নিজের লেখা কবিতা, নিবন্ধ, গল্প পাঠান হোয়াটসঅ্যাপ করে 7384324180 এই নম্বরে
আকস্মিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আকস্মিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৫ জুন, ২০১৯



তোকে ছাড়া

সায়ন দাস
ইতিহাস ও বাংলার ছাত্র

এখন মনে পড়ছে সেই তোর হাসি মাখা মিষ্টি মুখ
 অপেক্ষায় আছি তোর উদ্যম মুখে সেই মন মাতানো সুখ।
এখন মনে পড়ছে তোর সেই তোর হাসি মুখ
নীল জামার ছবিটায়, 
এখন খুঁজছি তোর অবচেতন মনের সেই বার্তা-
এখন ভাবছি তোর সেই বার্তার মধ্যে কথা।
তোর চুপ থাকায়, স্মৃতিগুলো পাগল করে দেয়।
এখন দেখছি ফুলে ফুলে প্রজাপ্রতির মত দেখি তোর চলাফেরা,
ভ্রমর হয়ে মন তোর খুঁজছি দিশেহারা।
এখন ভাবছি তোর ফিরি কালো কেশির মিষ্টি চোখের ভাষা।
এখন স্বপ্নে আমার ঘরে তোর যাওয়া আসা।
তোর হাসি মুখ আমায় বোঝায় না, নিশ্চুপ থাকা-
বোঝাতে চাইছি মনকে, তবু মন বুঝছে না, তোর নিশ্চুপ থাকা।
তাই নীরবে ঝরে অশ্রু মানে না কোন বাঁধা।
এখন হন্য  হয়ে বসে আছি তোর বার্তার অপেক্ষায়।
হয়তো। হঠাৎ নিভে যাবে, হঠাৎ জ্বলে উঠা প্রেমের রঙ্গিন বাতি।
হবেই বা না কেন, আমি আজও বলতে পারিনি যে- 
আমি শুধু তোকে ই ভালবাসি।
কি করি ভালবাসি বললে, যদি না থাক, সেও বলতে পারছি না যে... 
এখন উল্টিয়ে দেখছি ক্ষুদ্র জীবনের সব গুলোপাতা স্মৃতি, হয়তো সারাজীবন না বলা স্মৃতিই ভেবে যেতে হবে।
তোকে নিয়ে লেখা হয়ে গেল শত কবিতা।
এখনও তোকে নিয়ে লিখছি যত 
আধো মরা তোকে ছাড়া খুঁজে বেড়ায় প্রাণ।
দেখি কতদিন ভেবে যেতে পারি, এখন ভাবছি কবিতা নয়, এবার থেকে লিখব আরো রো গান।।

বিষয়--বৈপ্লবিক দামামা**
এ কোন স্বরাজ****
মোনালিসা নায়েক***
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য উদযাপন করলেই কি
তাঁদের উদ্দেশ্য স্বার্থক হবে? 
ঐতিহাসিকের পাতায় শুধু বেঁচে আছে রক্তবিন্দুর প্রতিদান,

জীবনবোধের আলো তো এখন ও অন্ধকারে,
বিবাদের আবাদে দেশ মেতেছে সন্ত্রাসে!
আত্মমগ্ন ভোগবিলাসী সমাজে অরাজকতার ঢেউ,
মেধাবী কৌশলে সভ্যতায় নগ্নতার প্রকাশ;
এসব দেখে অবাক লাগে
নিছক -ই ঘটা উদযাপনের,
তাঁদের স্বপ্নে দেশবাসীর মিথ্যে পণ,
দীপ্ত প্রদীপ শিখা লালসার আগুনের আঁচ-
মহত্ব হারিয়ে টিকে আছে খান্ডবদহন,
সর্বহারা মানুষের স্বাধীনতা বৈষম্যের পাতায়!
সমাজ কি দিতে পেরেছে ভালোথাকার অধিকার?
এইভাবে কি শ্রেষ্ঠ জাতির শিরোপা রক্ষা হয়?
মোনালিসা নায়েক।
আরামবাগ।
হুগলী।
পশ্চিমবাংলা।
ফোন-৯৬৪৭৫৫৭৪০৯।

রবিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৮

সুবোধ সংখ্যা

         




"২০ বছর ধরে ওই ফোন বেজে চলেছে, আরো কুড়ি বছর বাজবে"
                 -----সুবোধ সরকার
🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻🌻
🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼

সম্পাদকীয়,

কাশের দুলনি মেখে শরৎ কাটিয়ে হেমন্তের এই দিনটিতে (২৮ শে অক্টোবর) যার প্রাণ ফুটেছিল কোনো এক মায়ের কোলে আর আনন্দে উল্লসিত কোনো এক পিতার চোখ তাকিয়ে দেখেছিল তার নবজাতককে। সেদিন সেই পিতা-মাতা কি জানত তারা একটা তারার জন্ম দিয়েছেন!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
            ৷ সুবোধ সূচীতে থাকলো যারা |
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
          | কবি |________________| কবিতা |

১.) সুনন্দ মন্ডল ----------------------দ্যোতনা
             
২.) চঞ্চল ভট্টাচার্য-------------কলমের জন্মদিন

৩.) অরূপ মাহাত-------------------ইচ্ছে-নীড়

৪.) পাখি পাল----------------------তুমি দীপ্তি

৫.) বৈশাখী গোস্বামী----------------কবির বয়স

৬.) অমিতাভ দাস-------------------বারুদ

৭.) সুদাম কৃষ্ণ মন্ডল-----------তুমি রবে গৌরবে


==================================
                       এবার কবিতায়
==================================

১.)
    ৷ দ্যোতনা |
              সুনন্দ মন্ডল

ষাটের সুবোধ ----     নতুন গতি
      স্বর্ণালী পটে জ্যোৎস্না
      ‎          প্রাণ ঝংকার স্নিগ্ধ জ্যোতি
      ‎                    প্রেরণার দ্যোতনা।

কালের চাকা ----   অবাধ নিরন্তর
           ঝড় তুফানের হাজার রিল
      ‎              শক্ত জীবন গড়তে আতর
      ‎                        গন্ধ ছড়ায় অন্ত্যমিল।

সুবোধ তুমি মুক্ত বায়ু আকাশের বুকে বিচরণ
সবুজ সেলাম কপাল ঘামে মিশলো আবরণ।
                   

২.)
| "কলমের জন্মদিন" |
----------চঞ্চল ভট্টাচার্য

তুমি কলম দিয়ে বইয়ের পাতায় সন্ধ্যা আঁকো,
তুমি কলম দিয়ে কবিতার
 কাছে জ্যোৎস্না  রাখো।

তুমি কলম দিয়ে সূর্য সমান
সুবোধ জাগাও পাঠক মনে,

তোমার কলম রত্ন হবে
যত্ন নিয়ে ঈশান কোণে।

তোমার কলম ভীষণ রকম
 আবেগ জাগাই সবুজ বনেও,

তোমার কলম অটুট থাকুক
ভীষণ রকম জন্মদিনেও।

৩.)
ইচ্ছে-নীড়
------অরূপ মাহাত

ইচ্ছে ছিল লিখব অনেক
মনের কথা জুড়ে,
স্বপ্নগুলো রাখব আড়াল
সযত্নে সব মুড়ে।

জ্যোৎস্না মাখা সন্ধ্যে বেলায়
তোমার হাতে হাত,
প্রেমিক যত জোনাক পোকা
খুঁজতে বেরোয় রাত।

তোমার বুকে আমার মাথা
তখন সময় ধীর,
লেখার কথা আজকে থাক
বাঁধব চলো নীড়।

৪.)
তুমি দীপ্তি
--------পাখি পাল

তুমি দীপ্তি তুমি আলো
তুমি প্রজ্জ্বলিত শিখা
তোমার সৃষ্টি তোমার বর্ণে
আঁকছে সহস্র রেখা

তোমার সৃজন তোমার শিল্প
গঠন করো তুমি
মায়ার জগতে তোমার প্রকাশ
অনেক অনেক দামি

তোমার হস্তে জ্বলছে দীপ
দূর হচ্ছে কালো
শত শত মনের আঁধার
পাচ্ছে দিশার আলো।।
                 
৫.)
কবির বয়স
-----------বৈশাখী গোস্বামী

কবিরও বয়স বাড়ে...
কবিতা লেখা হয় শুধুই কি অক্ষরে?
আবেগে 'আ'কারে কবিতা গড়ে,
অভিজ্ঞতায় কি আর  কবি কলম ধরে?

