে পাচ্ছো "হারিয়ে গেছি আমি" নাকি মনে পরছে "জয় গোস্বামীর" লেখা "হৃদী ভেসে গেল অলকানন্দা জলে"!

উঃ- সত্যি বলবো? আমি আমার কোনো অবসরেই কবিতার সঙ্গে কাটাই না, ওকে আমি দূরেই রাখি৷

৯.) তোমার চোখে উর্মিমালা বসু?


উঃ- চিরকালীন “বিভা”৷


১০.) এই পৃথিবীটাকে কীরকম দেখতে চাও?


উঃ- “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির”৷



    ------------ধন্যবাদ-------------

★সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জলফড়িং ওয়েব ম্যাগাজিনের ইন্টারভিউ সেকশন এডিটর সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)।

শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৯

এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার





জলফড়িং ওয়েব ম্যগাজিন থেকে প্রথমেই আপনাকে জানাই নমস্কার।

অতনু বর্মনঃ- নমস্কার 🙏

১.) কবি,কৌতুক অভিনেতা,নাটুকে ছড়াকার নাকি অভিনেতা এগুলোর মধ্যে কোন বিশেষণ শুনতে ভালো লাগে নামের আগে?

উঃ- নামের আগে কিছুই শুনতে ভালো লাগেনা। আমি আগে আমি, অতনু বর্মন। পরে যার যা ইচ্ছে হয় বসাতে পারেন। শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করবো।

২.) ঠিক কত বছর বয়স থেকে লেখালেখির শুরু?

উঃ- আমার প্রথম ছড়ার বই "অঙ্কুর" ছাপা হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। তখন আমি নয় বছরের। লেখালেখি তারও আগে শুরু।

৩.) মঞ্চ, থিয়েটার এসব কি ছোটো থেকেই? ইন্সপিরেশন কে?

উঃ- থিয়েটার একদম ছোটো থেকেই এবং সেক্ষেত্রে আমার মামা " প্রদ্যোৎ কুমার রায়চৌধুরী" উনি নাটক লিখতেন এবং অভিনয় করতেন তো সেক্ষেত্রে মামার একটা প্রভাব ছিল। আমার মা "পারুল বর্মন" তিনিও অভিনয় করতেন।

৪.) কৌতুক লেখা কঠিন নাকি কবিতা?

উঃ-কবিতা লেখা সব থেকে সহজ এই কারণেই যে কবিতা লেখা যায় না, সেটা হয় আর যখন হয় যখন আসে তখন সেটাকে খাতার মধ্যে লিখে ফেলাটা এমন কিছু কঠিন নয়। আর কৌতুকের ক্ষেত্রে মাথা  ঘামাতে হয়, খাটতে হয়, পরিশ্রম করতে হয়,ভাবতে হয় পাঞ্চ লাইন গুলো নিয়ে কেনোনা হাসি তো বড়ো কঠিন বস্তু সহজে কেউ হাসতে চান না তো হাসানো কঠিন, হাসির লেখা লেখাও কঠিন আর কবিতা হয় না কবিতা কেউ লিখতে পারে না।




 ৪০ মিনিটের যেমন ক্লাস নিই ঠিক সেইভাবে কৌতুকের অনুষ্ঠান করে দিয়ে আসি আর তার জন্য  কোনো  প্রিপায়ারেশন প্রয়োজন হয় না







৫.) মিরাক্কেল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেই কি আপনার বড়ো পর্দায় সুযোগ?

উঃ- না ঠিক মিরাক্কেল হবার পরেই নয় মিরাক্কেলের পরে একটা বেসরকারি চ্যানেলে "রাজ চক্রবর্তীর" পরিচালনায় " I LAUGH  YOU " বলে একটা নন-ফিকশন হতো, সেটাতে দুজন- দুজন করে একটা গ্রুপ থাকত এবং ১০ মিনিটের একটা করে স্ক্রীট করতে হতো যাতে অভিনয়ের  সুযোগ ছিল তো সেই প্রতিযোগিতাটিতে অন্যতম বিচারক চিলেন চিত্র পরিচালক "কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় এবং তাঁরই মনে হয়েছিল যে তাঁর পরবর্তী ছবিতে একটা চরিত্র আমার সঙ্গে যাবে। এবং তখন উনি আমাকে সেই সুযোগটা দিয়েছিলেন, ছবিটির নাম ছিল "জ্যাকপট", সেটাই আমার প্রথম ছবি, ২০০৯ সাল।


৬.) প্রায় প্রতিদিনই আপনার অনুষ্ঠান থাকে কোনোনা কোনো মঞ্চে। একটা অনুষ্ঠানের আগে অতনু বর্মন মেন্টালি প্রিপেয়ার হতে কতক্ষণ সময় নেয়?

উঃ- প্রায় প্রতিদিনই অনুষ্ঠান থাকে ঠিকই কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই একই অনুষ্ঠান থাকে না।  যে অনুষ্ঠান গুলো থাকে আমার কৌতুকের অনুষ্ঠান সেই গুলোর জন্য কোনো প্রিপায়ারেশন লাগে না কারন আমি যেমন স্কুলে পড়াই বছরের পর বছর একই জিনিস পড়াই আমার অভ্যেস হয়ে গেছে, ৪০ মিনিটের যেমন ক্লাস নিই ঠিক সেইভাবে কৌতুকের অনুষ্ঠান করে দিয়ে আসি আর তার জন্য  কোনো  প্রিপায়ারেশন প্রয়োজন হয় না সেই মুহূর্তে দর্শকের সঙ্গে যে একটা আত্মার সম্পর্ক তৈরী হয় তারা উপভোগ করলে আমার ভালো লাগে বা আমি নিজে আমার পারফরম্যান্স আমার ভালো লাগলে তবেই তাদের ভালো লাগবে এটা আমি বুঝি আর আমার অন্য যে অনুষ্ঠান গুলো থাকে যেমন থিয়েটার অভিনয় সেক্ষেত্রে তো  প্রিপায়ারেশন প্রয়োজন আছেই, চরিত্রটাকে নিয়ে ভাবতে হয় এটা সকলেই জানেন সে গুলো হয়। আর অন্যান্য অনুষ্ঠান বলতে আর যেটা হয় আমি এবং  শ্রীমতী কাকলি দাস মিলে যে গান ও ছড়ার অনুষ্ঠান গুলো করি সেগুলোতেই যথেষ্ট  প্রিপায়ারেশন প্রয়োজন হয়েছে, বিষয় নিয়ে ভাবতে হয়, দর্শকের কথা চিন্তা করতে হয় যে ঠিক কোন ধরনের গান বা কোন ধরনের ছড়া এখানে এই দর্শকদের দিলে তারা নিতে পারবে।


৭.) কৌতুক অভিনেতা আর শুধু অতনু বর্মনের মধ্যে কে বেশি বুদ্ধিমান?

উঃ- আমি তো মনে করি বেসিক্যালি দুজনেই বোকা মানে বুদ্ধিমান বলতে যা বোঝায় সেটা তো হচ্ছে বুদ্ধিমানেরা কৌতুক করে না বুদ্ধিমানেরা কৌতুক করায় এবং সেই হিসেবে আমি মনে করি মূর্খ্যতম, কিছুই জানি না, জ্ঞানবুদ্ধি কিছুই নেই প্রতি মুহূর্তে শিখছি,শিখতে শিখতে চলেছি।


৮.) আপনার প্রথম পাওয়া পুরস্কার যেটা আপনি কোনোদিন ভুলবেন না?

উঃ-  প্রথম পাওয়া পুরস্কার বলতে আমরা মামা যেদিন আমার ছোটোবেলার মনের খেয়ালে লেখা ছড়া গুলোকে একত্রিত করে একটা বই তৈরী করে উনি আমার হাতে তুলে দিয়েছিলেন সেটাই আমার কাছে আমার জীবনের এখনও পর্যন্ত শ্রেষ্ঠতম পুরস্কার। বইটির নাম ছিল "অঙ্কুর", ১৯৭৫ সাল, তখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি, ৯ বছর বয়স।



৯.) দীর্ঘ কয়েক বছর আর দেখা গেল না বড়ো পর্দায়। এই এতোটা সময় বড়ো পর্দায় আপনাকে আমরা পেলাম না। কারণটা কি?

উঃ- দীর্ঘ কয়েক বছর বড় পর্দায় দেখা গেলো না মানে? দীর্ঘ কয়েক বছর বড় পর্দাতেই দেখা গেছে। আপনারা যদি বলেন ছোটো পর্দায় দেখা গেলো না তবে সেটা একটা উত্তর হতে পারে । বড় পর্দা বলতে সিনেমা, এখনো পর্যন্ত এক ডজনের মত ছবি করা হয়েছে। সুতরাং বড়ো পর্দাতে আছি। প্রায় প্রতি বছর  একটা বা দুটো করে ছবিতে ছোটোখাটো চরিত্রে কাজ করছি ।


১০.)ছোটোবেলার ১লা বৈশাখের কোনো স্পেশাল  ঘটনা?

