নিজের লেখা কবিতা, নিবন্ধ, গল্প পাঠান হোয়াটসঅ্যাপ করে 7384324180 এই নম্বরে

সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৯

Google issue


কবি বিকাশ দাসের (বিল্টু ) জন্ম কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা মহকুমার প্রান্তিক গ্রামে বোচাগাড়ীতে ৩'রা এপ্রিল ১৯৯৪ সালে।
পিতা স্বর্গীয় নরেশ চন্দ্র দাস, মাতা প্রিয়বালা দাস।
শিবপুর হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক ২০০৯ সালে, উচ্চমাধ্যমিক মাথাভাঙ্গা হাই স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ২০১১ সালে  ।আর্থিক অনটনের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং এ চান্স পাওয়া সত্ত্বেও মাথাভাঙ্গা কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতক ২০১৪ সালে।কবির লেখা লেখির অনুপ্রেরণা বাস্তবকে দেখে নিজের প্রতি উপলব্ধি হয়ে। এখন গৃহ শিক্ষকতার সাথে  যুক্ত । এর সাথে নিয়মিত অনলাইন অফলাইন পত্র পত্রিকায় লেখা লেখি এবং মানসাই নিউজের "সাহিত্য বিভাগের "সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি ।

যোগাযোগ:

নাম :বিকাশ দাস (বিল্টু )
গ্রাম :বোচাগাড়ী
পো :শিবপুর
থানা :মাথাভাঙ্গা
জেলা :কোচবিহার
পিন :736172
মোবাইল :7478971395
ইমেইল :biltu03041994@gmail.com

Google issue


কবি মৌসুমী ভৌমিক জন্মগ্রহণ করেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সাফানগর গ্রামে। ছোটবেলা থেকে সাহিত্যানুরাগী । কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন বাংলার বাইরে সিকিমে থাকলেও বাংলাভাষাকে মনে প্রাণে ভালবাসেন। সেই টানে অবসর সময়ে লেখালেখির প্রয়াস।
একক কাব্যগ্রন্থ - 'যাপন'।
পকেটবুক - "শব্দপিঁড়ি", " বৃষ্টির জলছাপ"
সানন্দা এবং আরও কয়েকটি পত্রিকায়  লেখা প্রকাশিত হয়েছে।
এছাড়াও কয়েকটি যৌথ কাব্য গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। 



Google issue



লেখিকা সুমি সাহা জন্মেছেন উত্তরবঙ্গের প্রান্তিক জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট শহরে (১১ই জানুয়ারি,১৯৯৪)। বর্তমানে থাকেন মালদহে। মূলত কবিতার মাধ্যমে লেখার হাতেখড়ি। তবে ইংরেজী সাহিত্যে স্নাতকোত্তরের পর job related পড়াশোনার পাশাপাশি অফুরন্ত ভালোবাসার টানে আপাতত আখ্যানধর্মী গল্প, বিশেষত ব‍্যঙ্গাত্মক লেখায় মনোনিবেশ, ওনার। অসংখ্য পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে ওনার সৃষ্টি। একটি কাব্য সংকলন ‘কাব্যফেরী'-তে বিশিষ্ট কবিদের সঙ্গে স্থান পেয়েছে তাঁর লেখা কিছু কবিতা। বাঁধাধরা যাপনশৈলীর বাইরে ছকভাঙা লেখার মধ্যে দিয়ে তিনি শিল্পসত্তা প্রতিষ্ঠিত করতে চান।

যোগাযোগঃ

Name - Sumi Saha.
C/O - Uttam Saha.
PO + Dist - Malda.
P. S - English Bazar
Pin - 732101
Ph no - 7431045661/8250053306.
Mail id - myselfsahasumi@gmail.com

           














Google issue



কবি সুমন কুমার দত্ত, একজন  অঙ্কন শিল্পীও বটে। হাওড়া নিবাসী। বর্তমানে কলকাতা রেল মেল সার্ভিসে কর্মরত। শিবপুর বি ই কলেজ থেকে কারিগরি বিভাগে মাস্টার ডিগ্রি পাস। অবসর সময় পেলে কোলাজে দেবদেবীর মূর্তি অঙ্কন এবং ছোট গল্প, প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনী লেখেন। এছাড়া কবির ছোটদের অঙ্ক শেখানোর বিষয় সাহায্য করতে ভালো লাগে। জীবনের আদর্শ স্বামী বিবেকানন্দ।













Google issue


লেখিকা জয়ীতা চ্যাটার্জী'র জন্ম শ্যামনগর, উত্তর ২৪পরগনা জেলায়, বাবা শ্যামাপ্রসাদ চ্যাটার্জী, চাকুরীজীবি।  স্কুল শ্যামনগর বালিকা বিদ্যালয়, কলেজ ভিক্টোরিয়া ইন্সটিটিউশান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক।
 রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন এরপর আন্নামালাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ব্যচেলার ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।











Google issue

কবি সৌমেন দাসের পেশা স্কুলে ছেলে পড়ানো আর নেশা কবিতার দেশে গা গড়ানো। লেখালেখি শুরু সেই সপ্তম শ্রেণি থেকে মায়ের অনুপ্রেরণায়। পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বরের নূতনডাঙা এলাকায় বেড়ে ওঠা কবি সৌমেনের জন্ম ১৯৮৬ সালের ১৪ই জুলাই। ভাবনাবিলাসী এই কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ “মন নিয়ে …”। ভালোবাসা, আবেগ আর কষ্ট মিলেমিশে রয়েছে তাঁর কবিতায়।

যোগাযোগঃ


SOUMEN DAS
T/O: PANDAVESWAR HOLY CHILD MODEL SCHOOL
AREA MORE, PANDAVESWAR,
PASCHIM BARDHAMAN
PIN  713 346
☎ 9563766434
📧 dassoumen799@gmail.com

Google issue



কবি রুন্না ভাওয়াল ১৫ জুলাই ১৯৯৮ সালে বর্ধমান জেলার বেলেরহাটের যঙ্গেশ্বরপুর নামে এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা শ্রী প্রদীপ ভাওয়াল,মাতা শ্রীমতি কাজল ভাওয়াল।
লেখার জগতে আসা মা ও প্রিয় বান্ধবীর হাত ধরে। লেখার হাতে খড়ি তাঁর বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আব্দুল বারুন মহাশয়ের কাছ থেকে। লেখাকে জীবনের একটি অন্যতম অংশ হিসেবে তুলে ধরেছেন ২০১৩ সাল থেকে। লেখিকার কাছে লেখা অন্ধকার কে আলোর গন্ধে মাতিয়ে তোলা।পাশাপাশি আঁকাও চলে। এখন এম এ (ইংরেজি) এর প্রথম বর্ষের ছাত্রী।










Google issue



কবি মুনমুন মুখার্জ্জী। ১৯৭৩ সালের ১৯ শে জুলাই ইস্কো কারখানার জন্য বিখ্যাত বার্ণপুর শহরে জন্ম। ছোটবেলায় লুকিয়ে লুকিয়ে লেখালেখি করলেও লজ্জা সংকোচে কোনোদিন তা প্রকাশ করেননি। বর্তমানে বার্ণপুরের আমবাগান তেঁতুলতলা(পশ্চিম বর্ধমান)র গৃহবধূ। মেয়ে কোলকাতাতে পড়াশুনা করায় একাকিত্ব কাটানোর জন্য এখন ফেসবুকে লেখালেখি করেন। সাথে সমাজের বঞ্চিত পরিবারের শিশুদের এবং একটি অ্যাবনরম্যাল ছেলেকে ন্যূনতম পারিশ্রমিকের বিনিময়ে পড়ান। মেয়ে তানেয়া এবং স্বামী সুরজিৎ সব সময় সব ব্যাপারে উৎসাহ দেন। 









Google issue



কবি সন্দীপ রায় পশ্চিম বর্ধমান জেলার রাণীগঞ্জে ১৯৮৫ খ্রীষ্টাব্দের ১ লা মে জন্মগ্রহন করেন।পিতা শ্রীধর চন্দ্র রায়,মাতা রীতা রায়।ছোটো থেকেই সাহিত‍্যের প্রতি অনুরাগ ই তার লেখনীর প্রেরণা।২৯ বছর বয়সেই মাতৃহারা হন।যাবতীয় দুঃখ -কষ্ট,যন্ত্রণাময় অনুভূতি তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে।বর্তমানে শিক্ষকতার সাথে যুক্ত থাকার পাশাপাশি অবসর যাপনের রসদ হিসাবে ছবি আঁকা ও গানকরা কে বেছেছেন  অর্কিড ছদ্মনামের এই কবি।



Google issue


কবি দ্বৈপায়ন চ্যাটার্জী'র জন্ম 26 জানুয়ারি ১৯৯৩ সালে উত্তর চব্বিশ পরগনার নৈহাটি তে। বেড়ে ওঠা এবং বসবাস নদীয়া তে। সপ্তম শ্রেণী থেকে লেখালেখি শুরু । কবি কবিতা,গল্প ও উপন্যাস সবধরণের লেখাতে আগ্রহী ও সৃষ্টির খোঁজে তাকিয়ে থাকেন।
ইতিপূর্বে তাঁর শব্দলিপি সাহিত্য পত্রিকায় কবিতা প্রকাশিত হয়েছে।

যোগাযোগঃ

Mr. Dwaipayan Chatterjee,
S/O- Mr. Basabdeb Chatterjee
Village-Chandannagar,
Post office-Chandannagar,