কবির চুলে রূপোলী ছোঁয়া...
প্রেয়সী! কেবলই হয়তো মায়া।
বয়স গোনা যায় সংখ্যাই
আর কবি চেনা যায় ভাষায়।

কবিরও নাকি সময় কমে!
অক্ষরে তার সংখ্যা জমে।
কবি চেনা যায়--- শুধুই শব্দ-শ্রমে।
কবির কি কেউ বয়স গোনে?


৬.)
   বারুদ
------------অমিতাভ দাস

এখন উঠোন দিচ্ছে ধুয়ে খরস্রোতা রক্তনদী
নিরুদ্দেশে জবাবদিহি সময় জুড়ে কিন্তু...যদি...
যাচ্ছে কেঁপে বুকের দেয়াল মৃত্যু বাজির বিস্ফোরনে
ভয়গুলো সব বারুদ সেজে জমতে থাকে মনের কোনে।

রোদ্দুরেরা বন্দী এখন অশনি এক মেঘের জেলে
হারিয়ে গেছে দস্যি মেয়ে হারিয়ে গেছে দস্যি ছেলে
হারিয়ে ফেলা মনের সাহস খুঁজতে গিয়ে আঁধার ঘেরে
যে যায় সে যায় আর কোনোদিন হারিয়ে ফেলা ঘরে ফেরে??

কোথাও নারী কোথাও শিশু কোথাও দেখা স্বপ্নগুলো
দানব থাবা গুঁড়িয়ে দিল ছড়িয়ে দিল পথের ধূলো
সেসব ধূলো জমাট বেঁধে জন্মনিল একটা ছবি
বিদ্রোহ আর প্রেমের ক্ষনে জন্মনিল বারুদ কবি।

৭.)
  তুমি রবে গৌরবে
---------------সুদাম কৃষ্ণ মন্ডল

শুভ হউক জন্ম বার
শুভেচ্ছা নিন আপনজনার
হাজার বছর আয়ু আপনার
বছর আসুক বার বার

লাল কুমুদ সোনার আলো
উদয রাগের আভাগুলো
পডুক মাথায় আশীষ ঝরে
সৃষ্টি মুখর মুক্তো হীরে


শিশুর মতো সরল থাকুন
সুস্থ সুন্দর সত্য বুঝুন
রঙিন গোলাপ হাতে দিলাম
স্বার্থক জীবন লহ প্রণাম





















বুধবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৮

(আকস্মিক জলফড়িং)

তর্কাতর্কির বুকে ইতিহাস হাঁটে প্রবীণ জলোচ্ছ্বাসে আবারও বাহাওরে ভুলে সব জাতি অজস্র দাড়ি টিকি ধারী মেলে কিছু বংশতিলক ফিরে দেখা মন্দির ভগ্ন বশেষ চল তিরঙ্গা মেলি মরচে ধরা খাচার পাখিরা আজ স্বাধীন হতে চাইছে 
                                                                              জয়দীপ রায় 
                                                                                সম্পাদক 
                                                                       (আকস্মিক জলফড়িং)


Download Now        


  

       


পুজো সংখ্যায় চোখ রাখুন আসছে

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১৮

জুলাই-র

================================
|                      আকস্মিক সংখ্যা       
                                                                   |
================================
সম্পাদকীয়,

       জলফড়িং-র আকস্মিক সংখ্যা "মাঝির নৌকো" আর সেই নিয়েই কলম ধরলেন যে সমস্ত কবিরা তাদের অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

