নিজের লেখা কবিতা, নিবন্ধ, গল্প পাঠান হোয়াটসঅ্যাপ করে 7384324180 এই নম্বরে
কবি জয়ীতা চ্যাটার্জী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবি জয়ীতা চ্যাটার্জী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২০ মে, ২০১৯

গন্তব্য:
জয়ীতা চ্যাটার্জী


আজ বুঝি পেয়ে গেছি পথ, ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি শুরুর দিকে, এগিয়ে যাচ্ছি উৎস শেকড়ে।
দুপাশে ভাবলেশহীন কাঁটার পাহাড়, রাত বাড়লে মনে হয় যেন কালো একটা রাস্তা ঢুকে যাচ্ছে আমারই ভেতরে।
আমার আগে ছুটে যাচ্ছে কালো স্যুট পরা বিশালাকার গর্জনশীল শরীর,
আমিও সেই বিকট প্রবাহকে জড়োসড়ো পায়ে অনুসরণ করে চলেছি, হিম দৃষ্টি পথেই স্হবির।
উথলে উঠছে ব্যথার রাত, উদ্ধত দাঁড়িয়ে আছে অসচ্ছ নিষ্ঠুর কটূ হাসি।
এ এক শূন্যতলের ঘেরাটোপ, দৌড়োতে দৌড়োতে পুড়ে যাচ্ছি দূর থেকে আমি।
একই বেশে একই চেহারায় দাঁড়িয়ে থাকে পথ, থমকে থাকে কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত।
নিঃশব্দে দাঁড়ানো সারি সারি রাস্তার একটি ধরে হাঁটতে থাকি আত্মহারা, হাঁটতে থাকি উৎস থেকে আমার গন্তব্য।

শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৯

শীতকাল:
জয়ীতা চ্যাটার্জী

জানি তুমি জানো নি জানে নি তোমার মন
কখন ছায়াপথ থেকে তুলে নেয় ধ্রুবতারা,
মুছে দেয় অবসন্ন ক্ষন।
তোমার শীতল জাপটে ধরা নেয় না শরীর স্নায়ু।
তুলে নিতে নিতে বুকের রাজ্য, নিশ্বাসে কমে বায়ু।
অমন হিমেল কাতর চুমু অবশ ঠোঁটেই  ঝরায় রক্তপাত,
তোমার গায়ের গন্ধ মাখে রাতের মায়া অমানিশার জাল।
কনকনে হাতের ছোঁয়ায় তোমার ,
আঙুল হারায় সহ্য বোধ।
অমর মেঘলোকে বিছিয়ে রাখা দুটি চোখ
আর পৃথিবীর কাছে আদরের ঋণ শোধ।
তোমার এমন ঠান্ডা শরীর রক্তে মাংসে মরণ ডেকে আনে।
পদ চিহ্নগুলো বুকে তোলা থাকে
 দেহ মরে গেলেও মিশে যাই
তোমার নিঃশ্বাসে আর ঘ্রাণে।
তোমার বরফ নিঃশ্বাস ছুঁয়েছে
গলা, বুক, পিঠ আজীবন ইচ্ছামতো।
দূর থেকে যতই দূরে চলে যাই
তোমার প্রশ্বাস জুড়ে আমার চিহ্ন অবিরত।।

বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৯

শিখা:
জয়ীতা চ্যাটার্জী
দুঃখ পেলেই তুমি ঢুকে আসো আমার ভিতর,
 সমুদ্রের মতো ফিরিয়ে দিতে পারিনি লাশ,
তাই বুক পেতে আছি চিরতরে, তোমায় পাবো বলে তোমারই বিনিময়ে।
পিছনে জলছে দাউ দাউ করে অভ্রান্ত বেলা,
ভাঙাচোরা তুমি ঢুকে আসো,
দু হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরো আমি!
 তখন বুকের ভিতর সম্ভবনাময় শিখা
 জীর্ণ নক্ষত্রের চেয়ে দামি।
 যে সন্ধ্যেতে জং ধরেছে অনেক পথ হাঁটা,
 সেই আধখানা জীবনের সবটুকু নিংড়ে
 পরস্পরের দিকে নিঃশেষ চেয়ে থাকা।
বুকের পথ ধরে ছুটতে ছুটতে
বেড়িয়ে আসে অশরীরী আগুন।
স্হির মানে মৃত্যু এ কথা জেনে,
 পুড়তে পুড়তে ছাই হতে হতে।।

শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৯

শিখা:
জয়ীতা চ্যাটার্জী
দুঃখ পেলেই তুমি ঢুকে আসো আমার ভিতর,
 সমুদ্রের মতো ফিরিয়ে দিতে পারিনি লাশ,
তাই বুক পেতে আছি চিরতরে, তোমায় পাবো বলে তোমারই বিনিময়ে।
পিছনে জলছে দাউ দাউ করে অভ্রান্ত বেলা,
ভাঙাচোরা তুমি ঢুকে আসো,
দু হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরো আমি!
 তখন বুকের ভিতর সম্ভবনাময় শিখা
 জীর্ণ নক্ষত্রের চেয়ে দামি।
 যে সন্ধ্যেতে জং ধরেছে অনেক পথ হাঁটা,
 সেই আধখানা জীবনের সবটুকু নিংড়ে
 পরস্পরের দিকে নিঃশেষ চেয়ে থাকা।
বুকের পথ ধরে ছুটতে ছুটতে
বেড়িয়ে আসে অশরীরী আগুন।
স্হির মানে মৃত্যু এ কথা জেনে,
 পুড়তে পুড়তে ছাই হতে হতে।।

বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৯


লোভ:
জয়ীতা চ্যাটার্জী

খাঁটি সোনা দিয়ে নাকি গয়না হয়না, তাই গয়না হওয়ার লোভে রক্তে মেশালাম কিছু খাদ।
নিজের অলঙ্কারে অলঙ্কৃত করবো অন্যদের এই ছিল জীবনের সাধ।
আয়োজন শুরু হল মূল্যহীন থেকে মূল্যবান হয়ে ওঠার, জানা ছিল না কতটা অনুপাত।
যেমন বসন্তে বর্ষা মিশে গেলে হারিয়ে যায় প্রেম,
তেমনি সস্তা আবর্জনা মিশতে মিশতে পরে রইল শুধু খাদ।
দাঁড়িয়ে ছিলাম সোজা অক্ষরের মতো,
 নিমেষে তাকিয়ে দেখি পাল্টেছে শব্দের মানে।
পায়ের তলায় থেকে সরে গেছে হসন্ত
 এখন আর চিনতে পারি না নিজেকে ,
না পারে চিনতে ওরা আমাকে।
তবু তো রক্ত আজও লাল কৃষ্ণচূড়ার রঙে,
মানুষ হয়েই বেঁচে আছি নকল পোশাকের ঢঙে।
মূল্যবান হওয়ার ছলে অমূল্য হওয়া হল না।
তোমার হিংস্র বিশ্বাসকে বাঁচিয়ে রাখি,
 মানুষ আমায় বলো না।।

সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৯

Google issue


লেখিকা জয়ীতা চ্যাটার্জী'র জন্ম শ্যামনগর, উত্তর ২৪পরগনা জেলায়, বাবা শ্যামাপ্রসাদ চ্যাটার্জী, চাকুরীজীবি।  স্কুল শ্যামনগর বালিকা বিদ্যালয়, কলেজ ভিক্টোরিয়া ইন্সটিটিউশান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক।
 রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন এরপর আন্নামালাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ব্যচেলার ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।