Google issue



কবি শিল্পা মন্ডল এখন বেথুন কলেজে বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়ছেন।
ডাইরি লেখা ছোটো থেকেই অভ্যাস,
মূলত নিজের ভালো-লাগা,মন্দ-লাগাকে আকার দিতেই লেখালেখি করে থাকেন তিনি।
একটা তরবারির থেকে কলমের জোর অনেক বেশি তাই চলার পথে কলমকে আশ্রয় করেই চলতে চান লেখিকা শিল্পা মন্ডল।

যোগাযোগঃ

ঠিকানা : কামদুনী, রাজারহাট, উত্তর ২৪ পরগণা।

ইমেল আইডি: emaletosilpa@gmail.com


Google issue




কবি বিদিশা নাথের জন্ম ১৯৯৩ সালে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায়।পড়াশোনা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। কাজের ফাঁকে অবসরের হাতমকশো থেকে শেষ দু বছর পাকাপাকি কবিতায় আসা,কিন্তু স্বচ্ছন্দ যাতায়াত চলে গল্প লেখাতেও।সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা আর নিজ মনন প্রকাশের চাহিদাই লেখার জন্ম দিতে সাহায্য করে এবং করে চলেছে কবিকে। বর্তমানে বি.এড এ প্রশিক্ষণরত শিক্ষিকা।

যোগাযোগঃ

ঠিকানা: পূর্ব পাড়া, আন্দুল,হাওড়া 711302
ফোন :8335814663
Email:bidisha.nath2614@gmail.com

Google issue



কবি  সোনালী নাগ জন্ম ১৯৮৬ সালে বরাহনগরে , সময়টা চৈএমাস। শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ বিদ্যামন্দির থেকে মেধাতালিকার শীর্ষে নাম রেখে মাধ্যমিক পাশ, তারপর স্নাতকোত্তর সেরে সাহিত্যের বিপরীত মুখে আইটি কোম্পানিতে জীবিকা, কিন্তু মনের ভিতর যে বসে আছে কিংবা রক্তে মিশে আছে যে তাকে নিয়ে নিজের একটা পৃথিবী ছিল চিরকাল,কাজের সাথেই লেখালেখি চলেছে নিরলস. ভিতরের দরজা খুলে বাইরের পৃথিবীর সাথে শুধু যোগাযোগ হবার অপেক্ষায়!

যোগাযোগঃ
 
116-31A/1 Thana road, Bose para, KHARDAHA, KOLKATA 700117

Google issue



কবি  তন্মনা চ্যাটার্জী  সংস্কৃত ভাষায় উচ্চশিক্ষার পর ৮ বছর বেসরকারী সংস্থায় কর্মরত থাকলেও মনের মধ্যে লেখালেখির বাসনা ক্রমশই প্রবলতম হয়েছে।।চাকরী ছেড়ে আপাতত গৃহশিক্ষিকা।।ছোট থেকেই পেশাগতভাবে বাচিকশিল্পের সাথে ও বর্তমানে অভিন্নয়কর্মী হিসেবে কাজ করার সুবাদে কবিতা,গল্প ও নাটকের ওপর এক অগাধ আকর্ষণ আর তার থেকেই লেখালেখির সাথে সখ্যতা এবং এই নিবিড় ভালোবাসার জন্ম ।। লেখার সাথে কবির ছবি আঁকতে অথবা নিজের তোলা ছবির সাথে মিলিয়ে বা গল্পের সৃষ্টি  করাটা রোজনামচার রীতি।

যোগাযোগঃ

Address: 47, Baguiati 3rd Lane,north 24 pgs, kolkata-700028
Phone :9038025525
Email :tanmanachatterjee@gmail.com

সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৯

স্পেশাল পেন




চ‍্যাটপ‍্যাট্



পাখিটির পালক নীল হতে পারে, কিন্তু ওড়ার রং হলুদ। সেই হলুদ থেকেই শোনা যাবে হালুম। একটি বাঘডাক। (প্রভাত চৌধুরী)

ডাক শুনলেই মনে আসে শেষরাতে ঘুম ভাঙিয়েছিল কোনও এক পাখি, তার নাম জানা নেই। শুধু জানা গেছে সে এসেছিল পুবের জানলা ছুঁয়ে, হয়তো আগত আলো হয়ে (জ‍্যোতির্ময় মুখার্জি)

আলো শুনলেই,
‘আলো আমার আলো, ওগো আলোয় ভুবন ভরা’ (প্রভাত চৌধুরী)

ভুবন বলতেই মনে পড়ে গেল, কোনও একদিন রং মেখেছিল কেউ ভুবনডাঙ্গার মাঠে, যার পাড় ধরে হেঁটে গেল রবি একলা আলো পথে (জ‍্যোতির্ময় মুখার্জি)

ভুবন-কে ডাক দিলেই আমার চোখ দেখতে পায় ভুবনডাঙার মাঠ, যে মাঠ পেরিয়ে বর্ষাকাল আসে, বর্ষাকালের হাত ধরে বর্ষাতি আসে, বর্ষাতি খুলে ফেললেই অতিভুজ দিয়ে নেমে আসে সূর্যাস্ত ।

ভুবন -কে ডাক দিলেই বন থেকে বেরিয়ে  আসে একটি পাখি, যার পালকের রং সবুজ, কিন্তু ঠোঁটটি লাল । এখন সবুজ এবং লাল এই দুটি রং-কে যদি ১৪ বছর বনবাসের আদেশ দেওয়া যায় , তাহলে কবিতা থেকে মুছে যাবে একটি প্রায়ান্ধকার দীর্ঘ কবিতা ।

শুনে রাখো, তুমি যদি ভুবনডাঙার মাঠ থেকে রবীন্দ্রনাথের পায়ের দাগগুলি মুছে ফেলতে না পারো, তাহলে লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে। (প্রভাত চৌধুরী)

শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০১৯

দুজন কলম একসাথে


| অজ্ঞাতবাসী প্রেম |

গভীর থেকে গভীরতম শোকে,
মজ্জায় মজ্জায় শিরায় শিরায় তুমি আমার।
রক্তশুন্য প্রায় শরীরের ব্লাডসেল ভেঙ্গে―
আজ সেখানে তুমি নামের কোষপ্রাচীর।
ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ইতিহাস তুলে এনে
সিন্ধু সভ্যতার প্রাচীন প্রাচুর্য তোমার বুকে গেঁথেছি।
ধ্বংস চাইনি আমি, চাইনি ইউরেকা,জ্বলন্ত ফসফরাস।
ভুট্টার ক্ষেতে তিনশোবার হাঁটলেই ভালোবাসা হবে;
এমনটা কখনও ভাবনায় নেই তা তুমি জানো।
চিল্কার গর্ভে অগ্নুৎপাত কখনো যদি হয়;
সবার আগে আমি তোমায় নিয়ে ঝাঁপ দেবো।
তলিয়ে যেতে যেতে মাইলপথ জড়িয়ে ধরে কাঁদবো ভীষণ।
কেউ তো নেই পিছে। কেউ না। অজ্ঞাতবাসী প্রেম।
এসো চাদরে মুখ ঢেকে বন্দি জানালার বাইরে এসো।
কথা দেওয়ার পরেও যে কথা রাখা সম্ভব হয়নি
তাই পূরণের দাবি জানিয়ে ছিনিয়ে নাও অধিকার।
তদিদং হৃদয়ং তব স্তুতিবাক্যেই যে নিবিড় শান্তি আমাদের।

                         -- দিব্যেন্দু হালদার





প্রত্যুত্তরে লিখেছে ----

সেই সুদূর সুমেরু থেকে কুমেরু,
আস্ত একটা পৃথিবী তোমার নামে লিখে দিইনি আমি ...
শুধু দিনের শুরুতে ভোরের গন্ধ থেকে রাতের নির্জনতা ;
রঙিন ক্যালেণ্ডারের বছর মাস দিনের হিসেবের বাইরে
প্রতিটা সেকেণ্ড তোমার নামে লিখেছি ।
ধমনী জুড়ে রক্ত লসিকায় তোমায় মিশিয়েছি
মিশিয়েছি ক্রমশ সারা লোমকূপ জুড়ে ।
সেদিনের সেই স্টেশন চত্বর জানে তোমার-আমার কথা ...
যেখানে আদিম বর্বরতার মতো কোনো খিদে জমে নেই
দুচোখ ভর্তি ঠাসা বারুদ নেই,
ওই দুচোখে চিলেকোঠা ভর্তি ভরসার নিবিড় আশ্রয় দেখেছি ।
হিমবাহের মতো প্রেম গলে গেলে ক্রমে
আলেয়ার ফসফরাস জ্বলে উঠেও নিভে যায় রাতারাতি ...

         -- ঈপ্সিতা অধিকারী

দুজন কলম একসাথে


কবিতা - তাহাদের গাথা

১..  বর্ণালী মুখার্জী

কি লিখবো কবি?
সুচারু প্রস্তাবে
এসেছে বসন্তদিন
            পল্লবহীন
পলাশের ডাল
প্রবালে তোলপাড়।
দূরে একা চাঁদ
আবিল জোছনা
কবি ,তার কথা
কখনও ভাবো না।
মেয়েটি জেনেছে।

মেয়ে মানে নদী
বসতি অবধি
ঢেউ ভাঙে রোজ
ঝিনুকের খোঁজ
তুমিও করেছো?

২.. নিলয় নন্দী

মেয়ে মানে নদী
চাঁদ নির্বাসন
বিপন্নতা দিগন্ত অবধি।

কবি তো ভবঘুরে
নিবিড় যোগাযোগ
বালি তো ডুবে যায়
ঢেউ ও ভাঙে রোজ।

মেয়েটি জেনেছে
প্রবাল এপিটাফ
কবিও লিখে চলে
চিঠি বা প্রস্তাব

নদীর নাম সুবর্ণ
কবির নাম অন্তরীপ

সব মায়াই কি প্রপঞ্চ?