মাঝির নৌকো অনেক কিছু মেখে নেয় প্রতিটা দিন, মাঝে মাঝে মেখে নেয় বিকেলের ঝোড়ও বা সমুদ্রজল তাকে কোনো দিন ডুবিয়েও দিতে পারে একথা সে( মাঝি+নৌকো) জানে কিন্তু তবুও প্রতিদিন যেতে হয় তাকে আর কুড়িয়ে আনে দিনের স্মৃতি। এ এক বিশাল জীবন যুদ্ধ আর কবিতা গুলি এখানে তারই বিজয় মালা বা তারই গল্প বলবে। আর কিছু বলবো না, বাকিটা আপনারাই বলবেন।

বলে রাখি এই সংখ্যা থেকে আমাদের প্রিন্টেডের জন্য মনোনীত হবে সেরা একখানা লেখা আগের আকস্মিকে মনোনীত হয়েছিল পলি ব্যানার্জির লেখা। চোখ রাখুন এবারের জন্য জলফড়িং-র তক্তাপোশে( আমাদের ফেসবুক গ্রুপ)......



                     | পড়ে নাও পাঠক গণ |


         <-<-<-<-<-<-<-<-<-<-<-<
================================
১.
  কৃষ্ণা নদী
        স্নেহা সরকার

খেয়া তরী বইতে জানে একশো ছায়াপথে,
তারায় তারায় আলোয় গায়ে মেঘের চেনা রথে।
জোয়ার ভাটায় আদুল গায়ে দস্যি ছেলের ডুব।
নদীর তীরে গ্রাম্য পাড়ায় শান্ত পাহাড় চুপ।
রাতের কপাট মুক্ত হলে ভোরের সবুজ ছায়,
মাঝি তখন বৈঠা টানে অনেক দূরের গাঁয়।
কত মানুষ যাত্রী হয় মাঝির মুখ চেনা।
কখনো তারা ঘুরতে আসে কখনো বেঁচা কেনা।
কখনো আবার তরী বেয়ে প্রেমিক দুটি মন,
কৃষ্ণা নদী বেয়ে আনে মেঘের সম্ভাষন।
ঝড়ের রাতে মৃত্যু ডাকে উথাল পাতাল ঢেউ।
মাঝি একাই ঘরে ফেরে সাহস দেয় না কেউ।
এই ভাবে ঠিক দিন চলে যায় খেয়া তরী বেয়ে।
মাঝি, সেতো পুরুষ নয় সেই কৃষ্ণা নামের মেয়ে।।
                             | পড়ে নাও পাঠক গণ |
================================
২.)
    জীবন-নৌকা'

নোঙ্গর বাঁধা নৌকাখানি
              মাঝি বিনা ই ভাসে
নিয়ম বাঁধা ছকের জীবন
               স্বাধীনতায় হাসে
জোয়ার-ভাটায় নৌকা দোলে
               লাগে কাছীতে টান
জীবনও চলে ওঠা-পড়ায়
               তবু থাকে অভিমান
মাঝি ছাড়া নৌকা যেমন
                ভাসে দিশাহীন
বেনিয়োমের জীবন তেমন
                 ভাসবে ছন্দহীন ।।
                       
                             | পড়ে নাও পাঠক গণ |
================================
৩.)
গানের হিসাব
         ( সায়ন্তনী হোড় )

ভেসে যাওয়া স্রোতের বুকে
আজ একমুঠো শ্যাওলাকে বন্দি করে রাখি।

মাঝিদের রসালো শব্দের
ঠেলায় নৌকা বয়ে চলে দূর দূরান্তে
কিছুটা জলের থেকে ধার
করা কষ্টকে মিশিয়ে নেয় সারাদিনের শ্রমের সাথে।

টুকরো করা আহ্লাদ পড়ে থাকে
নৌকার এক কোণে
সবটুকু ই যেন মাঝির অপ্রাপ্তির হিসাব মেটায় ।

                                  | পড়ে নাও পাঠক গণ |
================================
৪.)
  নৌকোর আর্তনাদ:
             সুস্মিতা।