উঃ-আমদের কালের ছোটোবেলাটা আমার বয়সি সকলেরই  প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটে বা ঘটত, যেটা এখন পাল্টে গেছে। পয়লা বৈশাখ বলতেই যে ব্যাপারটা ছিল সে সময়ে একটা হালখাতার যে ব্যপার গুলো  ছিলো  সেসময় একটা আন্তরিকতার ব্যপার ছিল ওই ক্যলেন্ডার, মিষ্টি কোনো  কোনো জায়গায় সরবৎ ইত্যাদি দেওয়া হতো এই যে ব্যাপারটা ছিল এবং সেখানে ওই বিকেলবেলায় বাড়ির বড়দের কারোর সঙ্গে বেরতাম, দোকানে দোকানে ঘুরে ওই সমস্ত গুলো সংগ্রহ করে ফিরতাম আর নতুন জামা একটা হতো তো সেই সব মিলে এটা যে বিশেষত আমার ছেলেবেলার  ১লা বৈশাখ বলে কিছু নয় আমার বয়সি সকলেরই ছেলেবেলার ১লা বৈশাখ। তো সেটা একটা আনন্দ হতোই, সেটা যে কি ১ লা মানে যে আলাদা কিছু ? এটা পরবর্তী কালে মনে হয়েছে যে সেটা আলাদা কিছু নয় একটা দিনকে উদযাপন করা একটা বছরের শুরু, তো তখন তো অত বুঝতাম না তখন ভালো লাগত।




খনা দা ভালো থাকবেন কিনা সেটা নির্ভর করছে তাদের ওপরে যারা খনা দা কে ভালো রাখতে চান





১১.) একটা নতুন ছবি হচ্ছে ফেসবুকে দেখলাম,ঘোড়া ছিল। সেটা নিয়ে কিছু বলা যাবে?

উঃ- ফেসবুকে যে সিনেমা প্রস্তুতির ছবিটা দেখেছেন সেটা এখন নির্মীয়মান "অনিকেত চট্টোপাধ্যায়ের" পরিচালনায়। ছবিটির নাম হচ্ছে  "হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী"। একদম ছোটোদের ছবি এটার মধ্যে রাজনীতি খোঁজার কোনো অর্থ হবে না বলেই আমার মনে হয়। "দক্ষিণারঞ্জন মজুমদারের" লেখা "ঠাকুরদার থোলে" থেকে একটা গল্প নিয়ে অনিকেত চট্টোপাধ্যায় এই ছবিটা তৈরী করছেন।


★১২.) [এক কথায় বলবেন]

ক.) চৈত্রসেলে বিক্রি হচ্ছে হাতঘড়ি আর পাঞ্জাবী সবেতেই ৪০% ছাড়। কেনার জন্য যেকোনো একটা আইটেম বাছতে হবে, কোনটা কিনবেন?

উঃ- অবশ্যই পাঞ্জাবী


খ.) শ্রীজাত বন্দোপাধ্যায়।
উঃ- একজন কবি। স্মার্ট । অসম্ভব ভালো অন্তমিল নিয়ে খেলা করতে পারেন।

গ.) সত্যজিৎ রায় নাকি মৃনাল সেন?

উঃ-অবশ্যই সত্যজিৎ রায়

ঘ.) স্যার, খনা দা কেমন আছেন?

উঃ- বস্তুত পক্ষে খনা দা বলে বাস্তবিক চরিত্র নেই। খনা দা প্রতিটি মানুষের মধ্যে আছেন অর্থাৎ খনা দা হচ্ছে একজন মধ্যবিত্ত মানুষ যে জীবনের জটিলতার মধ্য দিয়ে হাস্যরস খুঁজে পায়, জীবনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা যে কৌতুক বোধ সেটা নিয়ে সে আনন্দ পায়। তো সেটা যখন যিনি পাবেন তাঁর ভেতরেই খনা দা জেগে উঠবে। খনা দা ভালো থাকবেন কিনা সেটা নির্ভর করছে তাদের ওপরে যারা খনা দা কে ভালো রাখতে চান অর্থাৎ আমাদের মনের যে রসবোধ সেইটাকে ভালো রাখতে চান তারা খনা দা কে ভালো রাখতে পারেন।


১৩.) বীরভূমের আহমদপুরের ছেলে অতনু বর্মন হঠাৎ টিভিতে মিরাক্কেলের জনপ্রিয় তারকা। এই সময়টা আহমদপুরে কি চলছে?

উঃ- মিরাক্কেল যখন চলছে সেইসময় আহমদপুরের কী অবস্থা সেটা বলা আমার পক্ষে খুব কটিন, মিরাক্কেল শেষ হবার পরে কী অবস্থা সেটা বরং বলতে পারি। কারণ যখন চলছে তখন আমরা তো ওখানে সুটিং-এ আছি আমরা তো জানি না বাইরে কি হচ্ছে, যারা দেখছেন তাঁরা কেমন ভাবে নিচ্ছেন বা কি ভাবছেন কতটা গ্রহণ করছেন বা কতটা  বর্জন করছেন সেটা আমরা বুঝছি না সুতরাং যখন চলছে তখন আহমদপুরের কি অবস্থা জানিনা যখন শেষ হয়েছে তারপরে দেখেছি যে হ্যাঁ মানুষের ভালোবাসা, তাদের যে কাছে টেনে নেওয়া সেটা আমি পেয়েছি।

১৪.) সেই কুয়ো যেখানে মনস্কামনা পূর্ণ হয়েছিল পাঁচ মিনিটে। আপনার কিছু চাওয়ার নেই সেই কুয়োতে?

উঃ- হ্যাঁ অবশ্যই চাওয়ার আছে। আমি সেই বিদূষক যে মারতেও জানি না কাটতেও জানি না, যে শুধুমাত্র  বিধাতার আশীর্বাদে হাসতে জানি। আমার একটাই মনস্কামনা যে আমার পারিপার্শ্বিক জগত, আমার দেশ এমন একটা পরিবেশের মধ্য দিয়ে চলুক যাতে আমি কখনোই হাসতে না ভুলে যায়।


১৫.) "পাবলুর মা ঘুমিং গেলা" নাকি "মালুতি-মাধব" কাকে এগিয়ে রাখবেন আপনি?

উঃ- দুটো দু-ধরণের কবিতা , দুটোর বিষয় বস্তু আলাদা ভাব এবং ভাবনাও আলাদা, সুতরাং এক্ষেত্রে এগিয়ে রাখার কোনো জায়গা নেই। সেটা  তাদের নিজেদের গুণে তারা নিজেরা এগিয়ে আছে। কথা হচ্ছে শ্রোতা বা পাঠক কোনটাকে এগিয়ে রাখবেন সেটা তাঁদের ভাবনার বিষয়,  আমার কাছে দুটোই এগিয়ে আছে।

★১৬.) [একজনকে বাছতে হবে]

ক.)রাজ চক্রবর্তী নাকি শ্রীজিত মুখার্জি?

উঃ-শ্রীজিত মুখার্জি


খ.) দেব নাকি ঋদ্ধি সেন?

উঃ-ঋদ্ধি সেন


গ.) শান্তিলাল মুখার্জি নাকি ঋতব্রত মুখার্জি?

উঃ-শান্তিলাল মুখার্জি


১৭.)মিরাক্কেল এখন বাড়ীর সবার সাথে বসে দেখা যায় না। এ বিষয়ে শিক্ষক অতনু বর্মনের কি মনে হয়?

উঃ- এটাতো আপনারা বলেইছেন যে সবার সঙ্গে বসে দেখা যায় না। আপনারা বলেছেন আমি বলিনি, আমি সহমত পোষন করছি মাত্র।






১৮.) আপনার চোখে "মীর"?