৩.. বর্ণালী মুখার্জী           

কি লিখবো কবি!
আজ
দোসরা ফাল্গুন?
অথবা তেসরা
সরে যায় দিন
স্তিমিত আগুন,
শেষ শীতে কারা
জ্বালিয়েছে পুঁজি
তোমাকেই খুঁজি
ফিরে গেল কারা?
আজ কি দোসরা??

৪.. নিলয় নন্দী

ফিরে গেছে তারা
কবিতা প্রহরা
তারিখ উদাসীন
আজই দোসরা?

এভাবে চিরায়ত
নদী বা মেঘদল
কবি ও ছুঁয়ে যায়
কবিতা সম্বল।

দুজন কলম একসাথে


""সেই তুমি""
               -অতনু মন্দাকিনী হালদার,
               

যা কিছু আমার ছিলো,যা কিছু আপন
একেবারে ব্যক্তিগত মৃগয়া ভূমি,
যা কিছু আমার আছে, যা কিছু আলো
তুমি সেই- "সেই তুমি"!
সেই তুমি,
কোনো এক ধ্রুবতারার নীলাভ সুখস্বপ্ন
যা দেখেছিলাম একদিন
রক্তে ভেজা গোলাপে শুয়ে ৷
সেই তুমি,
কোনো এক বালিশ ভেজা কান্না
চার দেওয়ালের ঘেরাটোপে
যা ভিজিয়েছিলো বিবাগী আবেগ ৷




হ্যা-"সেই আমি"!
------------বনানী পাল
সেই আমি,
তোমার অন্তরাত্মার অন্তর্যামী,
সেই আমি,
যে সমস্ত জগৎ পিছনে ফেলে
আঁড়াই হাত মাটির তলায়
ঘর বাঁধতে রাজি-"শুধু তোমার সাথে"!
"শুধু তোমায় ভালোবেসে"!
সেই আমি,
সরল,মায়াবী,জ্যোৎস্না স্নাত,
একান্ত তোমার !
শুধুই তোমার "লীনা"!!'

দুজন কলম একসাথে


ভালোবাসার ব্যবচ্ছেদ
***********

ভালোবাসার মৃত্যু হয় না/
 পাপিয়া মণ্ডল
 ‎------
একদিন  অবজ্ঞায় ফিরিয়েছিলে ভালোবাসাকে।
তোমার দেমাকি মন, মুছেছিল তার  সব রঙ।
ভেবেছিলে সব শেষ করছো খুব সহজেই,
ভালোবাসার মায়াজাল  বাঁধতেও পারে নি তোমায়!

কিন্তু, কোন এক একলা দুপুরে কিংবা নিদ্রাহীন রাতে
গোধূলি -রঙা, দুফোঁটা অশ্রু আলটপকা ঝরে পড়বে,
তোমার কোঁচকানে গালে উষ্ণতার পরশ ছুঁইয়ে।
তখন বুঝবে তুমি, "ভালোবাসার মৃত্যু হয় না!"
                       
     
     


     

কে বলে ভালোবাসার মৃত্যু হয় না?/
      ‎শ্রাবণী নায়েক
      ‎-------

     ‎আমি রাস্তার ধারে ভালোবাসার লাশ পড়ে থাকতে দেখেছি,
দেখেছি নিথর শরীর, আধখোলা চোখ ;
উর্দ্ধে স্থির।
অগণিত মাছির শোক জ্ঞাপন,
পিঁপড়ের ভোজসভা পচা লাশ ঘিরে।
নেই কোনো ফুল সাজানো গাড়ি, মালা, চন্দন, নেই ক্রন্দন, নেই স্তব্ধতা,
নেই অন্তেষ্টিক্রিয়ার বাহার।
হয়তো অনিবার্য পরিণতি তার,
ঠাঁই পায় প্রকৃতির অন্দরে ; নিশ্চুপ, নীরবে।
অমরতার আশির্বাদ মিথ্যা হয়ে যায়,
বিশ্বাসহীন খঞ্জরের তীব্র আঘাতে।
মৃত্যুর কোলে শায়িত হয় ভালোবাসা।

ওই দিকে,
জয়ের দামামা বাজে উৎসবের আবেশে,
ফুল, চন্দন বর্ষিত হয়-
অপ্রেমের আঁতুড় ঘরে।                       ‎

দুজন কলম একসাথে


1.
নীল খাম
~~আঁখি সরকার রাই
তুমি বলনি ভালোবাসো,
এই চোখের নীচে কতো তুমি জমেছে?
না বলা কথাগুলো তোমায় ছুঁতে
বন্দি হবার নীল খামে কতো বার গেছে?
যদি ভালোই বাসবে না
কেন চোঁখের কোণে জল দেখে তুমিও কেঁদেছো মিছে,
তোমার কি ইচ্ছে করে নি!
এই বুকে জমানো স্বপ্নগুলোকে আঁকি নীল খামের পিছে?
সফেদ জোৎস্নার ঢেউয়ে ভাঙা পূর্ণিমা
দেখে কি আমার কথা পরে না মনে?
প্রিয়ার উষ্ণ পরশে জুড়ছো নতুন ভাবে-
সেই উতলা নেই যেন সুপ্ত হৃদয় কোণে?
নীল খামের সেই চিঠি'টা বুঝি আছে পরে
ডাক বাক্সে বেনামী,
ইচ্ছে করলে বাক্সটা ভেঙে,
সেই নীল খামে আঁকা স্বপ্ন গুলো পড়ে নিও তুমি।






ফ্লাস
জয়দেব মহন্ত
তুমি তাই ভবো?
দেখো নি কি ,এই চোখের দিকে চেয়ে;
বিকেলের নিকেল কতোটা জড়ো করেছি
ঠিকানায় শুধু শুন্য রেখেছি ছেয়ে?
তোমার জন্য কতো জ্যোৎস্না মুঠো করে
দেবো বলে নক্ষত্র পতনে পা রাখি বারবার;
মার কাছে রাজকুমারীর গল্পোচ্ছলে তোমাকে বলেছি
না! আঁকাতে পারি না,তুলিও যে প্রেমিক তোমার।
তাই মনেই রেখেছি ছায়ানট হয়ে
বৃহস্পতি গন্ধ গা ছম ছম করলে
মোম থেকে সব নীল তুলে নিয়েছি।
শুধু এই চোখের কোণে কাজল আঁকবো বলে
তোমার ঠোঁট বেয়ে যে হাসি নামে তা স্বপ্নে আটকে রাখবো বলেই বৈষ্ণবী বিকেলে তুলসী রেখেছি।

তুমি ব্লক করলেও বাবার একাউন্ট থেকে
তোমার ওই হাসি খুঁজি রোজ ঘুমোনোর আগে
তবুও এই বেয়ারা হবার নেশা
তোমায় পেতে পথ পেড়িয়ে পথের পিছন ভাগে।

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০১৯



জীবন-যুদ্ধ-কানামাছী -২

           - স্নে হা  ঘো ষ

প্রত্যয় যোগ
কালোডরে ভবিষ্যতের গাঁটছড়া
বাঁকা কাস্তের ডগাই জীবনঢালা বাপের ছেলে
ধান চিনতে চাইছে কই ?
কয়েক আঁটি খড় মাথায় ক'রে এনে
উঠনময় ছড়িয়ে রেখে
আধসেদ্ধ ধানের গন্ধ টান টান ভরে নেই
মনসাতলাই গড় করে
পেটে দুকলম 'ক-খ' চাই..

চেয়ারের ওপর বুদ্ধিজীবী
পা দোলায়
দেওয়াল ঘড়ি সময় জড়িয়ে
শিঁকড় সমেত অতীত উপড়ে ফেলে
চিরদিন পিঠে হাত-ছুরি বুলিয়ে
অত্যাচারী আদর কষা ইতিহাস
পেটে 'ক-খ' এর প্রয়োজন

কাঁকড়ার ছা যেভাবে কুঁড়ে কুঁড়ে খাই শরীর
মৎস্যন্যায়...

কাকতাড়ুয়ার জন্য তুমি, আমার জন্য তুমিই শুধু


কাকতাড়ুয়ার জন্য তুমি, আমার জন্য তুমিই শুধু 

____________________ সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)

কাকতাড়ুয়া খবর দিল
খবর দিল ভোরের পাখি
তবুও আমার স্পর্ধা শুধুই
ফেসবুকেতেই বজায় রাখি।

বাংলা তোমার পছন্দ খুব
আঁচড়াওনি চুল চিরুনি
শব্দে তোমায় চুম্বন খাই
তোমার বাড়ি তাও চিনিনি।

রান্নাবাটি স্বাদের জাপান
ককরো তোমার বেশ গুছানো
কাকতাড়ুয়ার জন্য চিনি
দেশে ফেরার খবর আনো।

লোকে তোমায় কবি বলে
আমি তোমায়  বলি মানুষ
শুধু তোমায় দেখব বলে
অধীর হয়ে হচ্ছি ফানুস।

যার বুকের ভেতর প্রচুর কথা
জমছে গায়ে ফুদকি বসে
কাকতাড়ুয়াও ভাবছে যেমন
ইচ্ছে করেই তারা খসে?

কথার পিঠে কথা

     ♥| কথার পিঠে কথা |♥


            



♦আজাহারুল ইসলামের জন্ম ১৯৯৭ সালের ২১ শে ডিসেম্বর জন্মস্থান মুরারই;বীরভূম জেলা।
পিতা আসমারুল ইসলাম আর মাতা আয়েশা সিদ্দিকা♦
   -----------------ঃ--------------------
 জলফড়িং ওয়েব ম্যাগের পক্ষ থেকে তোমাকে প্রথমেই জানায় নমস্কার, আমরা কৃতজ্ঞ তুমি আমাদের সময় দিয়েছো বলে।

~আজাহারুল:-জলফড়িং এর সাথে কথা বলার সুযোগটা এই কারণেই গুরুত্বপূর্ণ,
কারণ,
জীবনে প্রথম সাক্ষাৎকার দিচ্ছি,
আর তোমাদের নবীনদের জন্য যে প্রয়াস,
তার জন্য সাধুবাদ জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা নিও

১.) জনপ্রিয় ফেসবুক কবি আজাহারুল ইসলাম, যার নাম সমাজ জানেনা, জানেনা কোনো সম্মানী পত্রিকা যেমন দেশ বা কৃত্তিবাস!
জানে তোমার জন্মস্থান মুরারই? সেই বা কতটা জানে?