নদীর থই থই জলে পড়ে নৌকা দোল খাই
ও পরানের মাঝি তুই কোথায়!
সোনালি-রূপোলি মাছের আত্মা জল থেকে উঠে আসে
নৌকৌ সখী গেলি কার বাড়ি,পীরিতের ঘরে
গহীন জলে কাটা ফোটাই মাছের দেহ
তুই কি জানতি না জলের স্রোতে
উতলা হয় পিরীতের আলগা শরীর
তুই কি জানতি না নদীর আছে
নানা কলা,নগ্নতার মগ্নকলা
নৌকোর গায়ের খুলে নিয়ে কাঠ ডুবোয়- চোবায়
পিরীতের কোন ঘাটে শেষে নৌকা টি ভেসে যায়
কই গেলি কালা মাঝি শাপলা হানাহানি করে
জলে মাছের লাফ জলে আগুন ধরায়
জলে বান্ধা আছে দেহ, চারদিকে নাচে ঢেউ
নৌকা দোলে শূন্য জলে। ও পরানের মাঝি ফিরে আয় তোর নৌকার তরে।

                                | পড়ে নাও পাঠক গণ |
================================
৫.)
  [মাঝির নৌকো]
         সুজাতা পাল

ও মাঝি, নও যে তুমি শুধু
আমার পার করিবার মাঝি,
জীবন যুদ্ধে বড্ড ক্লান্ত আমি, তাই আমি শরণাপন্ন তোমার নিকট আজি।

আমার হলুদ বরন গা,
আমার কোমল হৃদয়, আমার যৌবন,
আমার রেশমী চুল,
সবই যে আজ বিপদাপন্ন,
যদি হয়ে যায় বড় কোন ভুল।

তোমার নৌকো আজ আমার আশ্রয়
আর তুমি আমার জীবন মাঝি,
দেরী যে আর সয়না গো,
পাল তুলে দাও, যাতে পরানে বাঁচি।

কথায় বলে, হরিণ হরিণের শত্রু
তেমনি আমার সৌন্দর্য, আমার কৌমারিত্ব
আজ আমার সর্বনাশের কারণ,
তাই মাঝি তোমার নৌকায় করলাম আজকে আত্মসমর্পণ,
তুমি যেথা ইচ্ছা সেথায় যাও
তবে আমারে উদ্ধার কইরা দাও।
           
                             | পড়ে নাও পাঠক গণ |
================================
৬.)
মাঝির নৌকা


এদিক ওদিক বইতে থাকি
হালের টানে টানে

তোমার দিকে  চেয়ে থাকি রোজ
তুমি,ফের না মোর পানে।


রোজ দেখি তুমি স্রোতের টানে
ভেসে চল হেথা হোথা।

কখনো কেন জানতে  না চাও
আমি যেতে চাই কোথা।



তোমার সাথি মাঝ নদীতে
তোমার পালেতে টান।

আমি জলস্রোতের ছন্দে
গাই মন ভালো করা গান।



সাঁঝের বেলা টিমটিমে আলোয়
ক্লান্ত তুমি হায়

মন থাকে তোমা বাড়ি মুখো হয়ে
ফিরতে যে মন চায়।



আজও চলে যাও আবার না বলে
জানি,কাল আসবে ফিরে,

প্রতি রাত কাটে দিনের অপেক্ষায়।
ধীরে ধীরে,রোজ একটু করে যে,
আমার দিন ঘনিয়ে যায়।


সাথী তুমি,
ফিরে এসো যত তাড়াতাড়ি হয়,
ঢিঙি বাধা ফাঁস আজ যে বড় আলগা মনে হয়।

                            | পড়ে নাও পাঠক গণ |
================================
৭.)
    জীবনডিঙি
              রিয়া

আমি জীবননদীতে ডিঙা ভাসাই,
মনন পানসি বেয়ে এগিয়ে চলি সময়ের সন্ধানে....
জটিল চর্যাপদ পুঁথিতে হাতড়াই আবেগ,
পাইনা; স্তব্ধ হই---
থমকে গিয়ে চেয়ে থাকি নভোনীল প্রান্তে,
যেখানে অন্ধকার ক্যানভাসে---
জেগে থাকে লক্ষ তারা, মুক্তোবৎ;
হাজার আলোকবর্ষ বেয়ে কালের ছায়াপথে ভাসে.....
অজানা গ্রহাণুপুঞ্জের সঙ্গে করে আত্মসন্ধি---
ফের হেঁটে যায় ব্লাকহোল বেয়ে অন্তিমে।
কুয়াশার বিন্দুতে লেগে থাকা স্ফটিকজল---
পবিত্র প্রেমের আশনাই ভরা মনন আবেগ,
ডাইরির পাতায় লুকিয়ে রাখা;
শুকনো গোলাপের ন্যায় মহার্ঘ্য....
অতীত আঁকড়ে বাঁচা কিছু অন্তিম অনুভব।
পানসি ভেসে চলে মাঝগঙ্গায়---
কম্পাসের ভুল নিশানে ব্যার্থ হয় দিক,
দিন রাতের হিসেব ফুরিয়েছে কবেই....
চরৈবেতি নিত্য ঠিকানা অলিক।।
         