উঃ- "মীর" অতন্ত রসবোধ সম্পূর্ণ, অতন্ত পড়াশোনা করা একজন মানুষ এবং বাংলা সঞ্চালনার যে জগতটা সেটাকে উনি একটা উচ্চতম স্তরে নিয়ে গিয়েছেন।

★[ অতনু বর্মনের পছন্দ ]

১.) প্রিয় রঙ
উঃ- নীল

২.) প্রিয় পোশাক
উঃ- পাঞ্জাবী

৩.) প্রিয় খাবার
উঃ- প্রিয় খাবার বলতে কী সেটা ঠিক আমি বুঝিনা কেনোনা সেই অর্থে খাওয়াটা আমার কাছে মুখ্য নয় জীবন ধারণের একটা বিষয় মাত্র সেই হিসেবে খেতে হয়, খিদে পেলে খাই এবং প্রচন্ড খিদের সময় যদি পেট ভরবে এমন যে কোনো খাবারই আমার প্রিয়।


৪.) প্রিয় শহর
উঃ- প্রিয় শহর কলকাতা


৫.) নিজের প্রিয় লেখা
উঃ- নিজের প্রিয় লেখা বলতে আমি এখনও আমার সেই লেখাটা লিখে উঠতে পারিনি যেটা আমার সব থেকে প্রিয়, লিখে চলেছি।

৬.) কেউ যদি আপনার লেখা বই কিনতে চায় তাহলে কোন বইটা কিনতে বলবেন এক বাক্যে?
উঃ- "খোলা হাওয়া" বলে আমার একটি  বই আছে ওটাই কিনতে বলব।

৭.) নিজের গ্রাম
উঃ- নিজের গ্রাম আহমদপুর। বীরভূম জেলার একটি মফঃস্বল, আধা গ্রাম-আধা শহর আহমদপুর।

৮.) প্রিয় বন্ধু
উঃ- প্রিয় বন্ধু বই।

★কবি অতনু বর্মনের জলফড়িং'র প্রতি শেষ বার্তা?

কবিঃ- জলফড়িং-এর বিপুল প্রসার কামনা করি। ভালো থাকুন আপনারা।



[ সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জলফড়িং ওয়েব ম্যাগের ইন্টারভিউ সেকশন এডিটর সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন) এবং টাইপে সহযোগিতা করছেন জলফড়িং'র দৈনিক সম্পাদক অরূপ সরকার ]


       



শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৯

Xক্লুসিভ অর্পন



ইউটিউব এ আমার শর্ট ফিল্ম গুলো আপলোড করে 'views' উঠানোর চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান দর্শকাসনের প্রথম শাড়ি থেকে শেষ শাড়ি পর্যন্ত করতালি শব্দ। 



১.) অর্পন বসাক একটা সাধারণ ছেলের নাম। হঠাৎ একটা ইচ্ছে হলো আর দুটো শর্টফিল্ম করে নিলে ? নাকি শুরুর গল্পটা একটু জানাবে আমাদের।

 উঃ- আমার ডিরেক্টরিয়াল জীবনের শুরুটা একটু আলাদা, যখন আমি ক্লাস সিক্সে পড়ি সেই সময় থেকেই ছবি বানানোর ভূত মাথায় চাপে, বাবা 'eyepod' কিনে দিয়েছিল, সেই 'eyepod' নিয়ে শুট করতাম বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে। যদিও সেই ভিডিও গুলো আমার 'eyepod' বন্দি থাকতো, এবং আমার আশেপাশের বন্ধুরা, মা-বাবা কেই দেখাতাম। সেখান থেকেই আমার কাজের শুরু, কাজ বললে ভুল হবে সেটা আমার কাছে ক্ষ্যাপামি। তারপর প্রথম মোবাইল ফোনের শর্ট ফিল্ম বানাই যার নাম "Virtual World", অভিনয় করেছিল সুপ্রতিম সাহা।
তারপর স্কুল লাইফ থেকে প্লানিং ছিল 'film studies' নিয়ে পড়বো,12 pass out করার পর "Pailan College of Management and Technology" তে 'Media Science' নিয়ে পড়ার জন্য ভর্তি হই, আস্তে আস্তে তারপর "Inner Me" "Abar Asbo Phire" "Chitrokar", এই তিনটে শর্ট ফিল্ম as director কাজ করি, সবাইকার ভীষণ ভালো লাগে এবং সাহস করে পরবর্তী পদক্ষেপটা এক্কেবারে ফিচার ফিল্ম যার নাম "প্রতিফলন"।


২.) "ইনার মি" এবং "চিত্রকার" ( দু-লাইনে ডেফিনেশন দাও) মানে কি নিয়ে ছবি দুটো।

উঃ-"Inner Me" এমনই একটা গল্প যেটা মূলত বহিরাঙ্গের সৌন্দর্য Vs নিজের ভেতরকার সৌন্দর্য কে ঘিরে।



"চিত্রকার"  গল্পের মধ্যে সাসপেন্স রয়েছে প্রতিমুহূর্তে। একটা রহস্যজনক পেন্সিল কি কিরে গোটা গল্প।



৩.)অনেক শর্টফিল্ম হচ্ছে তাহলে তোমারটা আলাদা কেন ? মানে নিজের কাজ কে তো তুমি এগিয়ে রেখেছ বা রাখছ নিশ্চয়?

উঃ-শর্ট ফিল্ম ব্যাপারটা এখন ভীষণভাবে প্রচলিত, তবে আমি মনে করি যে ইউটিউব টা আমার লক্ষ্য না, ইউটিউব এ আমার শর্ট ফিল্ম  গুলো আপলোড করে 'views' উঠানোর চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান দর্শকাসনের প্রথম শাড়ি থেকে শেষ শাড়ি পর্যন্ত করতালি শব্দ,তাই আমার দুটো শর্ট ফিল্ম একটা নাম "আবার আসবো ফিরে" আর একটা নাম "চিত্রকার" দুটোই প্রাইভেট স্ক্রীনিং করেছি একটা করেছি "যোগেশ মাইম একাডেমিতে" আর একটা "জ্ঞান মঞ্চে"।
মোট তিনটে শর্ট ফিল্ম "আবার আসবো ফিরে" "চিত্রকার" "ইনার মি"



৪.) চিত্রকারের অভিনেতা, অভিনেত্রির নাম?

উঃ-চিত্রকারের মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছে সুপ্রতিম সাহা ( সৌম্য ) চরিত্রে, অভিনেত্রীর চরিত্রে রয়েছে সৃতামা কর্মকার ( এশা ) চরিত্রে, এবং শ্রেয়া রয় চৌধুরি ( মেঘনা ) চরিত্রে।






মানুষকে ভাবাবে, কাঁদাবে আবার হাসাবেও






৫.) কলকাতার জ্ঞান মঞ্চে দেখানো হলো এই দুটো("ইনার মি" এবং "চিত্রকার") শর্টফিল্ম, আচ্ছা তাহলে সবার কাছে কিভাবে পৌঁছবে এই দুটো ছবি?

উঃ- 'ইনার মি'র ক্ষেত্রে বলবো এটা পুরোপুরি প্রডিউসারের উপর ডিপেন্ড করছে যে কোন ওয়েব প্লাটফর্মে রিলিজ করবে।
আর যেহেতু 'চিত্রকারের' প্রডিউসার আমি আর সুপ্রতিম, আমরা খুব তাড়াতাড়ি এই বছরের মধ্যে ইউটিউবে রিলিজ করব 'চিত্রকার'।


৬.) তোমায় দুটো'র মধ্যে থেকে যদি বেস্ট বাছতে বলি তাহলে কোনটার নাম নেবে "চিত্রকর" নাকি "ইনার মি"?

উঃ-আমার কাছে দুটোই আমার বাচ্চার মত, ইনার মি ও চিত্রকার, ইন ফ্যাক্ট আবার আসবো ফিরে ও, সেই ক্ষেত্রে কোন একটা বাচ্চাকে বেশি ভালোবাসবো সেটা কখনোই হতে পারে না। যখন যেই ছবিটা করছি তখন কার জন্য সেই ছবিটা নিজের বেস্ট দিয়ে বানানোর চেষ্টা করি এবং পরবর্তীকালে করব।



৭.) তোমার ইচ্ছে নিশ্চয় বড়ো ছবি বানানো। আর সেক্ষেত্রে কিরকম ছবি বানাতে চাও তুমি?

উঃ-বড় ছবি বানানোর ইচ্ছে তো আছেই এবং একটা বড় ছবি বানাচ্ছি ও, ফিচার ফিল্ম যার নাম "প্রতিফলন"।
মাথায় অনেকগুলো কনসেপ্ট রয়েছে, আমি মূলত এমনই কিছু কনসেপ্ট এর ওপর বড় ছবি বানাবো যেটা দেখার পর মানুষকে ভাবাবে, কাঁদাবে আবার হাসাবে ও।
এক গতের কাজ করতে চাই না, প্রত্যেকটা নতুন নতুন কাজে, অন্য ধরনের কিছু উপহার দিতে চাই আমার দর্শককে।


৮.) একজন ডিরেক্টরকে অভিনেতা বাছতে হয়,
তুমি কিভাবে বেছে নাও একজন অভিনেতাকে?
(চেহারার ওপর নাকি অভিনয়ের ওপর)

উঃ- এই কোশ্চেনটা বেশ, অবশ্যই অভিনয়, তবে চরিত্রের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ আমি পছন্দ করি না, আমার ভাবনার চরিত্রের চেহারার সঙ্গে, অভিনেতার চেহারা ম্যাচ না করলে, আমি কাস্টিং করি না।



৯.) নতুনদের সুযোগ দেবে তোমার নির্বাচন? দেখো এখন অবধি দাওনি যেমন তুমি জনপ্রিয় অভিনেত্রি অদ্রিজাদি'কে নিজের ছবির জন্য বাছলে। তাহলে নতুনরা কি করে সুযোগ পাবে?