উ:-দেখুন, নিজেকে জানানোর জন্য সাহিত্য চর্চা করেছি, তা নয়,
এখন হয়তো সেই ধরনের মানুষ কিছু পায় নি আমার থেকে, আর মুরারই এর ব্যাপ্তি সেইরকম না, তবে আমার বিশ্বাস আমরা কয়েকজন এই  অঞ্চলের মানুষের গৌরব হতে পারবো। তাছাড়া সুনীল গাঙ্গুলীও কিন্তু মুরারই এসছেন, সেই তুলনায় মুরারই কেউ চেনে না তা নয়(😄)



২.) কত বছর বয়স থেকে লেখার জগতে এলে?

উ:- এই সবেই শুরু, পাঁচ বছর,
ছোট থেকে যা লিখতাম, ও সবটা রবীন্দ্রনাথের ভাষায় 'অশান্তি' ছাড়া কিছু না!🙂


৩.) বাড়ির চাপ থাকে লেখার ক্ষেত্রে?

উ:-৩. সেই রকম না, তবে ধর্ম নিয়ে লিখলে, মা একটু ভয় পায়!🙂


৪.) শুনলাম তোমাকে ধমকি দেওয়া হয়েছিল, কতটা ভয় পেয়েছিলে তুমি?

উ:- হ্যাঁ, বাংলাদেশের কিছু মৌলবাদী, ভয় তো পেয়েছি,
কিন্তু হেরে যাই নি, ওরা ওদের মতামত দিয়েছে, মৌলবাদ তো প্রগতিশীলতার বিপক্ষে,
ওসব নিয়ে ভাববার সময় নেই।


৫.) তোমার কলমের তেজে বারবার দেখেছি ধর্মের প্রতি তোমার নিন্দা, মনে হয়নি এসব করলে ধমকি আসাটা জরুরি?

উ:-যারা আস্তিকতায় বিশ্বাসী তাদের কাছে আমার ভালোবাসা আছে, এখন সত্যি বলতে গেলে তো কোপ খেতে হয়ই,
এসব নিয়ে ভাবিনি!


৬.) তোমার মনে হয় তোমার লেখায় শ্রীজাত স্পর্শ আছে?

উ:-একদমই, তবে চেষ্টা করি, একটু ভিন্ন ধারার লেখা লিখতে😃


৭.) এখন অবধি কোনো বই করতে পারোনি নিজের, শোনা গেছে খুব তাড়াতাড়ি হবে, সেটা নিয়ে একটু যদি বলো?

উ:- বই প্রকাশের কাজ চলছে, সময় হলেই জানাবো


৮.) লেখার  ইন্সপিরেশন কে?

উ:-ইন্সপিরেশন, বাংলাদেশের একজন ব্লগার, নাম বলছি না,
নিষেধ আছে


৯.) বাহান্ন তীর্থের শরীর হঠাৎ লিখতে গেলে কেন?

উ:-সুনীলের নীরা কবিতাটি পড়েছিলাম, ওটায় এর কারণ, তবে কবিতা দুটি শর্ত ধারা একদমই আলাদা।


১০.) আজাহারুল ইসলাম একজন
সম্পাদকও। আমরা দেখেছি খোলা ডায়রি নামে একটা ওয়েব ম্যাগ চলে তোমার সম্পাদনায়। শুরুটা কীভাবে যদি একটু বলো।

উ:-বাংলাদেশের নাবিল দা, হঠাৎ বলে,
প্রথমে সহ-সম্পাদকের ভূমিকা পালন করতাম, তারপর সম্পাদনার কাজ, তবে এখন একটু টেকনিক্যাল কারণে বন্ধ আছে


১১.)তোমার লেখার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চুমু শব্দটা দেখা যায় এবিষয়ে তুমি কী বলবে?

উ:- চুমু খেতে ভালবাসি, তাই😂


১২.) খোলা ডায়রি এখন বন্ধ, একটা এতো জনপ্রিয় ব্লগ যার এক মিলিয়ন ভিউয়ার সেখানে দাঁড়িয়ে এই বিরহটা তোমার চোখে বা তোমার কাছে কী প্রভাব ফেলেছে?

উ:-দেখুন বন্ধ না, একটু রেস্টে রয়েছি।

ঠিক খুলবো!!



১৩.) সম্পাদক নাকি কবি কোনটাতে স্বাচ্ছন্দ্য বেশি, বলে মনে করো?

উ:-কোনোটিই না, এখন শ্রমিকদের ভূমিকায়


১৪.) বেশির ভাগকেই বলতে দেখি শ্রীজাত-র কবিতা নাকি অনেকই উপেক্ষা করে তোমার কী মনে হয়?

উ:-দেখুন সবকিছুই যে গ্রহনযোগ্য তা নয়, যারা উপেক্ষা করার করবেই,
তবে, শ্রীজাত অপেক্ষার বিষয়, উপেক্ষার নয়।


১৫.) তোমার পোস্টে অনেক সময় সুদীপ্ত সেন বলে একটি ছেলে শ্রীজাত দা বলে, রহস্য আছে কিছু??

উ:-দেখুন উনি সুদীপ্ত সেন নয় সম্ভবত অনুপম রায়😄, আপনি ভুল তথ্য দিচ্ছেন😆


১৬.) আজাহারুলের কলম ফেসবুকে জনপ্রিয়, এ সম্পর্কে তোমার মায়ের বা বাবার কিরকম ফিলিংক্স , কোনোদিন কিছু শেয়ার করেননি তাঁরা?

উ:-মা বাবা খুব একটা যে খুশি তা নয়,
ওরা বেশ ভয় পায় আমায় নিয়ে



১৭.) প্রতিদিনই লেখো নাকি ওয়েট করো?

উ:-ওয়েট করি, কিন্তু লিখতে তো হয়,
ঘটনা নির্ভর লেখা লিখি তাই,
বিশ্রাম নেই খুব একটা


১৮.) ধরো তোমার কাছ থেকে কলম, স্মার্টফোন, খাতা মানে লেখার সামগ্রী কেড়ে নেওয়া হলো, কী করবে?

উ:-চাকরির জন্য পড়াশোনা করবো,
গ্রুপ ডি😆😆


১৯.) কোনো একটা সাহিত্যের অনুষ্ঠানে তুমি প্রথম লেখা পড়ছো আর অনুষ্ঠান শুরু করছো। নিজের লেখা পড়লে না, যদি তোমাকে দেওয়া হয় দুটো অফশন ১.) শ্রীজাত-র লেখা ২.) জয় গোস্বামীর লেখা। কোনটা তুলবে আজাহারুল!

উ:- শ্রীজাত দার পড়বো,
কিন্তু ঐ অনুষ্ঠানের আগের অনুষ্ঠানে জয় গোস্বামীর কবিতা আবৃত্তি করবো


২০.)ভবিষ্যৎ-এ তোমার প্ল্যান?( লেখালেখি বিষয়ক)

উ:- একটা সংগঠন করবো,বিশ্বভারতী সাহিত্য পরিষদ,শান্তিনিকেতনেই,যদি অনুমতি পাই



       সব ভালোবাসা আজাহারুলের

১.) প্রিয় খাবার:- বিরিয়ানি

২.) প্রিয় পোশাক:- পাঞ্জাবি টি শার্ট আর একটা প্যান্ট

৩.) প্রিয় গান ও গায়ক :- তুমি রবে নীরবে, অরিজিৎ

৪.) প্রিয় রঙ:- বেনিআসহকলা

৫.) প্রিয় কবি ও কবিতা:- রবীন্দ্রনাথ, বিদ্রোহী

৬.) নিজের লেখা প্রিয় কবিতা:- ৫২ তীর্থের শরীর

৭.) এখন অবধি তোমার লেখার সংখ্যা:- ২০৪

৮.) তোমার চোখে রবীন্দ্রনাথ :- ঈশ্বর

৯.) তোমার কাছে প্রিয় ফেসবুক কবির নাম:-        শ্রীজাত

১০.) রাত্রি প্রিয় নাকি দিন :- রাত দুপুর


                ♥ শেষ চুমুক ♥

তোমরা বন্ধু, সহকর্মী, নেই কোনো, সেলাই করা ঋণ,

এগিয়ে দেওয়া, পাশে থাকা, ভালোবাসার নামই জলফড়িং
          - আজাহারুল ইসলাম

-------------------------------------------------------------------------


সাক্ষাৎকারটি নিলেন জলফড়িং ইন্টারভিউ সেকশন এডিটর সুদীপ্ত সেন(ডট.পেন)

বুধবার, ৬ মার্চ, ২০১৯

কলমে ডট.পেন

রিভিউ কলম "যে তুমি তারার মতো"

বাংলার বর্ণমালাকে পেরতে পেরতে যদি আমি একদম শেষে যাই তাহলে সেখান থেকে আমার ফিরে আসা কঠিন কারণ তার নাম চন্দ্রবিন্দু।
আর চন্দ্রবিন্দু'র তিনজন আমার ভীষণই প্রিয়। ভগবানকে বলব যদি আমি কোনোদিন কোমায় যাই তাহলে চারজন কে ভুলিও না ১.) চন্দ্রিল ভট্টাচার্য ২.) অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়  ৩.) উপল সেনগুপ্ত ৪.)অনুপম রায়