                                   | পড়ে নাও পাঠক গণ |
================================
৮.)
স্পর্শকাতর মেঘ ।
        -@সৌমিতা দেব
মেঘ করে এলো মুষলধারে, চেনা নম্বর বদলে গিয়েছে আগেই।
অসাবধানে ফোন কাটি, এখন আর কান্না আসেনা।
তবু পায়ের নীচে বহুদিন, লুকিয়েছি ফাটা মাটি ।

আমাদের সবটাই মিছিমিছি ছিলো, তবু টান ছিলো ভালবাসার।
নিজেরাই ভেঙেছি নিজেদের সে দিন, পাছে দোষ দেয় লোকে পরকীয়ার...।

এখন অসুখ ছাদ গড়িয়ে নামে, একটা জখম অনেক কাব্যে লেখায়।
এক ফোঁটা জল চিবুক অবধি নেমে, তারপর যেন হারিয়ে গেলো কোথায় ?

আর নেই তাঁকে না দেখতে পাওয়ার ভয়, তবুও জমেছে ভীষণ রকম টান।
নৌকো ভাসিয়ে মাঝিকে দেখেছো কখনো ?
ভুলেছে সে তাঁর নৌকারই গান..।

জীবনের নৌকো বড় অভিমানী, হাত ছেড়ে গেলে ফেরানো যায়না আর ,
মাঝির নৌকো তাও ভাল,
দিনান্তের কান্না চেপে মাঝির কাছেই ফেরে সহস্রবার।

                              | পড়ে নাও পাঠক গণ |
================================
৯.)
  ______মাঝির নৌকা
                    সুনন্দ মন্ডল

মাঝির নৌকা ভিড়ল ঘাটে
সন্ধ্যা হয় হয়!
চাঁদ নেমেছে নদীর তীরে
দূর হটেছে ভয়।

এপার থেকে ওপার মুখো
ওপার থেকে ফেরা।
যাত্রী নামে নোঙরে নৌকা
শ্মশান ঘাটে মড়া।

শোক নেমেছে ওদের বুকে
মাঝির ট্যাঁকে সুখ।
সেই ছেলেটা কবেই মরে
দিল কেবল দুখ।

দুঃখ নিয়ে পারাপারেই
খবর আনে মন।
দুই পারের কান্না বাঁধে
সুতোয় জাগে ক্ষণ।

মিলন করে মানুষেরই
তৃপ্তি আসে তাঁর।
দুখ সকল ক্ষনিকেরই
শোক মেনেছে হার।

                              | পড়ে নাও পাঠক গণ |
==============================      
১০.)    

   মাঝির নৌকো
      ---------------সুদীপ্ত সেন

ফেরির ঘাটে শুকনো কিছু পাতার
কুটো
একটু দূরে সূর্য ডোবার সময় আছে
তাই এখনও গঙ্গা পাড়ে নৌকো দুটো,
অল্প বয়স মাঝির ছেলে বাবার কাছে।

হালকা ডেকে ফিরছে বাড়ি শঙ্খচিলে
তাদের যাওয়া মাঝির ছেলে তাকিয়ে দেখে
এবার এখন  সূর্য ডুবে গঙ্গা জলে,
মাঝির ছেলে বায়না ধরে দেখবে মাকে।

দূরের দেশের নৌকো এবার ফিরবে ঘাটে
অনেক রকম স্মৃতির আঁচড় নৌকো নিল।
বিনিময়ের নিয়ম মেখে সূর্য পাটে,
ফিরল ফেরি নৌকো যেমন ফেরির ছিল।