উঃ-আমি নিজেই একজন নতুন পরিচালক সেই ক্ষেত্রে নতুনদের নিয়ে কাজ করার মজাই আলাদা।
যেমন 'আবার আসবো ফিরে' তে শ্রীতমা কর্মকার নবাগতা হিরোইন ছিল,'চিত্রকার'রে শ্রেয়া রায় চৌধুরী নবাগতা ছিল। তবে অদ্রিজা কে কাস্টিং করার পেছনে কারণটা হচ্ছে আমি যখন "ইনার মি"র স্ক্রিপ্টটা নিয়ে ভাবি অদ্রিজা কে ছাড়া আমার মাথায় অন্য কেউ একেবারের জন্য আসেনি।
আমি ভবিষ্যতেও আরো অনেক নতুন মুখের সঙ্গে কাজ করতে ভীষণ ভাবে আগ্রহী।


১০.) শুনলাম তোমার একটা নতুন কাজ হচ্ছে,  সেটা নিয়ে একটু বলো?

উঃ-হ্যাঁ, নতুন কাজ করছি একটা, ফিচার ফিল্ম সুপ্রতিম সাহা প্রযোজিত যার নাম 'প্রতিফলন'।
শুটিং শুরু হয়ে গেছে, মূলত এটা একটা গ্রামকেন্দ্রিক গল্প যেখানে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছে সুপ্রতিম (আর্য) চরিত্রে আর নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করছে নবাগতা সায়ন্তনী দেব (রিমি) চরিত্রে, গল্পটা  লড়াই নিয়ে আর্য আর আর আর্যর বাবার সাথে।  লড়াইটা কিসের জন্য সেটাই সাসপেন্স।
আমার আর সুপ্রতিমের ইচ্ছে রয়েছে প্রথমে বানানোর পর ছবিটা ফিল্ম ফেস্টিভালে পাঠাবো তারপর রিলিজ।


১১.) শুধু মাত্র জ্ঞান মঞ্চ নাকি ইউটিউব নাকি টিভির পর্দা। নিজের কাজকে ছড়ানোর জন্য তুমি এগুলোর মধ্যে কিসের ওপর ডিপেন্ড করবে?

উঃ- নিজের কাজ ছড়ানোর জন্য আমি ভালো গল্পের উপর ডিপেন্ড করব। তারপর আসছে প্ল্যাটফর্ম কারণ এখন যে রকম ওয়েব মার্কেট তৈরি হয়েছে তার মানে এটা না যে টিভি কিংবা হলে ছবি দেখা উঠে গেছে।
একে অপরের সঙ্গে co-exist করছে, আমিও পরিচালক হিসেব co-exist  করতে চাই দর্শকের কাছে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যম গুলোর মধ্যে আমার ভাবনাগুলো।


১২.)এখন যে সমস্ত বাংলা সিনেমা হচ্ছে তাতে সাউথের সিনেমার কপি থাকছে আবার বহু সিনেমায় থাকছেনা সেগুলোএকদম নিজস্ব। তোমার মতে কোন ধরনের ছবি তুমি করতে চাইবে?

উঃ-আমি নিজস্ব ছবি করতেই বেশি প্রেফার করব, তবে নাচ গান মজা মাস্তি নিয়ে যেই ছবিগুলো হচ্ছে এক কথায় বলতে গেলে বাণিজ্যিক ছবি সেই ছবি আমি করতে চাই,কিন্তু নিজের কনসেপ্ট থাকবে সেই ছবিতে কোন অন্য জায়গাকার কনসেপ্ট কপি করে না।



১৩.) শেষ প্রশ্ন, অর্পন বসাক বাংলা ইন্ডাস্ট্রিকে নতুন এমন কি দেবে যার জন্য ডিরেক্টর হিসেবে অর্পন বসাককে বেছে নেওয়া হবে?

উঃ- আমি মনে করি আমার এখনো ডিরেক্টর হিসেবে অনেক কিছু শেখার বাকি আছে,তবে একটা জিনিস যেটা না বললেই নয়,যখন বাংলা ছবি দেখি আমরা সিনেমা হলে,একদম শেষে যে মানুষ গুলোর নাম যায় অর্থাৎ যারা যারা ছবিতে কাজ করেছে এন্ড ক্রেডিট এ যাদের নাম যায়, তাদের আমি সম্মান জানতে চাই, কারণ বেশিরভাগ সময়ে ওই নামগুলোকে দর্শকেরা পড়ে না, না পড়েই বেরিয়ে যায় হল থেকে, সেটা আমার খুব খারাপ লাগে। তার একটা পদ্ধতি ও বার করেছি। তবে সেটা এখন বলবো না তার জন্য দেখতে হবে 'প্রতিফলন' আমার প্রথম ফিচার ফিল্ম।



[ ডিরেক্টর অর্পন বসাকের সাক্ষাৎকার নিলেন জলফড়িং ওয়েব ম্যাগের ইন্টারভিউ সেকশন এডিটর সুদীপ্ত সেন ]

বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৯

EXCLUSIVE MADHUMITA















আমরা তো অনেক বিষয় এড়িয়ে যাই ... এটা নতুন বিষয় নয়.....  মধুমিতা চট্টোপাধ্যায় 



জলফড়িং ওয়েব ম্যাগাজিন থেকে আপনাকে প্রথমেই জানাই নমস্কার

মধুমিতা চট্টোপাধ্যায়ঃ- নমস্কার

১.) গান শেখার শুরু কি ছোটো থেকেই?

উঃ- হ্যাঁ প্রথম চার বছর বয়সে। বাড়িতেই আমার দাদুর কাছে  গান শেখা শুরু হয়।

২.) ছোটোবেলায় এরকম হয়েছে ধরো তোমার খুব ইচ্ছে করছে গান করতে অথচ তোমার প্রচুর পড়া(স্কুলের) আছে আজ।

উঃ-আমার যখন যেটা ইচ্ছে করে আমি সেটাই করি। আমার মনে আছে ছোটবেলা একবার অঙ্ক পরীক্ষার আগে আমি ফেলুদার গল্প পড়ছিলাম কিন্ত পড়া শেষ করে তবেই অঙ্ক নিয়ে বসতে পেরেছি। পড়া, কাজ জমে থাকলেও গান করি। ওটা আমার এনার্জি ব্রুস্টার

৩.) ঠিক কখন থেকে মনে হলো যে, না এবার গান লিখব এবং সুর দিয়ে সেটা মানুষকে শোনাতে পারব?

উঃ-আমার গান যে আদৌ কোনওদিন গাইব সেটা ভাবিনি। কিছু ঠিক করিনি মানুষ শুনেছেন, ভালবেসেছেন আমার অনেক প্রাপ্তি।

৪.) মধুমিতা চট্টোপাধ্যায়  একজন লেখিকা কারণ তিনি গান লেখেন আবার অন্য দিকে গানের সুর তৈরী করেন। তুমি কাকে এগিয়ে রাখবে লিখিকা হিসেবে তুমি নাকি কম্পোজার হিসেবে তুমি?

উঃ-গান ছাড়াও আমি লিখি। অনেক ছোট থেকেই। এটা আমার কাছে একটা থেরাপির মতো। কিন্তু আমার কাছে গান লেখা ও সুর করা অনেকটা মালা গাঁথার মতোই। দু'টো একসাথেই ঘটে। যদি আলাদা করে সুর বা অন্য কারোর সুরে লেখার সুযোগ পাই তাহলে ভেবে দেখব কাকে এগিয়ে রাখা যায় 😊

৫.) তোমার প্রথম গান যেটা মানুষ শুনেছিল অর্থাৎ প্রথম কাজ। তার নাম কি? কেমন ফিডব্যাক ছিল?

উঃ-তার ফিডব্যাক মন্দ নয়। যদিও সেটা যারা শুনেছেন তাঁরাই বললে বোঝা যাবে


৬.) "এইবার বুঝেছি সহজে" এখন এটা সবার মুখে মুখে ঘুরছে কমবেশি। এই যে এই পপুলার ব্যাপারটা তোমার কাছে কি রকম লাগে।

উঃ-বোঝ! গান ভাল লেগেছে সেটাই তো সবচেয়ে আনন্দের

৭.) যারা কবিতা লেখেন তারা কিন্তু লিরিক্স হিসেবে একটা গান লিখে দিতে পারবেন। এখন কথা হলো এই লিরিক্সটাকে সুর দিতে গেলে সেক্ষেত্রে লেখককে কিভাবে ভাবতে হয় বলে তোমার মনে হয়।

উঃ-কবিতা আর লিরিক্সের মধ্যে অনেক অমিল আছে সেটা যাঁরা লেখেন তাঁরা জানেন আমার আলাদা করে কিছু বলার নেই।



★[এইবারে তুমি এক দু কথায় উত্তর দেবে
ভাববে না বেশি]

১.) কবির সুমন না সলীল চৌধুরী?