একটা অসম্ভব ভালো গান গেয়েছে উপল দা সেটা হলো
"যে তুমি তো তারার মতো"। গান টাতে যারা যারা কোরাস গাইলেন সকলকে অনেক শুভেচ্ছা গোটা অ্যারেঞ্জটাকে শুভেচ্ছা আর গান টা যারা লিখেছে  তাদেরকে  আমার একটা করে চুমু দেওয়া থাকলো।



গান টা শুনে আমার যেটুকু মনে হয়েছে সেটা হলো প্রেমিকা তার ভীষণই বড়ো পরিবারের আর প্রেমিক গরীব আর যা হয় বামনের চাঁদে হাত দেওয়ার স্বপ্ন।

তবে আমার মনে হয় এই গানটার বিষয়টা সাধারণ হলেও কথা গুলো অসম্ভব অসম্ভব সুন্দর এবং অসাধারণতের দাবী রাখে আর এটা উপল দার গাওয়াটায় সমুচিত হয়েছে নতুবা সেই ভাবধারাটা আসবেনা বা আসতনা।

তবে এটা আমি সিওর যে, এই গানটা শোনার পর রাজপ্রাসাদ ছেড়ে দিয়ে কাঠের বাড়ি তৈরী করা আর একসাথে থাকার স্বপ্ন দেখছে বা দেখবে অনেকেই।

শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০১৯

বীর শহীদের কফিনে জানাই প্রণাম

সম্পাদকীয়,
        আমরা এই সংখ্যা বহু আগেই করতাম কিন্তু এমনি একটা পরিস্থিতি ছিল এতো ব্যথিত ঘটনা যেটার ওপর ভর করে শহীদ সংখ্যা প্রকাশ করতে গিয়েও করতে পারিনি।
তাই আজ করেছি কারণ আজ আমরা বুক চিতিয়ে বলতে পারি আমরা ভারতীয় আমার জবাব দিতে পারি পাল্টা।
আর এই সংখ্যায় যে সমস্ত লেখক লেখিকা কলম ধরলেন তাদের প্রতি থাকলো আমাদের শ্রদ্ধা।
সেই সঙ্গে জানিয়ে রাখি জলফড়িং ১ম বর্ষ প্রিন্টেড বেশ কিছু লেখক এবং সাধারণ পাঠকদের বিক্রি করে আমাদের প্রথম উপার্জন ৩ শত টাকা যার পুরোটাই আমরা পাঠিয়ে দেব শহীদের জন্য খুব তাড়াতাড়ি, তার কাজ চলছে।
এটা বলার কারণ দেখানো নয় জানিয়ে রাখা মাত্র।
জয় হিন্দ

-----------------------------------------------
শহীদ
---------সুষ্মিতা কর
বদলে গেল ঠিকানা
      বিস্ফোরণের থাপ্পড়ে
হারিয়ে গেল স্বপ্ন
      ধোঁয়া উড়িয়ে...
ছিন্নভিন্ন প্রাণ
       আজ চেনা বড় দুষ্কর
কফিন বন্দী শেষযাত্রা
       তেরঙ্গার চাদরে...
মরে না শহীদরা,
       দেশমাতার কোলে নিদ্রায় তারা।
শস্যশ্যামলা মায়ের
     হে বীরগণ
           নমস্য নতমস্তকে।
--------------------------------------------
*"বীর সৈনিক"*
সূর্যাস্তের গোলাপ রঙের গোধূলি কিম্বা সূর্যোদয়ের শিশিরভেজা সকাল উপহার দাও তোমরা ভারতবাসীকে রোজ,
আমরা ঘুমায় বেশ অনেকখানি শান্তিতে কারণ তোমরা জাগছো দিন রাত,
হে ভারত মায়ের বীর সন্তান,
গভীর ঘুমে চোখের শিরা লালচে হলেও
দেশ বাঁচাবার প্রতিজ্ঞা নাও মনের কোণে,
সেদিন তোমরা বিকাল বেলা মৃত্যুমুখী,
শহীদ হলে দেশ বাঁচাতে প্রাণ পনে।
সেদিন যখন প্রেমের দিনে ব্যস্ত সবাই
গোলাপ ফোটায় প্রিয়জনের উষ্ণ ঠোঁটে,
তোমরা সেদিনও দেশের জন্য করছো লড়াই,
বীর শহীদের রক্তে যেন গোলাপ ফোটে।
প্রণাম জানাই তোমরা মোদের রক্ষাকবচ,
তোমরা মানুষ এই পরিচয় বীর  সৈনিক,
আমরা ভারত মাতার বুকে শান্তি পাচ্ছি,
কারণ,
তোমরা থাকো সীমান্ততে রোজ দৈনিক।
জয় হিন্দ।
*চঞ্চল ভট্টাচার্য* ।
-----------------------------------
তোমাকে আমরা ক্ষমা  করবো না পাকিস্তান।
পাকিস্তান তুমি জানো না
আর ভালোবাসা নয় ,শান্তি নয়।
তুমি আমাদের হৃদয়ে আগুন জ্বালিয়েছো
এবার প্রতিশোধের আগুন জ্বলবে
সেই আগুনে তোমরা ছারক্ষার হবে
এটাই সকল ভারতবাসীর প্রতিজ্ঞা।
পাকিস্তান তুমি জানো না
তুমি কাদের সাথে পাঙ্গা দিয়েছো।
পাকিস্তান তুমি জানো না যে
তুমি ভারতের একটা কোণেরও যোগ্য নও
পাকিস্তান তুমি জানো না
তুমি কাদের প্রাণ নিলে
পাকিস্থান তুমি জানো না
তুমি কত মায়ের কল করলে শূন্য
কত মাকে করলে সন্তান হারা
কত স্ত্রীকে করলে স্বামী হারা
কত সন্তান হল পিতৃহারা।
কত মানুষকে করলে প্রিয়জন হারা-
এর প্রতিশোধ আমরা নেবো।
পাকিস্তান তুমি জানো
যে দেশে গান্ধীজির আবির্ভাব
সেই দেশে নেতাজীর নয় কম অবদান
আমরা যেমন এক গালে চড় খেয়ে
অন্য গালটি পেতে দি
শুধুমাত্র শান্তির নিরিখে।
আমরা যদি ঠিক করি প্রতিশোধ নেব
তাহলে তোমার ইট ছুড়লে
আমরা পাটকেল ছুড়বো।
তোমরা বিস্ফোরক ঘটিয়ে
শান্তিতে থাকতে পার না।
শান্তিতে থাকতে দেব না।
পাকিস্তান তুমি জানো না
ভালোবাসায় আমাদের হৃদয় যতটা নরম
ঘৃণায় হৃদয় তার অধিক পাষাণ।
পাকিস্তান তুমি নিজেও জানো না
তুমি কি করেছ
তুমি বিস্ফোরক ঘটিয়ে
দেশ রোক্ষকদের প্রাণ নিলেও
তাঁরা প্রাণ দিয়েও বীর
তোমাদের মত কাপুরুষ নই।
বীর পুরুষদের মৃত্যু হয় না
হে জওয়ান তোমরা অমর ।
তোমাদের দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জন
তোমাদের দেশভক্তি ,দেশপ্রেম
তোমাদেরকে অমর করে করে রাখবে।
যাঁরা দেশের জন্য নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন
সেই সব বীর শহীদদের শতকোটি প্রণাম।
                         (লেখায়- বেবী পোদ্দার)
--------------------------------------
সৈনিক হয়েই আসবো আবার
মনোজ কুমার রথ
তুমি কাঁদছো,
তোমরা ?
অশ্রু তো হয়েছে বাস্পীভুত
দীর্ঘ ক্রন্দনে,
হয়ে গেছে মরুভূমি বিয়োগ ব্যথায়;
তোমায় ছেড়ে,
তোমাদের থেকে চলে গেছি
ভূস্বর্গ থেকেই ওদের অতর্কিত আক্রমনে ওই ভুবনডাঙায় ।
চলে গেছে নশ্বর দেহখানি,
পাথর হয়েছে চক্ষু একজোড়া;
অবিনশ্বর আত্মা শোনো ঘুরছে ফিরে ফিরে,
সজাগ দৃষ্টি তার রক্ষক তোমাদের-
জন্মান্তরের জটিল নিয়মে
আসবো ফিরে এই ভারতভূমে,
জংলা রঙের ওই পোশাকটাই
থাকবে কলেবরে-
হাতে অস্ত্র,
উন্নত শীর সৈনিক নির্ভীক ।
----------------------------------

       
        