                            | পড়ে নাও পাঠক গণ |
===============================
   
         

শনিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৮

নির্জনে একলা

" একলা ঘরে "

আমি আমার একলা ঘরে
একাই কাটাই রোজ....
রোজের অফিস, ঘরে ফেরা
কেউ নেয় না খোঁজ....
কাজের নামে ব্যস্ত থাকি
মিথ্যে অজুহাতে....
কখনওবা অলসভাবেই প্রহর কাটে
নরম বিছানাতে....
সময় পেলে জানালা ধারে
দাঁড়াই দুচোখ খুলে....
যতদূর দেখি ঝাপসা লাগে
বাস্তব যাই ভুলে....
সুখের খোঁজে উদাসী মন
ঘরের কোন-ই খোঁজে....
মনের ঘরে একলা আমি
আমার ঘর-ই বোঝে....।।
                           
নাম- পাখি পাল

ঠিকানা--(গ্রাম-মির্জাপুর, জেলা-হাওড়া, রাজ্য-পশ্চিমবঙ্গ, দেশ-ভারতবর্ষ)

নির্জনে একলা২




একলা সময়
পূজা ব‍্যানার্জ্জী

‌আঠারোটা সিঁড়ি ভেঙে সবুজ
রঙের বন্ধ দরজার চাবির
মালিক আমি।
রঙচটা পাপোশ পেরোলেই
আমার সাজানো একলা ঘর।


অফিস ফেরার পরের
সময় কাটানোর একমাত্র জায়গা হল লোহার রেলিং ঘেরা এই ব্যালকনি।


চিনি কম চা -এর কাপে
চুমুক দিতে দিতে আনমনে
বিস্কুটের অর্ধেকটা চা-এ
মিশে কেমন একটা বেস্বাদ
করে দিলো পুরো ব্যাপারটা।
একলা চেয়ারে একলা আমি সাথে একলা কাপে হাফ বিস্কুট।
এখানে বসে থাকলে বাড়ির বড় টকটকে লাল রঙের মেঝের কথা বড্ড মনে পড়ে।


মাঠের ওপাশের কোয়াটারগুলোকে
দেখলেই,বড় আপন লাগে।
ঐ একলা হলুদে সবুজে
কোয়াটারগুলো আমার মতোই
কেমন যেন সঙ্গহারা।


সামনের কিছু কোয়াটারের
জানলা বেয়ে তার ছায়া গিয়ে পড়েছে
নিচের পিচে রাস্তার উপর।
চারিদিকে অন্ধকার।
টিমটিমে কয়েকটা
ল্যাম্পপোস্ট একা একা
দাঁড়িয়ে।ওদিকের ঐ
ঝোপগাছটা আজ কেটে
ফেলে ফাঁকা করে দিয়েছে।
পাশের আম গাছ আজ থেকে একা।

হারমোনিয়ামের উপরের কয়েকটা সুর হালকা হয়ে ভেসে আসছে,দূরের কোনো বাড়ি থেকে।
সারাদিনের পর একা থাকাটা যেন
বড়ই শান্ত,বড়ই চুপচাপ।
আজকাল তো ঘড়ির কা‍ঁটা নড়ার
শব্দ স্প‌ষ্ট শুনতে পাই।

রোজই ভাবি আবার
লেখালিখি শুরু করব।
বাড়ি থেকে আসার সময় ট্রলিতে
মনে করে লেখার ডাইরিটা নিয়েও এসেছি।ছ'মাস হয়ে গেল ওটা কাবার্ডেই রয়েছে,হাত পড়েনি।

প্রতিদিনের হিসেবী জীবনে
ভাবনায় ভর দেবার
সাহস এবার জুগিয়ে ফেলতেই হবে।

দুদিক-চাপা ইঁটের সারিতে
একা একা দমবন্ধ হয়ে আসে।
খোলা বাতাসে দুহাতে
মনখুলে বাঁচতে চাই।
বাঁচতে চাই।


ঠিকানা:-

ভদ্রেশ্বর