উঃ- কবির সুমনের লিরিক, সলীল চৌধুরীর সুর ( যদি পাশাপাশি দুজনকে বসাতে হয়।)

২.) অঞ্জন দত্ত নাকি শিলাজিৎ মজুমদার?

উঃ- দুজনেই।


★[তোমার কেমন লাগে এক কথায় বলবে]

১.) চন্দ্রবিন্দু

উঃ- চন্দ্রবিন্দু মানে আমার ছোটবেলা স্কুল জীবন। ভীষণ নস্টালজিক

২.) কফিহাউস
উঃ- কফিহাউসের রবীন্দ্রনাথের ছবিটা আমার বরাবর খুব ইন্টারেস্টিং লাগে। বিশেষত সকালের দিকে যখন রোদ এসে পড়ে। আর প্রতিবার বেরোনোর সময় যে দাদু পত্রিকা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন এই দীর্ঘ বছরে উনিও কফি হাউসেরই একটা অঙ্গ হয়ে গেছেন

৩.) লগ্নজিতা
উঃ- লগ্নজিতার গায়কী স্বতন্ত্র । ওঁর গলার টোন আমার বেশ পছন্দের

★ তোমার চোখে কেমন তারা?

১.) অনুপম রায়
উঃ- অনুপম রায় একজন অসামান্য মানুষ নানা ভাবে এ আমার খুব প্রিয় একজন লেখক,
সুরকার ও সঙ্গীতপরিচালক।

২.) দেবদীপ মুখার্জী

উঃ- দেবদীপের সাথে ব্যক্তিগত ভাবে একবারই আলাপ হয়েছিল। তখনই গল্প করতে করতে উনি বলেছিলেন গানের জন্য চাকরি ছেড়েছেন। নিজের কাজের প্রতি ওঁর দৃঢ়তা খুবই উৎসাহ দেয়।

              

৮.) এবছরের তোমার নতুন একটা কাজ আসছে ফেসবুকে দেখতে পাচ্ছি। সেটা নিয়ে যদি একটু বলো।

উঃ- এটা আমার অন্যতম প্রিয় কবি ও সুরকার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান। তাঁর লেখা ও সুর। সঙ্গীতায়োজন করেছেন মণিদীপা সিংহ। আর গেয়েছি আমি। মজার বিষয় হল আমরা প্রত্যেকেই নিজেরা গান লিখি ও সুর করি। যদিও সুদীপদা অনেক সিনিয়র। কিন্তু এই গানটা কোথাও গিয়ে আমাদের প্রত্যেকেরই গান হয়ে গেছে। বন্ধুরা মিলে একটা কাজ।

৯.) "এড়িয়ে যেতে হয় নিজেরই গরজে"। এইরকম একটা গান তুমি হঠাৎ লিখলে কেন?

উঃ- আমরা তো অনেক বিষয় এড়িয়ে যাই ... এটা নতুন বিষয় নয়। হয়তো গান গেয়ে কেউ বলেনি! আমি সুযোগটা কাজে লাগালাম ...

১০.) আচ্ছা অনেকের গানই কিন্তু ইউ টিউবে থাকে। যাদের গান বেশ ভালোই তা সত্বেও খুব কম জন পপুলার হয়। কোথাও কি মনে হয় তোমার যে পপুলার হতে লেগে মানে গানটা সবার কাছে ছড়াতে গেলে বিখ্যাত কারো না কারোর হাত দরকার।

উঃ- না সেটা মনে হয় না। অনেকেই ইন্ডিভিজুয়ালি কাজ করেন এবং তারা খুব ভাল করে নিজেদের কাজ প্রচারও করেন ও তাঁদের ভিউ বা লাইক শত সহস্র।


। পছন্দে-গায়িকা |

১.) প্রিয় খাবার
উঃ আলু পোস্ত ও বিরিয়ানি। দুটো এক সাথে নয় কিন্তু

২.) প্রিয় পোশাক
উঃ রাত পোশাক

৩.) প্রিয় ঋতু
উঃ গ্রীষ্ম

৪.) প্রিয় অভিনেতা, গায়ক, গানের নাম
উঃ প্রিয় গান, গায়ক অভিনেতা অনেক আছে

৫.) তোমার কাছে তোমার মা
উঃ মা আমার কাছে আমার প্রিয় বন্ধু

৬.) রাতের তারা প্রিয় নাকি নাইট ল্যাম্পের আলো?
উঃ রাতের তারা ও ল্যাম্পপোস্ট দুটোই প্রিয়

৭.) প্রিয় কবি
উঃ প্রিয় কবি অনেকেই আছেন তবু যদি একটি নাম বেছে নিতে হয় তাহলে ভাস্কর চক্রবর্তী

৮.) প্রিয় ফেসবুক কবি ( যিনি প্রতিষ্ঠিত নন)

উঃ কবি তো কবি তার আবার ফেসবুক কি টুইটার কিসের?
আমার অনেক বন্ধু বা সমসাময়িক আছেন যাঁদের কবিতা নিয়মিত পড়ি। এরকম অনেকেই আছেন। আবার অনেকেই আছেন যাঁরা ফেসবুকে কবিতা দেন না কিন্তু তাদের কবিতা পড়ি।

                   ---------------------------

[ গায়িকা মধুমিতা চট্টোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জলফড়িং ওয়েব ম্যাগাজিনের ইন্টারভিউ সেকশন এডিটর সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন) ]









বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০১৯

কথার পিঠে কথা

     ♥| কথার পিঠে কথা |♥


            



♦আজাহারুল ইসলামের জন্ম ১৯৯৭ সালের ২১ শে ডিসেম্বর জন্মস্থান মুরারই;বীরভূম জেলা।
পিতা আসমারুল ইসলাম আর মাতা আয়েশা সিদ্দিকা♦
   -----------------ঃ--------------------
 জলফড়িং ওয়েব ম্যাগের পক্ষ থেকে তোমাকে প্রথমেই জানায় নমস্কার, আমরা কৃতজ্ঞ তুমি আমাদের সময় দিয়েছো বলে।

~আজাহারুল:-জলফড়িং এর সাথে কথা বলার সুযোগটা এই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ,
কারণ,
জীবনে প্রথম সাক্ষাৎকার দিচ্ছি,
আর তোমাদের নবীনদের জন্য যে প্রয়াস,
তার জন্য সাধুবাদ জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা নিও

১.) জনপ্রিয় ফেসবুক কবি আজাহারুল ইসলাম, যার নাম সমাজ জানেনা, জানেনা কোনো সম্মানী পত্রিকা যেমন দেশ বা কৃত্তিবাস!
জানে তোমার জন্মস্থান মুরারই? সেই বা কতটা জানে?

উ:-দেখুন, নিজেকে জানানোর জন্য সাহিত্য চর্চা করেছি, তা নয়,
এখন হয়তো সেই ধরনের মানুষ কিছু পায় নি আমার থেকে, আর মুরারই এর ব্যাপ্তি সেইরকম না, তবে আমার বিশ্বাস আমরা কয়েকজন এই  অঞ্চলের মানুষের গৌরব হতে পারবো। তাছাড়া সুনীল গাঙ্গুলীও কিন্তু মুরারই এসছেন, সেই তুলনায় মুরারই কেউ চেনে না তা নয়(😄)



২.) কত বছর বয়স থেকে লেখার জগতে এলে?

উ:- এই সবেই শুরু, পাঁচ বছর,
ছোট থেকে যা লিখতাম, ও সবটা রবীন্দ্রনাথের ভাষায় 'অশান্তি' ছাড়া কিছু না!🙂


৩.) বাড়ির চাপ থাকে লেখার ক্ষেত্রে?

উ:-৩. সেই রকম না, তবে ধর্ম নিয়ে লিখলে, মা একটু ভয় পায়!🙂


৪.) শুনলাম তোমাকে ধমকি দেওয়া হয়েছিল, কতটা ভয় পেয়েছিলে তুমি?

উ:- হ্যাঁ, বাংলাদেশের কিছু মৌলবাদী, ভয় তো পেয়েছি,
কিন্তু হেরে যাই নি, ওরা ওদের মতামত দিয়েছে, মৌলবাদ তো প্রগতিশীলতার বিপক্ষে,
ওসব নিয়ে ভাববার সময় নেই।


৫.) তোমার কলমের তেজে বারবার দেখেছি ধর্মের প্রতি তোমার নিন্দা, মনে হয়নি এসব করলে ধমকি আসাটা জরুরি?

উ:-যারা আস্তিকতায় বিশ্বাসী তাদের কাছে আমার ভালোবাসা আছে, এখন সত্যি বলতে গেলে তো কোপ খেতে হয়ই,
এসব নিয়ে ভাবিনি!