জেহাদের শব্দগুলো
-----------অমিতাভ দাস
আমি শুধু দেখেছিলাম মায়ের চোখ,
ছেলের কফিনের দিকে চেয়ে খুঁজে চলেছে আঁতুরের গন্ধ!
আমি শুধু দেখেছিলাম স্ত্রীর ধ্বংসাবশেষ বুক,
স্বামীর ছিন্নভিন্ন ইউনিফর্মের ওপর বিছিয়ে দিচ্ছে ভেঙে পড়া ভবিষ্যত।
আমি শুধু দেখেছিলাম একটা কচি মুখ,
বাবা'র মাংসপিন্ড ঢাকা তেরঙ্গায় হাত বুলিয়ে স্পর্শ মেখে নিচ্ছে শেষবারের মতো।
আমি শুধু একবার,শুধু একবার সমস্ত হানাদারদের বসাতে চাই মায়ের চোখ,স্ত্রীর বুক আর কচি নিঃস্পাপ মুখের সামনে,
আর শুনতে চাই তাদের মিথ্যা জেহাদের ভেঙে পড়ার শব্দগুলো....।
-----------------------------------
    মৌনতা
একমুঠো পছন্দ কিনেছি পাহাড়ী মেলা থেকে,
শব্দ ফুরোলে  আড়াল করে দেখবো।
যুদ্ধশেষে তোমার নিঃশ্বাসটা আমায় দিও।
মায়ের চোখ বেয়ে এক ফোঁটা জল,
কফিনের ঢাকনাতে টুপটাপ শব্দ,
আমার আজ মৌন ব্রত।
সীমান্তে আজও রক্তবর্ষন হবে,
থমকে যাবে চলাচল,
শুধু উঠোনটায় রয়ে যাবে আমার অপেক্ষা।
অতনু রায়
-------------------------------
শেষের চিঠি
জয়দীপ রায়
প্রতীক্ষার বুকে লেখা হয়েছিল
কোন এক বিকেলের রোদ
জরুরী তলব
এবার বুঝি যেতেই হবে
সীমান্তের ওই ঘরটার কাছে
শুকিয়ে গেছে তালার উপর
লেগে থাকা ক্ষতের দাগ
ছেড়া উর্দির এক টুকরো কাপড়
তার পকেটে ছিল একটা উদ্দেশ্যের জরিপ
বদলি হয়ে এসেছি আগের মানুষটার
ঘরে ফেরার পর,
স্তব্ধ উপত্যকার মাঝে খোশমেজাজে
সাদা বরফের দেশ মাতবে রঙে
তবে শহরটা ঘুমানোর পর
আজানের শব্দ ভেঙে
জন্ম নেবে হাজারো শব্দ হাজারো শিশুর কান্না
রাতেই তাদের হবে অভিষেক
বরফের বুকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকবে
জরায়ুর বেশে রক্তের আয়ুরেখা
কাল হয়তো লিখবে শেষের চিঠি
কারোর ঘরে ফেরার নয়তো ইতির শনাক্তকরনের।
--------------------------------------
তোমরা বোঝাও দেশপ্রেম
পাখি পাল
দেশ কে যারা রক্ষা....
করে চলেছে প্রতিনিয়ত,
বিপদ সম্মুখে দাঁড়িয়ে তারাই
সহ্য করছে গুলির ক্ষত,
মৃত্যু হঠাৎ ছদ্মবেশে যখন
আসে ভয়ংকর বিস্ফোরণে,
কেড়ে নেয় তাজা প্রাণ
মূর্খ শত্রুর আক্রমনে,
সেই রক্তের ছাপ থেকে যায়
অসংখ্য দেশবাসীর হৃদয়ে,
যারা হয়তো থাকতে পারেনা
তাদের শেষ বিদায়ে,
তবু তারা শ্রদ্ধা জানাতে
বাতির মিছিল করে,
তোমরা বোঝাও দেশপ্রেম
এই বদ্ধ মনের ঘরে....।।
---------------------------------
প্রতিশোধ
নীলমেঘ
তোমার আঁচলে রক্তের ঋণ বাঁধা
তোমার দু'চোখে কান্নারা দেয় হানা!
আমার ভাইয়েরা ঘুমায়ে পথের শেষে
কালো অধ্যায়ে গেঁথে আছে পুলওয়ামা।
শূয়রেরা আজ পরেছে জয়ের টীকা
ওই শোনা যায় তাদের জয়ধ্বনি
মাটির বিছানা অশ্রুতে ভিজে এলে
আবির সন্ধ্যা ঢেকে দেয় মরুভূমি!
কফিন বন্দি ক্ষতের পাহাড়গুলো
ঝরনার মতো প্রতিশোধ আনে বয়ে,
তেরঙ্গা ওড়া খোলা রাজপথ জুড়ে
মোমবাতিটাও জ্বলে ওঠে নির্ভয়ে।
বদলের কথা আলনায় তুলে রাখো
বদলার নেশা হৃদয় জাপটে থাকে,
তেত্রিশ কোটি সন্তান তোর মাগো
নতুন একটা ভারতবর্ষ আঁকে।
------------------------------
পরিস্থিতি
রক্তাক্ত অর্ধ শতাব্দীর শব্দময় শেকড়ে ঘূর্ণায়মান খন্ড খন্ড বস্তুপুঞ্জের ছায়ায় পৃথিবীর স্বরূপদর্শনে বিধ্বংসী প্রবণতার নাগপাশে
                  রক্তমাটি
                       ভা
                       ঙা
            স্তূপীকৃত খুলিনদী
বজ্রপোড়া গাছের নীচে শুকনো মাটিতে পড়ে থাকা মরা রোদের চামড়া ফাটা লাশ ছুঁয়ে অন্তহীন গহীনে ঢুকে যায় ক্রমে আঁধার জীবনের চাঁদ
                                ভা
                                ঙা
                               পাখি
আগুনের নগ্ন শিখায় পোড়া বাতাসে নিস্তব্ধতার দেহ চিরে বেরিয়ে আসে পশ্চিমে ঝুঁকে পড়া শূন্যে হাজার হাজার অস্পষ্ট চা
           পা
      ক্রন্দনধ্বনি
অন্তর্লীন চেতনার উড়ন্ত ডানায় প্রতি মুহূর্তে বেঁচে থাকার ভয়ার্ত স্বপ্ন শ্যামলা রঙা উদগিরণ নে
                      মে
                    আসে
ঘুণেধরা মগজের অস্পষ্ট ছায়া স্নায়ুর ভাঁ
         জে
               ভাঁ
                  জে
রক্তপ্লুত মরচে ওঠা প্রতিটি গরাদের অন্ধকূপে দৃষ্টিহীন অসহায় শরীরগুলো ঝরা
                            হৃৎ
                          বৃক্ষের
পাতায় উড়ে যায়
                         এ
                            কে
                    এ
                        কে
বন্ধ নিঃশ্বাসের
               সিঁড়িভাঙা খেলায় ।
                @জি কে নাথ
-----------------------------------------
কফিন
মোহর
আমার  দুহাত  শূণ্য
শূন্যতা  চারদিকে
তুমি যাওয়ার সময়  যুদ্ধ  শেষে  ফিরে আসার  প্রতিশ্রুতি  দিলে
আমি  সে  প্রতিশ্রুতি  নিয়ে  বসে  রইলাম
ফিরলে না তুমি -ফিরল  তোমার  নিথর  দেহ
শহীদ  তুমি -এ আমার  গর্ব
চারদিকে শূন্যতার  মধ্যেও-আমি পূর্ণতা লাভে সক্ষম
হ্যাঁ বলছি  এ কথা
দেশের  কাজে  তোমার  জীবন  গেছে
এমন হারানোর  মাঝে  বিরাট  পাওয়া আছে
শূন্যতা মাঝে  পূর্ণ  আমি
পূর্ণ তোমার  পরিচয়ে
---------------------------------
আমি সৈনিক
আমি সৈনিক আমি মর্যাদার
আমি সৈনিক আমি গৌরবের ।।
আমি নির্ভীক আমি মাতৃ মন্ত্রে দীক্ষিত
আমি চলি সন্মুখ পানে
বজ্র হস্তে শত্রু দমনে।
আমি অস্ত্র হাতে করি নিত্য
চামুণ্ডা ভৈরবীর বেশে দেশ -দেশান্তরে
যুগ হতে যুগান্তরে দৃঢ় সংকল্পে
আমি অগ্নী হস্তে বিনাশ করি ...
আমার ধারিত্রী মায়ের সম্মান লুণ্ঠন কারির ।
যুগ হতে যুগে যুগে রন সজ্জায় আমি সজ্জিত ।
সজ্জিত আমি, মাতৃ মন্ত্রে উজ্জীবিত আমার গৌরবে
শোণিত ভেজা মায়ের আঁচলে আমি বিশ্রামে যায় কখনো বা অকাল নীরবে....
গৌরব গাঁথা সথীর্থে করি আমি আলিঙ্গন
মৃত্যুকে পদাঘাত করি আমার সৌর্যে।

মুক্তির প্রেম শুনি মৃৎ রন সজ্জায়
উড়িয়া ধরি বিজয় পতাকা
মাতৃ জঠরে আমি আবার জন্ম নেব বারংবার ।
রন সজ্জায় রনভূমে করিব বিশ্ব জয়
আমি সৈনিক এটাই আমার প্রথম পরিচয় ।
                        @ দুলাল চন্দ্র দিগার
-----------------------------------
যুদ্ধ
গোপন ষড়যন্ত্রে শহীদের রক্তে,
সীমান্তের মাটি যতই লাল হোক –
সেনা তবু হাঁটে না পিছু
তোমার, আমার, সমগ্র দেশের
নিরাপত্তা রক্ষার কঠিন শপথে।
তবু, ওরা শহীদের রক্ত দেখিয়ে
নির্লজ্জের মত রাজনীতি করে,
গদি বাঁচানোর ছক আঁটে,
অ-মীমাংসার তরজায় মত্ত হয়
বিরোধীর সাথে।
এইসব দেখে দেখে সমস্ত সভ্য মানুষ
আজ বড়ই হতাশ ও বিচিন্তিত।
সমগ্র দেশে তাই আগুন জ্বলে ওঠে
বোধে, প্রতিবাদে, প্রতিশোধে,
নিন্দায়, শোকে . . .
দাবী ওঠে – যুদ্ধ চাই যুদ্ধ চাই . . .
এবার তবে শুরু হোক যুদ্ধ,
                         শেষ যুদ্ধ . . .
যেভাবেই হোক যুদ্ধটা খুব দরকার।
যুদ্ধটা শুধু বোমা-গুলি-বারুদ হাতে
সীমান্তে নয়, সীমান্ত পেরিয়েও নয়,
খুনের বদলে খুন নয়,
শুধু প্রতিশোধে-প্রতিবাদে নয় -
যুদ্ধটা চৈতন্যের, যুদ্ধটা সত্যের,
যুদ্ধটা মানবতার, যুদ্ধটা নিরাপত্তার,
যুদ্ধটা দায়িত্ব পালনে
যুদ্ধটা সেনাশ্রদ্ধায়, শহীদের সম্মান রক্ষায়।
যুদ্ধটা প্রয়োজন
দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে --
যুদ্ধটা প্রয়োজন মানুষ হয়ে থাকতে,
যুদ্ধটা প্রয়োজন
আগামীর জন্য দেশটাকে স্বর্গ বানাতে।
@বিধান চন্দ্র রায়
--------------------------------------
স্মরণ অর্ঘ‍্য
--------------ভারতী ধর
দেশমাতৃকার পূজার অর্ঘ্য সাজাতে
যাদের জীবন প্রদীপ জ্বাজল্যমান,
তাদের তরে শ্রদ্ধা জানাতে
যা কিছু দিই হয় কম প্রমাণ ।
কাঁদিছে আকাশ কাঁদিছে বাতাস
কাঁদিছে জননীর শূন্য কোল,
শ্বাস নালীর শ্বাস তঞ্চনে
অশ্রুধারা উতরোল।
১৪ই ফেব্রুয়ারী কালোদিন বলে
পালন হবে চিরকাল ,
এই টুকু জেনো শহীদ বন্ধু
অবনমিত হবে পতাকা-পাল।
------------------------------------------
◆◆◆◆◆ শহীদকথা  ◆◆◆◆◆


কফিনবন্দী ছিন্ন দেহ
রক্তে ভেজা চোখ,
কষ্ট জমুক আগুন বুকে
চাইনা কোনো শোক।
প্রেমর দিনে শপথ কোরো
প্রেমিক যত জওয়ান,
কাঁধ মিলিয়ে বদলা নেবো---
" ইয়ে হামারা হিন্দুস্তান "।
গ্রেনেড কিম্বা মাইনস মোদের
রক্তধারায় মিশে
দুষ্কৃতীদের মারতে হবে
পায়ের তলায় পিশে।
তিরঙ্গাকে রাখতে উঁচা
ভুলেছি আপনজন
ছোট্ট শিশু ডাকছে,'বাবা'
কাঁদছে আমার বোন।
শূণ্য সিঁথি ওই দাঁড়িয়ে
আমার ভালোবাসা
আজকে তাদের আকুল কাঁদা
আমার শুধু হাসা।
তোমরা তো সব স্বপ্ন সাজাও
নানান দিনের রঙে
মোরা শরীর জুড়েই স্বপ্ন আঁকি
ভগৎ-আজাদ ঢঙে।
তোমরা খোঁজো লালচে গোলাপ
প্রেয়সীর প্রেম পেতে,
মোদের বুলেট বারুদে ঝাঁঝরা শরীর
মৃত‍্যুকে নিয়ে মেতে।
আজ বিপন্ন মা ডাকছে দেখো
ছিন্ন বসন তার
ভগবান শুধু মিনতি করি
জাগাও আরেকবার।
টুকরা টুকরো হাত পা জুড়ে
আবার অস্ত্র ধরি,
কফিন ভেঙে যেন জেগে উঠি
বাজিয়ে রণভেরী।
মায়ের সেবায় ঝরুক রক্ত
এই মিনতি করি,
এই কোলতেই জন্মি যেন
এই কোলেতেই মরি ।।
          
--------------------------------@ সন্দীপ

--------------------------------------
কাচের শহর
---------অরূপ

ওই পড়ে আছে দেহ টা নিস্পন্দ ।
গ্যালরি তে বসে থাকা মানুষের কথার শোরগোল,
নানা যুক্তি আছে তাদের ,ঐ দেহেরও একদিন প্রাণ  ছিলো।
তাদের মতো আরো অনেক আছে।
তাদের ও অনেক কিছু করার ছিলো,
তবু তো তারা সবটা দিয়েই গেল ।
দিল তাদের শেষ রক্তবিন্দু।
তাতে হয়ত ভরবে কিছু রাজনীতি র মান ।
যারা শুধু দিয়ে গেলো,পেলো না কিছুই
তারা কি কখনো পাবে না রক্তের দাম।

----------------------------------

শপথ
****** মৌসুমী ভৌমিক


কে তোমরা
আমাদের ভূস্বর্গে নারকীয় দৃশ্য আনতে উদ্যত হয়েছ
এ যে আমাদের মাটি
আমাদের স্বর্গ
চেয়ে দেখো তোমাদের মৃত্যুলীলা আমাদের স্বর্গভূমিতে কীভাবে দেবলীলা হয়ে উঠেছে- আমাদের সৈনিকেরা দেবতা হয়ে ঐশ্বরিক শান্তিতে বিরাজমান
তাঁদের দ্যুতিতে আমাদের উপত্যকা
                        আমাদের দেশ
                        আমাদের মন
   আজ উজ্জ্বল।
পারবে না। ভীতু, কাপুরুষ তোমরা জিততে পারবে না।
এ বর্বরতা পারবে না আমাদের ধ্বংস করতে।
জেনে রেখো, এ হিংস্রতাই দায়ী থাকবে
তোমাদের নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে।
এখনই বলে রাখছি তখন সাড়ে তিন হাত জমিও দেব না তোমাদের মতো দেশদ্রোহীকে
এ আমার শপথ
এ আমাদের শপথ।

বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯










| তাই একা লাগে |


চাওয়া পাওয়ার মধ্যবর্তী সীমানায় দাড়িয়ে
             আমি প্রতীক্ষার প্রহর গুনি
তখন ঘড়ির টিকটিকে
                           আয়ু বয়ে চলে

কাফেনের চাদর মুড়িয়ে ভুলে যাই
          বিষাক্ত গোলাপের করুণ আভা

উষার স্বপ্ন জড়িয়ে
      যে  শিশির কনা জমা হয়
তাতে কাদম্বরীর দীর্ঘশ্বাস খুঁজতে গিয়ে
হারিয়ে ফেলেছি রবির প্রাণশক্তিকে

তাই বড়ো একা একা লাগে।।

----------সুদীপ্তার কলম থেকে

বুধবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আমন্ত্রিত কলম

 ‌ইচ্ছেনদী
-----------সুপ্রীতি বর্মন।

 আঁশটে গৃহকোণে সাংসারিক চলমান আলাপন,
প্রাচীন মুখখানা বইয়ের ভাঁজে লুকিয়ে পেতে চায়,
দমবন্ধ গুমোট যন্ত্রনা থেকে নিষ্কৃতির সুখ।
ছন্নছাড়া প্রেমিক তুমি একদিন স্বামীতে উত্তরন হবে,
এই ছিল ঐকান্তিক প্রত্যাশা কিন্তু ধূলিসাৎ সে আশা।
রংচটা বয়স ঝরা পাতা অসাড় হাত পা ফুঁপিয়ে কান্নার শোক,
কে দেবে তোমার বুকের লোমশ বাগানে অঙ্কুরিত সোহাগ মুকুল,
আমার খোঁপায় গুঁজে।
আস্ত ছেলেবেলার দহন দাপাদাপি সরাতে চায় ঠোঁট,
বঞ্চিত করে আস্বাদন তোমার অজ্ঞাত উষ্ণ চুম্বন।
ব্যস্ত ভিড়ে দাঁড়ানোর অভাব তবু উড়ে এসে জুড়ে বসে,
তোমার আমাকে আলিঙ্গনের খামখেয়ালী ক্ষোভ।
বিনিদ্র রাত ইচ্ছার বালি তবুও দৃঢ়মুষ্ঠির আবদ্ধ সম্পর্ক,
তোমার গন্ধ শুঁকে কান পেতে তোমার কন্ঠস্বরের অমৃতভোগ।
তোমার শারীরিক স্পর্শে সর্পের মরন আলিঙ্গন,
প্রস্তুতিবিহীন আমার জিদের আঠালো এঁটেল মাটি,
কখন যেন ফসকে যায় রুষ্ঠতা ঠোঁটের আলিস্যি বেয়ে।
বেকারত্বের অজ্ঞাতবাসে আবর্জনাসম কূটকাচালির তিরস্কারে,
গা সওয়া ভাবে ভদ্রতার পোষাক ছুঁড়ে ফেলে,
শূন্য বিকেলে তারারা লোপাট অন্ধ মহাকাশের বুকে মাথা গুঁজে,
চাতালে গল্পেরা মশগুল, ছোঁয়াচে একাকীত্ব থেকে পরিত্রানে,
দুগ্ধ স্রোতস্বিনীতে অবগাহনরত স্নিগ্ধ বালিকার সখ্যতা।
নষ্ট আকাঙ্খা শব্দঘরে ঐকান্তিক পিপাসায়,
আজ শুধু দিনরাত উজাড় করে তোমাকে খোঁজে।


আমন্ত্রিত কলম

উড়ন্ত চাঁদের বৃত্তনাল
------------------------------
অনুরূপা পালচৌধুরী


আসক্ত অবসাদের চাদরে জমে থাকা গতমেঘের উর্বর মাটি
আরো ১টা তুমি ভেদ : একুইনাস
সেসব কথার পদপৃষ্ঠ বিষবাউল
নেশাখোর আয়নার চলাচল। ছিন্ন করি মৃতদেহ
চিনতে চিনতে গলীয় অজগরের গতিপথ
ক্রমশ গড়ায় শিকড়ভাজা জ্বরনামা
এসো অপলক জিভের গ্রহণরতি
       