৬.) তোমার মনে হয় তোমার লেখায় শ্রীজাত স্পর্শ আছে?

উ:-একদমই, তবে চেষ্টা করি, একটু ভিন্ন ধারার লেখা লিখতে😃


৭.) এখন অবধি কোনো বই করতে পারোনি নিজের, শোনা গেছে খুব তাড়াতাড়ি হবে, সেটা নিয়ে একটু যদি বলো?

উ:- বই প্রকাশের কাজ চলছে, সময় হলেই জানাবো


৮.) লেখার  ইন্সপিরেশন কে?

উ:-ইন্সপিরেশন, বাংলাদেশের একজন ব্লগার, নাম বলছি না,
নিষেধ আছে


৯.) বাহান্ন তীর্থের শরীর হঠাৎ লিখতে গেলে কেন?

উ:-সুনীলের নীরা কবিতাটি পড়েছিলাম, ওটায় এর কারণ, তবে কবিতা দুটি শর্ত ধারা একদমই আলাদা।


১০.) আজাহারুল ইসলাম একজন
সম্পাদকও। আমরা দেখেছি খোলা ডায়রি নামে একটা ওয়েব ম্যাগ চলে তোমার সম্পাদনায়। শুরুটা কীভাবে যদি একটু বলো।

উ:-বাংলাদেশের নাবিল দা, হঠাৎ বলে,
প্রথমে সহ-সম্পাদকের ভূমিকা পালন করতাম, তারপর সম্পাদনার কাজ, তবে এখন একটু টেকনিক্যাল কারণে বন্ধ আছে


১১.)তোমার লেখার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চুমু শব্দটা দেখা যায় এবিষয়ে তুমি কী বলবে?

উ:- চুমু খেতে ভালবাসি, তাই😂


১২.) খোলা ডায়রি এখন বন্ধ, একটা এতো জনপ্রিয় ব্লগ যার এক মিলিয়ন ভিউয়ার সেখানে দাঁড়িয়ে এই বিরহটা তোমার চোখে বা তোমার কাছে কী প্রভাব ফেলেছে?

উ:-দেখুন বন্ধ না, একটু রেস্টে রয়েছি।

ঠিক খুলবো!!



১৩.) সম্পাদক নাকি কবি কোনটাতে স্বাচ্ছন্দ্য বেশি, বলে মনে করো?

উ:-কোনোটিই না, এখন শ্রমিকদের ভূমিকায়


১৪.) বেশির ভাগকেই বলতে দেখি শ্রীজাত-র কবিতা নাকি অনেকই উপেক্ষা করে তোমার কী মনে হয়?

উ:-দেখুন সবকিছুই যে গ্রহনযোগ্য তা নয়, যারা উপেক্ষা করার করবেই,
তবে, শ্রীজাত অপেক্ষার বিষয়, উপেক্ষার নয়।


১৫.) তোমার পোস্টে অনেক সময় সুদীপ্ত সেন বলে একটি ছেলে শ্রীজাত দা বলে, রহস্য আছে কিছু??

উ:-দেখুন উনি সুদীপ্ত সেন নয় সম্ভবত অনুপম রায়😄, আপনি ভুল তথ্য দিচ্ছেন😆


১৬.) আজাহারুলের কলম ফেসবুকে জনপ্রিয়, এ সম্পর্কে তোমার মায়ের বা বাবার কিরকম ফিলিংক্স , কোনোদিন কিছু শেয়ার করেননি তাঁরা?

উ:-মা বাবা খুব একটা যে খুশি তা নয়,
ওরা বেশ ভয় পায় আমায় নিয়ে



১৭.) প্রতিদিনই লেখো নাকি ওয়েট করো?

উ:-ওয়েট করি, কিন্তু লিখতে তো হয়,
ঘটনা নির্ভর লেখা লিখি তাই,
বিশ্রাম নেই খুব একটা


১৮.) ধরো তোমার কাছ থেকে কলম, স্মার্টফোন, খাতা মানে লেখার সামগ্রী কেড়ে নেওয়া হলো, কী করবে?

উ:-চাকরির জন্য পড়াশোনা করবো,
গ্রুপ ডি😆😆


১৯.) কোনো একটা সাহিত্যের অনুষ্ঠানে তুমি প্রথম লেখা পড়ছো আর অনুষ্ঠান শুরু করছো। নিজের লেখা পড়লে না, যদি তোমাকে দেওয়া হয় দুটো অফশন ১.) শ্রীজাত-র লেখা ২.) জয় গোস্বামীর লেখা। কোনটা তুলবে আজাহারুল!

উ:- শ্রীজাত দার পড়বো,
কিন্তু ঐ অনুষ্ঠানের আগের অনুষ্ঠানে জয় গোস্বামীর কবিতা আবৃত্তি করবো


২০.)ভবিষ্যৎ-এ তোমার প্ল্যান?( লেখালেখি বিষয়ক)

উ:- একটা সংগঠন করবো,বিশ্বভারতী সাহিত্য পরিষদ,শান্তিনিকেতনেই,যদি অনুমতি পাই



       সব ভালোবাসা আজাহারুলের

১.) প্রিয় খাবার:- বিরিয়ানি

২.) প্রিয় পোশাক:- পাঞ্জাবি টি শার্ট আর একটা প্যান্ট

৩.) প্রিয় গান ও গায়ক :- তুমি রবে নীরবে, অরিজিৎ

৪.) প্রিয় রঙ:- বেনিআসহকলা

৫.) প্রিয় কবি ও কবিতা:- রবীন্দ্রনাথ, বিদ্রোহী

৬.) নিজের লেখা প্রিয় কবিতা:- ৫২ তীর্থের শরীর

৭.) এখন অবধি তোমার লেখার সংখ্যা:- ২০৪

৮.) তোমার চোখে রবীন্দ্রনাথ :- ঈশ্বর

৯.) তোমার কাছে প্রিয় ফেসবুক কবির নাম:-        শ্রীজাত

১০.) রাত্রি প্রিয় নাকি দিন :- রাত দুপুর


                ♥ শেষ চুমুক ♥

তোমরা বন্ধু, সহকর্মী, নেই কোনো, সেলাই করা ঋণ,

এগিয়ে দেওয়া, পাশে থাকা, ভালোবাসার নামই জলফড়িং
          - আজাহারুল ইসলাম

-------------------------------------------------------------------------


সাক্ষাৎকারটি নিলেন জলফড়িং ইন্টারভিউ সেকশন এডিটর সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)

মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৯

Xক্লুসিভ ঋতব্রত


জলফড়িং-র পক্ষ থেকে তোমাকে প্রথমেই জানাই নমস্কার

ঋতব্রতঃ- নমস্কার।আমি ঋতব্রত, জলফড়িং'র সকলকে আমার পক্ষ থেকে নমস্কার।

১.) প্রথম ছবি কাহিনী,প্রথম বড়ো পর্দা কেমন অনুভূতি ছিল?

উঃ- খুবই ভালো আর অনেক ছোটো ছিলাম, ১০ বছর বয়স আমার তখন এবং যেটা হয়েছিল 'ভুলভুলাইয়া' দেখেছিলাম।কয়েকবছর আগেই তখন ভুলভুলাইয়া রিলিজ করেছিল এবং টাটকা ছিল মাথায়। সেখানে অত ভালো একটা অভিনয় বৃদাবালানের আর তারপরই তাঁকে চোখের সামনে দেখি মানে স্বাভাবিকভাবে কি একটা স্টার স্টার্ক হয়েছিল সেদিন আমি বুঝতে পেরেছিলাম স্টার স্টার্ক ব্যাপারটা কি। আসলে ছোটো থেকেই বাবার সাথে স্টুডিওই গেছি, বুম্বা কাকুর বাড়ি গেছি, ঋতু পিপির বাড়ি গেছি সো যেহেতু সকলকে চোখের সামনে দেখেছি তাই স্টার স্টার্ক ব্যাপারটা বুঝিনি এবার এরপর যখন প্রথম বৃদাবালানকে দেখলাম তখন সত্যিই স্টার স্টার্ক হয়ে গেছিলাম। এতো ডাউন টু আর্থ একজন উনি আর এতো আনন্দ করে কাজটা করেছিলাম সেকারণে অনেকবছর হয়ে গেছে তাও আমার কিছু কিছু খুচরো স্মৃতি মাথায় রয়েছে এবং সুজয় দাও খুব মজা করে কাজ করে তাই প্রথম অভিজ্ঞতা খুবই স্মরণীয় আমার কাছে। কাহিনী'র ব্যাপারটা আমি সবটা বলে ব্যক্ত করতে পারিনা।

২.)ছোটোতেই কি ভেবেছিলে নায়ক হবে?