            মুহুর্তের ঘুমপথে অবশ পায়ের শীত্কার


রাত থেকে অতীতে


ক্ষতের হিসাব কষতে গিয়ে কখন দেখি উপন্যাস লিখেছি রাত্রি জুড়ে।

অদ্রাব্য স্বপ্নেরা প্রতিফলিত হতে থাকে প্রহরের পৃষ্ঠায়,

অঙ্কুরিত হয় অদেখা বিষন্নতা।

নিদ্রাচ্ছন্ন শহরটা যখন নিস্তব্ধতা বোনে রাতের সুতোয়,

আমি তখন কবিতায় খুঁজে ফিরি অগোছালো জীবনটাকে।


ছন্দের তীর ঘেঁষে হাঁটতে হাঁটতে এসে পড়ি অতীতনগরে,

দেখা মেলে অজস্র অগঠিত প্রতিশ্রুতির ।

এভাবেই নোনতা স্বাদে মন ভরায় ঠোঁটের স্পর্শকোষ।

যেমনটা অবিরাম চলে সমুদ্রের বুকে। 



------------অতনু রায়


মেঘ বলছে 
------------জয়দীপ রায়

শ্যাওলা বৃত্তের নীচে বৃষ্টির বারান্দা
জিজ্ঞেস করছে, “ কিরে ভিজতে যাবি”
কবির কল্পনায় আঁকাগেরুয়া নদীর কাছে 
কখনও মেঘের পালকি চড়ে 
মুষলধারে বর্ষে যাবি
মোহনার তুমুল ধারায়
দেখিস প্রেমের রাগ জন্ম নেবে ঠিক
আঁচল ছুঁয়ে কোমর জুড়ে  
যাব হয়তো এক ছুট্টে 
স্বপ্ন ছেড়ে তোর বাস্তবে
স্বাক্ষী থাকবে কেকার ধ্বনি 
তোরই মতো নুপূর পড়ে।
               



 ভুলেছিস কি আমায়?

যতবার, যতবার তুই আমাকে কিছু বলতে চেয়েছিস—
আমি ততবারই হেসে উড়িয়ে দিয়েছি,
পাত্তা দিইনি,কেয়ার করিনি,
কিছু বলার মুডে থাকলে 
মুখ ঘুরিয়ে রাগ দেখিয়েছি,
কথা ঘুরিয়েছি।

তুই বলতে চেয়েছিলিস—
আমি জানি কি কথা তোর মুখে এসেছিল–
লোক লজ্জার ভয়ে,আত্মসম্মানের তাগিদে 
তোকে খ্যেস্যা করেছি,
পরে বারান্দার রড ধরে নিজেই কেঁদেছি।
তোকে সে কথা বলতে দিইনি,
আড়ালে আবডালে লুকিয়ে গেছি।

ছেড়ে চলে এসেছি অনেক পথ
ভুলে যাবার চেষ্টা করেছি অহর্নিশ 
ভোলা কি অত সহজ? যে ভুলে যাব—
আমি নিশ্চিত তুই ও আজ আমায় ভুলিসনি।

খাতায় লিখতে গিয়েও চোখ বুজি
চোখের কোনদিয়ে যেন অশ্রু না বেরোয়
মনকে বোঝাতে পারিনি
বুকের ভিতরটা এখনও ডুকরে ডুকরে কাঁদে...

বারবার এক প্রশ্ন মনে জাগে..
সত্যিই ভুলে গেছিস আমায়?
ভুলেছিস কি আমায়?

---------------মানসী


তোমার মধ্যেই মিশে থাকবো
-----------------------পাখি পাল

জীবনে চলার পথে
ঝড়-বৃষ্টি যদি আসে....
আমি সূর্য হতে পারবো না
পাছে মেঘ এসে ঢাকে....
আমি গাছ হতে পারবোনা
পাছে ঝড়ে ভেঙে পড়ি....
আমি ছাতাও হতে পারবোনা
যা  মনে করে নিতে হবে...
তবে থাকব তোমায় জুড়ে
হয়তো দেখতে পাবে না....
কিন্তু উপলব্ধি করতে পারবে
বৃষ্টির ওই ফোটায়....
গাছের ওই দোলায়....
আর ঝড়ের ধূলো এসে
যখন পড়বে চোখে....
তখন আমি তোমার হাত
দিয়েই ঢাকবো চোখ দুটো,
আর চারিদিক তছনছ....
হয়েগেলেও, আমি তোমার মধ্যে দিয়েই তোমায় রক্ষা করবো, এভাবেই আমি 
হার না মানা শপথ হয়ে, তোমার মধ্যেই
 মিশে থাকবো....।।


বসন্ত সেনা।
 -----------অরূপ ।

 আবির টা ছড়িয়ে দিয়েছিলে আগেই,
তবু রং আজ ফ্যাকাশে, গোধূলীর আকাশে।
বসন্তসেনার দিক পরিবর্তন অনেক সহজ
স্থবিরতা টা আমার থাক 
সবই কি থাকবে প্রকাশ্যে 
পেইন কিলারে কাজ হয়না 
অভিমানের নেই ভাষা ,সব ভাষা  যদি মুখেই থাকে চোখের কাজ কি শুধুই কান্না ?
যদিও কংক্রিটে মজে মন 
তাতে কি অনুভূতি ফেরানো যায় না?



◆◆কেউ কি বুঝেছে ◆◆

মুখভার করা আকাশটা জুড়ে
শুধুই মনখারাপের বিজ্ঞাপন
সরু আলপথ ধরে হেঁটে আসা শালিক দুটোও রাতজাগা চোখে কাকে যেন খুঁজছে
এদিক ওদিক তাকিয়ে,
তালগাছের পাতারা ঝাঁকড়া চুল দুলিয়ে যেন
আকাশকে বোঝাতে ব‍্যস্ত----জীবনের মানে।
একঝাঁক পায়রা উড়েছে আকাশের দিকে
বাতাসের কোল ঘেঁষে,
উৎসাহব‍্যঞ্জক কিছু শব্দ মুখে নিয়ে।
অথচ,কাল পর্যন্ত আকাশের বুক জুড়ে ছিল
প্রশান্তির হাসি
চোখে অন্তহীন স্বপ্ন.....প্রেম।
তবে আজ হঠাৎ তার কি হল?
উত্তর জানেনা কেউ
নদী,ধূলোমাখা শহর,আমি-তুমি আর
সেই মাঝি,
যে উজানে নৌকো দিয়েছে ভাসিয়ে,সে ও না।
আজ সাত বসন্ত পেরিয়ে
আকাশের বুকে আর্তনাদ...চোখে জল।
নীলচে অনুভূতিরা হিমাঙ্করেখার নীচে
স্তরীভূত বরফ কেলাস,
ঝরে পড়ে......
ঝরে পড়ে এ জন্মের সুখ
হাসি-কান্না, বিরহ।
আচ্ছা, কেউ কি খুঁজেছে আকাশের প্রেম??
বুঝেছে যন্ত্রণাসুখ
আবেগের দীর্ঘশ্বাস ।
ভাঙা গোয়ালে থাকা পাগলটা হয়তো বুঝেছে, তাই তো
মাটিতে আঁচড় কাটে,আর
আকাশের দিকে চায়,
আবার কাটে
বিড়বিড় করে বলে....
তোর প্রেমও অমর হবে,
সব না বলা শব্দ হয়ে ।।
             
                      ---------------------সন্দীপ 

ক্যানভাস
---------গৌতম সমাজদার।
তুমি প্রায়ই বলতে
   মন মিথ্যে বলে,বলায়--
   ইনিয়ে বিনিয়ে রামধনু ছড়ায়--
   র‌ঙীন ফানুসে পৃথিবী ভরায়।
আমি তর্ক জুড়ে বলতাম,
      হৃদয়‌ই তো হাল,
      যা ভাবে তাই করায়
       ভাসায়, নোঙর এ জড়ায়।
তুমি বলতে সোহাগ ভরে
        শরীর কখনো মিথ্যে বলেনা,
         মিথ্যে বলায় না সতর্ক মুহূর্তেও।
শরীরের রং ক্যানভাসে আঁকা যায় না
        বলতে তুমি, শরীর নিজেই ক্যানভাস
         যতখুশি তুলির আঁচড় টানো--
         মন না চাইলেও ভেসে যাও,
          শুধুই ভেসে যাও.......।।


"প্রেমের স্মৃতিচারণ"

প্রেমিক -চঞ্চল ভট্টাচার্য।

তোমার চোখের ঐতিহাসিক দৃষ্টি,
আমার চোখে প্রেমের তীরধনুক,
তোমার হাসির অঝর ধারায় বৃষ্টি,
আমি,
 তোমার প্রেমে পাগল, উন্মুখ।

তোমার সেদিন গোলাপ রঙের শাড়ি,
আমার মনে  প্রেমের তরবারি,
লিখতে বসে তোমার কবিতারা,
হারাচ্ছিলো কমা কিম্বা দারি।

হাজার লোকের মধ্যে আমি তোমায়,
লজ্জাহীন সেই প্রেম নিবেদন আমার,
রিজেক্ট তুমি করেছিলে বটে,কিন্তু
চান্স ছিলো না আমার প্রেম কমার।

তাই ফোন করা আর মেসেজ পায়নি বিরাম,
তুমি ব্লক করতে প্রায় প্রতিদিনই,
আমার নতুন নতুন ফেসবুক একাউন্টে
আমি ঘৃণা করার সুযোগ তোমায় দিইনি।

অবশেষে হয়েছিলে রাজি,
শর্ত ছিলো প্রেমের থেকে বেশি,
 ভালোবাসা জিতেছিলো সেদিন
কারণ আমি হলাম প্রেমের খেলায় মেশি।

এখন আমার বয়স বছর ষাট,
তুমি আমার পাশেই বসে ছিলে,
হঠাৎ করেই প্রেমের স্মৃতিচারণ,
তুমি একটু লজ্জাবতী হলে।