উঃ- আমি নায়ক নই এখনও। ভবিষ্যতেও হবো কিনা জানিনা। আমি নায়ক কনসেপ্টটাই খুব একটা বিশ্বাস করিনা আমি মনে করি নায়ক বলে আসলে কিছু হয়না। নায়কটা একটা চাপিয়ে দেওয়া নাম বলে মনে হয় আমার, আসলে আমরা সবাই মানুষ। তবে সিনেমার ক্ষেত্রে যদি নায়ক বলো তাহলে আমি কোনোদিন নায়ক হতে পারবনা। আমার চোখে যারা নায়ক টলিউডে যদি বলতে হয় নায়ক আমি একজনকেই সুপার স্টার মনে করি টলিউডে সেটা হচ্ছে প্রসেনজিৎ চ্যাট্টার্জী উনি একজন সুপার স্টার উনি একজন নায়ক। সো আমার মনে হয়না আমি কোনোদিন হতে পারব। মিটুন চক্রবর্ত্তি,চিরঞ্জিৎ চক্রবর্ত্তি, রঞ্জিত মল্লিক এনারা নায়ক আমি কোনোদিন হতে পারব না এবং আমার সেরকম কোনো চাহিদাও নেই নায়ক হওয়ার আলাদা করে।প্রশ্নটা যদি এরকম হয় যে ছোটো থেকেই কী ভেবেছিলে অভিনেতা হবে তাহলে প্রশ্নটা ঠিক হয় কারণ আমি নায়ক হবে বা নায়ক হব বা নায়ক নই আমি এখনও। তো অভিনেতা হবো এটা ছোটো থেকে ঠিক করেছিলাম বলতে বাবাকে দেখতাম টিভিতে এবং মায়ের মুখে শোনা সেটা হচ্ছে খুব ছোটোবেলায় কয়েকমাস বয়স তখন থেকেই বাবার গলা টিভিতে  শুনে নাকি কাঁদতাম বা হাসতাম এরকম আরকি ব্যাপার এবং আমার যেগুলো মনে আছে সেটা হচ্ছে বাবাকে যখন স্ক্রিনে মারা হচ্ছে বা বাবা কাঁদছে এরকম কোনো দৃশ্যে আমি টিভির সামনে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তাম।এইসব কিছু কিছু জিনিস এবং তারপর থিয়েটার শুরু করা একদম ছোটো বয়স চার বা সাড়ে চার বছর বয়স থেকে থিয়েটারে গেছি তখন বলে দেওয়া হয়েছে জোরে বলবি যা বলবি,চন্দন কাকু (চন্দন সেন) বলে দিয়েছিল। সেইখান থেকে আসতে আসতে যতদিন গেছে তত বেশি আগ্রহ জন্মেছে তত বেশি পড়াশোনা বেড়েছে সেটা নিয়ে, তত বেশি ছবি দেখা, থিয়েটার দেখা, গান শোনা সবটাই বেড়েছে সেটা করতে করতেই ছোটোথেকেই হ্যাঁ আমি এখনও অনেক ছোটো বলে আমি মনে করি তবে অভিনেতা যে এম(aim) ব্যাপারটা হয়তো বুঝতে পারি তবে জানিনা, এখন দেখা যাক কি হয়।

৩.)প্রথম পাওয়া পুরস্কার?তার উপলব্ধি টা কেমন ছিল?

উঃ-কাজের ক্ষেত্রে প্রথম পাওয়া পুরস্কার এবিপি আনন্দের 'সেরা বাঙালী'। সেই পুরস্কার পেয়েছিলাম নাট্যকলার জন্য বুঝতেই পারছ অনেক ছোটো বয়সে অনেক বড়ো একটা সমান যেটা পেয়েছিলাম শ্রী দেবশঙ্করের হাত থেকে সুতরাং আরও বড়ো ব্যাপার ছিল তাই উপলব্ধিটা যেটা হয়েছে সেটা হলো আমার ওপর দায়িত্বটা অনেক বেড়েগেছিল। পরে আমি তাদের জিজ্ঞেস করেছিলাম আমাকে কেন দেওয়া হলো আমি তো এটার যোগ্যও নই? বলেছিল এটা তোকে দেয়নি, আমরা এই পুরস্কার ভেবেছিলাম তোকে দেব as the representative of that generation, যারা ফোনে angry birds না খেলে, নেটে সময় নষ্ট না করে বা কলকাতার যেখানে সেখানে শুধু hang out না করে যারা থিয়েটার দেখছে, নিয়মিত থিয়েটার করছে এবং থিয়েটার নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে। এই কথাটা আমায় খুব ভাবিয়েছিল।আমি সত্যিই ভেবেছিলাম যে হ্যাঁ তাহলে আমি সেই
generation এর একজন যাকে সম্মানিত করা হয়েছে এবং এটা আমার দায়িত্ব অনেক বারিয়েছিল বলে আমার মনে হয়। এবং সেটাই আমি এখনও মনে করি।

৪.)নাটকের মঞ্চটা প্রিয় নাকি সিনেমার ক্যামেরা?

উঃ- এটা কোনো প্রশ্ন নয় বাজে প্রশ্ন এটা, সবাই করে। আমার মনে হয় অভিনেতার কাছে অভিনয়টাই আসল। সিনেমা বা নাটক আমার কাছে একই রকম গুরুত্বপূর্ণ। আমার কাছে artform টাই improtant.

৫.)একটা নিউজ পেপারে বুম্বা দা বলেছিলেন তাঁকে অনেক খাটনি করতে হয়েছে তবেই তিঁনি নায়ক হয়েছেন এরজন্য তাঁর বাবার সবটা কৃতিত্ব নেই। এই বিষয়ে তোমার মতামত তোমার সিনেমা জীবনে।

উঃ- আমার বাবা না থাকলে প্রথমত আমি অভিনেতা হতেই পারতাম না, আমার ইচ্ছেটাই জাগত না,আমি জানতামই না সেটা কি খাই না মাথায় দেয় তো আমার বাবা আমার অভিনেতা হওয়ার পিছনে সমস্ত রকম কারণ।  আমার নিজের বাবা এবং আমার আরেক বাবা চন্দন সেন এই দুই বাবা আরকি এনাদের অবদান প্রচুর। এবার যদি বলি বাবার কৃতিত্বের কথা, সবাই বলে হ্যাঁ শান্তিলাল মুখার্জীর ছেলে তো ওই বাবার সুযোগে চান্স পায়, এটা কি বলব আর এটা আমাদের তথাকথিত ধারণা যে সব অভিনেতার ছেলেমেয়েরাই বাবার দৌলতে কাজ পায়।ব্যাপারটা হচ্ছে অভিনয় না জানলে  কাউকেই কাজ দেওয়া যায়না। অভিষেক বচ্চনের মতো এতো ভালো অভিনেতায় বছরে কটা ছবি আর করতে পারেন,কে সুযোগ দেন উনাকে এতো ভালো একজন অভিনেতা হওয়া সর্তেও। তাই সবই যদি চান্সের ওপর হতো পৃথিবীতে তাহলে আর কিছু বলার ছিলনা।
যেটা প্রথমে দরকার একটা গাইড আর আমার বাবা যেহেতু সেই পথটা দিয়ে হেঁটেছেন তাই আমি ওই গাইডটা পেয়েছি হাতে ধরে ধরে শিখে নেওয়ার। তাই আমার মনে হয় আমার যেটুকু পাওনা সবটাই আমার মা এবং বাবার জন্য।

৬.)  open tea বায়োস্কোপ চোখ বন্ধ করে বলা যেতে পারে এটা টিনেজারদের ছবি,একটা আলাদা ইমেজ আছে।
Generation আমি কেন দেখবে লোকে?

উঃ- generation আমি দেখে ফেলেছে লোকে আর যারা এখনও দেখেননি তাদের জন্য বলি open tea বায়োস্কোপ টিনেজারদের ছবি ছিলো, একটা ফ্রেস ছবি ছিল তাই আবার অনেক বছর পরে একটা ফ্রেস ছবি হয়েছে generation আমি। generation আমি একটা খুব important প্রবলেমকে adress করে সেটা হচ্ছে over parenting এবং under parenting। over parenting বলতে বাবা মায়ের নিজের ইচ্ছে ছেলেমেয়েদের ওপর জোড় করে চাপিয়ে দেওয়া, ছেলেমেয়েদের বন্দি করে রাখা। এটা আমি প্রচুর দেখিছি এখনও হচ্ছে যারা বিয়ে করে তাদের ওপরেও এরকম প্রেসার দেওয়া হয়। এরকম লোক আছেন যারা generation আমি দেখে চুপ করে গেছেন কারণ তারা জানেন তারা নিজেরাই এটা করেছেন এবং under parenting হচ্ছে আমি এটাও দেখেছি যারা ডিভোর্স বা সেপারেটেড parents সেটা বাচ্চার মেন্টালিটিতে কতটা ডিপ্রেশন এনে দেয় তবে এই ছবিতে কোথাও দেখানো হয়নি বাবা মায়েরা ভুল আর সন্তানেরা ঠিক। এই ছবিতে বাবা মায়েদের দিকটাও জরুরি কারণ তাঁরা চায় ছেলেমেয়েদের সুস্থ ভালো ভবিষ্যত সমস্তটাই important। আমরা এই ছবিতে বলিনি  পড়াশোনা বন্ধ করে দাও, না একদমই নয় পড়াশোনাটা ভীষণ জরুরি, যদি গান করতে ইচ্ছে হয় তাহলে পড়াশোনাটাও করো গানটাও করো।কাজেই ছবিটা খুব important একটা ছবি যারা দেখননি তারা মিস করেছেন। hoichoi তে আছে ছবিটা দেখে নিন আর যারা এখনও মনে করছেন তারা দোখবেন না তারা দেখবেন না তারা নিজেরাই মিস করবেন কারণ খুব জরুরি একটা ছবি হয়েছে।

৭.)এখন অবধি তোমার পছন্দের এবং তোমার অভিনিত সেরা নাটকের নাম?

উঃ- আমি চন্দন সেনের সঙ্গে অভিনয় করি মানে আমাদের দল আশোকনগর নাট্যআনন সেখানে চন্দন সেন নাটক পরিচালনা করেন, বাবা করেন, পঞ্চানন ব্যানার্জী করেন, আমাদের ওয়ার্কশোপে অনেক কাজ হয়। আমার কাছে সব নাটকই খুব প্রিয় এবং কাছের। আমার কাছে নাটকের বক্তব্যটা জরুরি, নাটকের সংলাপটা জরুরি, নাটকের যেটা সামাজিক দায়িত্ব সেটা জরুরি তবে যদি খুব কাছের কিছু নাটক বলতে হয় তাতে আমি একটা নাম কখনই করতে পারিনা তবে আমি বলব রাজগুরু বলে একটা নাটক আমি করেছিলাম শুভানিতা গুহ'র নির্দেশনায় সেখানে আমি চন্দ্রগুপ্তের ছোটোবেলার পাঠ করেছিলাম চাঁদ। ওই নাটকটা আমাকে অভিনেতা হিসেবে অনেক কিছু শিখিয়েছে। এবং Personally  যদি বলি আমাদের দলে সমস্ত নাটকই আমার কাছের,ক্লাস থ্রীতে একটা নাটক করেছিলাম সত্যজিৎ রায় চলচিত্র অবলম্বনে হিরক রাজার দেশে সেটা আমার কাছে খুব ক্লোজ একটা নাটক, অনেক ছোটোবেলায় করেছিলাম তো তাই অনেক মেমোরিবল সমস্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে।




"যদি কারোর অভিনয় করার জন্য dadecation থাকে,honesty থাকে, passion থাকে তাহলে কেউ তাকে আটকাতে পারবেনা"


এবার দু-এক কোথায় উত্তর দাও

৮.)ঋত'র শর্টকাট

[ ঋতঃ-আমি শর্টকার্টে বিশ্বাস করিনা, সমস্তটাই লংকার্ট হতে হয় অনেক পরিশ্রম করতে হয়]

ক.) পর্ণমোচী?
উঃ-পর্ণমোচী আমার কাজ করা সেই ছবি যেখনে আমি নিজেকে ধুয়ে ফেলে একটা অন্য মানুষ হতে পেরেছিলাম,সৎ ভাবে কাজ করতে পেরেছিলাম। খুব কাছের একটা ছবি।

খ.) অনুপম রায়?
উঃ- অসম্ভব ভালো গান লেখেন। তার গানে কবিতার একটা ছাপ আছে, উনার গানের কথা শুনলে বোঝা যায় যে উনি এক্সটেনসিভলি পড়েছেন বাংলা সাহিত্য, কবিতা সমস্তটাই। উনার লেখা খুব ভালো লাগে আমার।

গ.)রাইমা সেন?
উঃ- খুব ডেডিকেটেড একজন অভিনেত্রী।


৯.) না হলেও বলতে হবে(মজা টাইপের প্রশ্ন)

★যদি বলি হিংসা হয়, কেন হয়?

ক.) উত্তম কুমার
উঃ- কারণ উনি উত্তম কুমার তাই হিংসে হয়। উত্তম কুমার উত্তম কুমার উনাকে হিংসে করে কি হবে উনি তো ভগবান।

খ.)শান্তিলাল মুখার্জি
উঃ- আমি উনার মতো শিক্ষীত হতে পারিনি যেটা হওয়া উচিত ছিল। প্রচুর শিক্ষা লোকটার কাছে।


গ.)শিলাজিৎ?
উঃ- ওরকম এনার্জি কেন নেই আমার?  খুব হিংসা হয়, অসম্ভব এনার্জেটিক।


১০.) যারা নায়ক হবার স্বপ্ন দেখে কিন্তু তাদের তিনকুলে ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ নেই, তারা তাদের স্বপ্ন কীভাবে পূরণ করবে?

উঃ- দেখো অনেক অনেক actor, actress যারা থিয়েটার বা সিনেমার কাজ করেন তাদের অনেকেরই তিনকূলে কেউ নেই industry তে তারা কিন্তু কাজ করছেন। যেরকম খুব সহজ দু-একটা example দিলে সবার বুঝতে সুবিধে হবে সেটা হচ্ছে অনির্বাণ দা বা কৌশিক দা, অঙ্কিতা মাঝি। এনারা কিন্তু নিজের অভিনয়ের ক্ষমতাতেই সবটা করেছেন। যদি কারোর অভিনয় করার জন্য dadecation থাকে,honesty থাকে, passion থাকে তাহলে কেউ তাকে আটকাতে পারবেনা।

১১.)ছোটোবেলার কোনো মজার ঘটনা স্কুল জীবনে?

উঃ- আমার পুরো স্কুল জীবনটাই মজার, ভীষণ আনন্দে কেটেছে।  একটা মজার ঘটনা আমার মনে নেই আমি অনেক কিছু করেছি আর যা করেছি এখানে বলাও যাবেনা (হালকা হেসে),মানে অনেক  দুষ্টুমি করেছি সেই সব থাক নাহয়।




অভিনেতা বেশি শান্ত। আমি খুব দূরন্ত


★ঋত'র পছন্দ কী

১. প্রিয় রঙঃ- কালো

২.প্রিয় খাবারঃ- বিরিয়ানী

৩.প্রিয় পোশাকঃ- এমনি টিশার্ট আর একটা প্যান্ট।


৪.ঋত'র চোখে চন্দ্রিল ভট্টাচার্যঃ- অসম্ভব ভালো একজন লেখক।


৫.ঋত'র কাছে অভিনেতা পরমব্রতঃ- খুবই ভালো অসাধারণ একজন অভিনেতা। আমার মনে হয় under used মানে পরমদা যতটা ভালো অভিনেতা তত বেশি তাকে use করা হয়নি এবং অসম্ভব ভালো পরিচালক একজন। আমার মনে হয় পরম দার মতো একজন যোগ্য অভিনেতাকে আরও বেশি use করা যায়।


৬.প্রিয় গান এবং সিনেমাঃ- আমার প্রিয় গান বা সিনেমা একটা একটা কোনোটাই বলতে পারিনা। প্রচুর গান শুনি, প্রচুর সিনেমা দেখি কাজেই একটা নাম বলতে পারবনা।


৭.ঋতব্রত'র কাছে সত্যজিৎ রায়ঃ- ভগবান। হ্যাঁ এটুকুই থাক।


৮.গায়ক অনিন্দ্য প্রিয় নাকি ডিরেক্টর অনিন্দ্যঃ- গায়ক অনিন্দ্য কারণ অনেক ছোটো থেকে চন্দ্রবিন্দু শুনেছি এবং ডিরেক্টর অনিন্দ্যও খুব কাছের যেহেতু প্রথম ছবি অনিন্দ্য দা করেছে তখন আমরা সবাই ছিলাম একটা ফামেলির মতো।

৯.অন্ধকার হয়ে গেছে,হয়তো লোডশেডিং, inverter কাজ করছে না। ঋতব্রত কাকে ডাকবে, মাকে নাকি বাবাকে?

উঃ- দু'জনকেই ডাকব। এই একটা comparison আমি করতে পারিনা মা না বাবা৷ আমার কাছে দু'জনেই একই রকম important।

১০.)অভিনেতা ঋতব্রত ভালো ছেলে নাকি অভিনেতা সরিয়ে রেখে যদি বলি শুধু ঋতব্রত মুখার্জি, সে ভালো ছেলে? মানে কে বেশি শান্তশিষ্ট এটাই জানতে চাইছি।


উঃ- অভিনেতা বেশি শান্ত। আমি খুব দূরন্ত।




        ======================

[অভিনেতা ঋতব্রত'র সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জলফড়িং'র ইভেন্ট ম্যানেজার সুদীপ্ত সেন]